নারী কেলেঙ্কারীর ভয়ে শঙ্কিত মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ১৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩১শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন এর নাম ও প্যাড ব্যবহার করে নেতৃত্বের পরিচয় প্রদান এবং কর্তৃপক্ষের ... বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সুনাম ক্ষুণ... দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর... বানারীপাড়ায় মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ, এক লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের দাবি মেধা যাচাইয়ের নামে অনিয়ম,৫ লাখ ২০ হাজার সরকারি চাকরির নিয়োগে পুরোনো পথে সরকার ২৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে পরীক্ষা

নারী কেলেঙ্কারীর ভয়ে শঙ্কিত মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ


স্টাফ রিপোর্টার:নারীঘটিত কথিত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কা এবং ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ। ১৩ আগস্ট নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, তার দ্বিতীয় স্ত্রী ও এক অনলাইন নারী ব্যবসায়ীকে কেন্দ্র করে একটি চক্র তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি কুয়াকাটা হুজুর খ্যাত মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকির ভাই।

মিছবাহর অভিযোগ, তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাঈমা দীর্ঘদিন ধরে তার হোয়াটসঅ্যাপের একটি ডিভাইস অ্যাকসেস নিয়ে বিভিন্ন তথ্য পর্যবেক্ষণ এবং তার পরিচয়ে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এভাবে তার কোম্পানি, ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনও নজরদারি করা হয়েছে।

স্ট্যাটাসে মিছবাহ আরও অভিযোগ করেন, গত ১৯ জুলাই তার দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরে ২১ জুলাই তিনি তার মায়ের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে চলে যান। এরপর তার কাছে একটি আইনি নোটিশ আসে, যেখানে ভরণপোষণ না দেওয়া, মানসিক নির্যাতন ও পরকীয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়েছে বলে দাবি করেন মিছবাহ।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৫ আগস্ট তার দ্বিতীয় স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে কাউকে না জানিয়ে চলে যান। এ ঘটনায় তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলেও জানান। সন্তান কোথায় আছে তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন বলেও স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন।

মিছবাহ দাবি করেন, পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন, তার দ্বিতীয় স্ত্রী এক অনলাইন নারী ব্যবসায়ীর বাসায় অবস্থান করছেন। ওই নারী তার স্ত্রীকে প্ররোচনা দিয়ে সংসার থেকে বের করে নিয়ে আশ্রয় দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হিসেবে মিছবাহ দাবি করেন, তার ঢাকার বাসার বেডরুমে গোপন ক্যামেরা স্থাপন করে তার ও প্রথম স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করা হয়েছে এবং ওই ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হচ্ছে।

তিনি আরও দাবি করেন, ১২ আগস্ট ঢাকার পল্টনের একটি হোটেলে উভয় পক্ষের আইনজীবী ও পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তার দ্বিতীয় স্ত্রী ১০ লাখ টাকা দাবিতে অনড় ছিলেন বলে মিছবাহ অভিযোগ করেন।

মিছবাহর বক্তব্য, তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন স্ক্রিনশট, স্ক্রিন ভিডিও ও কথোপকথন প্রকাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এসব তথ্যের কিছু তার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকসেস ব্যবহার করে তৈরি বা পরিবর্তিত হতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।তবে মিছবাহর দ্বিতীয় স্ত্রী, অভিযুক্ত অনলাইন নারী ব্যবসায়ী কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Top