নারী কেলেঙ্কারীর ভয়ে শঙ্কিত মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
পোস্তগোলা ব্রিজের নিচে বালুর বস্তা রেখে ব্যবসার অভিযোগ, নীরব বিআইডব্লিউটিএ! ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক জনাব আলমগীর হোসেন কে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে তার প্রতিবাদ জানিয়েছে বা... মেহেন্দিগঞ্জের পর এবার বাকেরগঞ্জে জামায়াতকর্মী সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদানের নাটক বিচার শেষ হবে কবে ? মাদকের ৯৫ শতাংশ মামলা ঝুলে আছে কোন দলের প্রস্তুতি কেমন,ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপ শুরু ২১ জানুয়ারি ভারত থেকে আনা চালে ক্যানসারের বিষাক্ত উপাদান, বিতরণ স্থগিত বিরোধী দল সংলাপে এলে জুলাই সনদ নিয়ে নমনীয় হতে পারে সরকার জামায়াত জোটের ঢাকা-খুলনা কুষ্টিয়া লংমার্চ আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রী ব্যর্থ, পদত্যাগ দাবি করলেন নাহিদ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ

নারী কেলেঙ্কারীর ভয়ে শঙ্কিত মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ


স্টাফ রিপোর্টার:নারীঘটিত কথিত ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কা এবং ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন মুফতি হাবিবুর রহমান মিছবাহ। ১৩ আগস্ট নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে তিনি দাবি করেন, তার দ্বিতীয় স্ত্রী ও এক অনলাইন নারী ব্যবসায়ীকে কেন্দ্র করে একটি চক্র তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি কুয়াকাটা হুজুর খ্যাত মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকির ভাই।

মিছবাহর অভিযোগ, তার দ্বিতীয় স্ত্রী নাঈমা দীর্ঘদিন ধরে তার হোয়াটসঅ্যাপের একটি ডিভাইস অ্যাকসেস নিয়ে বিভিন্ন তথ্য পর্যবেক্ষণ এবং তার পরিচয়ে অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এভাবে তার কোম্পানি, ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনও নজরদারি করা হয়েছে।

স্ট্যাটাসে মিছবাহ আরও অভিযোগ করেন, গত ১৯ জুলাই তার দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিরোধের সূত্রপাত হয়। পরে ২১ জুলাই তিনি তার মায়ের সঙ্গে নারায়ণগঞ্জে চলে যান। এরপর তার কাছে একটি আইনি নোটিশ আসে, যেখানে ভরণপোষণ না দেওয়া, মানসিক নির্যাতন ও পরকীয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ করা হয়েছে বলে দাবি করেন মিছবাহ।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, গত ৫ আগস্ট তার দ্বিতীয় স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে কাউকে না জানিয়ে চলে যান। এ ঘটনায় তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলেও জানান। সন্তান কোথায় আছে তা নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন বলেও স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন।

মিছবাহ দাবি করেন, পরবর্তীতে তিনি জানতে পারেন, তার দ্বিতীয় স্ত্রী এক অনলাইন নারী ব্যবসায়ীর বাসায় অবস্থান করছেন। ওই নারী তার স্ত্রীকে প্ররোচনা দিয়ে সংসার থেকে বের করে নিয়ে আশ্রয় দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হিসেবে মিছবাহ দাবি করেন, তার ঢাকার বাসার বেডরুমে গোপন ক্যামেরা স্থাপন করে তার ও প্রথম স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করা হয়েছে এবং ওই ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি করা হচ্ছে।

তিনি আরও দাবি করেন, ১২ আগস্ট ঢাকার পল্টনের একটি হোটেলে উভয় পক্ষের আইনজীবী ও পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পারিবারিক বিরোধ মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তার দ্বিতীয় স্ত্রী ১০ লাখ টাকা দাবিতে অনড় ছিলেন বলে মিছবাহ অভিযোগ করেন।

মিছবাহর বক্তব্য, তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন স্ক্রিনশট, স্ক্রিন ভিডিও ও কথোপকথন প্রকাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এসব তথ্যের কিছু তার হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকসেস ব্যবহার করে তৈরি বা পরিবর্তিত হতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।তবে মিছবাহর দ্বিতীয় স্ত্রী, অভিযুক্ত অনলাইন নারী ব্যবসায়ী কিংবা সংশ্লিষ্ট অন্য পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Top