নামাজরত শিক্ষার্থীর ওপর সশস্ত্র হামলা, শিবিরের প্রতিবাদ - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঝুঁঁকিতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ জামায়াত এমপি আব্দুল বাতেনের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে ‘সুপারিশের’ বিড়ম্বনায় ফায়ার সার্ভিস কর্তারা,নিয়োগে সব ধাপে কড়াকড়ি ফারুকের উত্থান শ্রমিক দল করার মাধ্যমে,আবারও বেপরোয়া কাইল্লা ফারুক অস্থিরতার বছরে অর্থ পাচার বাড়ে,পাচার বন্ধে আইন আছে প্রয়োগ নেই ১২ কর্মকর্তার পদোন্নতি ও বদলি,প্রশাসনে বড় রদবদল ২০২৪ সালের আত্মত্যাগই ২০২৬ সালের রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করেছে জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ শিশুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা,আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকায় সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

নামাজরত শিক্ষার্থীর ওপর সশস্ত্র হামলা, শিবিরের প্রতিবাদ


প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা:চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার বাউরিয়া ইউনিয়নে তারাবির নামাজ আদায়রত অবস্থায় ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মো. জিহাদের ওপর বর্বরোচিত ও সশস্ত্র হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ এবং তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, চট্টগ্রাম জেলা উত্তর শাখা।আজ ২১ ফেব্রুয়ারি, এক যৌথ বিবৃতিতে শাখা সভাপতি শওকত আলী ও সেক্রেটারি মাঈন উদ্দিন রায়হান এ প্রতিবাদ জানান।বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “পবিত্র রমজান মাসে এবং মসজিদের অভ্যন্তরে ইবাদতরত অবস্থায় একজন ছাত্রনেতার ওপর হামলা চালিয়ে তাকে রক্তাক্ত করা কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়; বরং এটি ধর্মীয় পবিত্রতা ও মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।”

ঘটনার বিবরণ দিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন,চিহ্নিত মাদক কারবারি ও বিএনপি নেতা ‘ইয়াবা জামাল’-এর প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে জাসিব, নিরব ও নাঈমসহ একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী মসজিদের পবিত্রতা ক্ষুণ্ণ করে জিহাদকে টেনে-হিঁচড়ে বের করে এনে নৃশংসভাবে আঘাত করে। রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে ‘কেন ছাত্রশিবির করিস’ বা ‘কেন দাঁড়িপাল্লার পক্ষে কাজ করলি’—এমন ধৃষ্টতাপূর্ণ প্রশ্ন তুলে তারা যে বর্বরতা চালিয়েছে, তা কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষের কাজ হতে পারে না। এই হামলা সন্দ্বীপের দীর্ঘদিনের শান্তিশৃঙ্খলা বিঘ্নিত করার একটি পরিকল্পিত অপচেষ্টা এবং গণতান্ত্রিক দেশে আদর্শিক রাজনীতি করার অধিকারের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ।

নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন,প্রকাশ্যে জনসমাগমস্থলে এবং ইবাদতখানায় এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা ইসলামের প্রতি চরম অবজ্ঞার শামিল। এই দুঃসাহসিক হামলার মাধ্যমে সন্ত্রাসীরা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার পাশাপাশি নিজেদের চরম অসহিষ্ণুতা ও ফ্যাসিবাদী মানসিকতার পরিচয় দিয়েছে।পরিশেষে, নেতৃবৃন্দ আহত মো. জিহাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং অনতিবিলম্বে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান।

Top