বরিশালে দাঁড়িপাল্লার নারী সমর্থকদের হেনস্তা, থানায় অভিযোগ - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঝুঁঁকিতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ জামায়াত এমপি আব্দুল বাতেনের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে ‘সুপারিশের’ বিড়ম্বনায় ফায়ার সার্ভিস কর্তারা,নিয়োগে সব ধাপে কড়াকড়ি ফারুকের উত্থান শ্রমিক দল করার মাধ্যমে,আবারও বেপরোয়া কাইল্লা ফারুক অস্থিরতার বছরে অর্থ পাচার বাড়ে,পাচার বন্ধে আইন আছে প্রয়োগ নেই ১২ কর্মকর্তার পদোন্নতি ও বদলি,প্রশাসনে বড় রদবদল ২০২৪ সালের আত্মত্যাগই ২০২৬ সালের রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করেছে জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ শিশুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা,আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকায় সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

বরিশালে দাঁড়িপাল্লার নারী সমর্থকদের হেনস্তা, থানায় অভিযোগ


ষ্টাফ রিপোর্টার:
বরিশাল-৪ আসনের কাজিরহাট থানার আন্দারমানিক ইউনিয়নের আজিমপুর গ্রামে দাঁড়িপাল্লার প্রচারণাকালে জামায়াতের নারী সমর্থকদের লাঞ্চিত ও হেনেস্তার ঘটনায় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
আন্দারমানিক ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও শিক্ষক মো. শহিদুল ইসলামের দায়ের করা লিখিত অভিযোগে জানা গেছে, সোমবার বেলা ১১টার আজিমপুর এলাকায় দাঁড়িপাল্লার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিল বেশ কয়েজন মহিলা সমর্থক।
তখন হঠাৎ করে সেখানে উপস্থিত হয় ধানের শীষের কর্মী স্থানীয় বেলাল দাই, নাসির মৃধা, দুলাল খান, জুলহাস সিকদার, মফিজ হাওলাদার, শহিদ বিশ্বাস, মুনছুর মিয়া, মনির দেওয়ান, আল আমিন খান, নূরুল ইসলাম, মোজাম হাওলাদার, আলাউদ্দিন আলী রানা, নাসির উজ্জ্বলসহ তাদের ১৫/২০ জন সহযোগী।
অভিযোগে আরো জানা গেছে, উল্লেখিত ধানের শীষের কর্মীরা দাঁড়িপাল্লার প্রচারণায় বাঁধা দেয়। একপর্যায়ে তারা নারী সমর্থকদের হেনস্তা ও লাঞ্চিত করে।
আমি (শহিদুল) তাদের নিষেধ করলে তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদের প্রচার কার্যক্রম বন্ধ করতে বাঁধ্য করে।
শহিদুল ইসলাম বলেন, এসব বাঁধাদানকারীরা ধানের শীষের প্রার্থী রাজিব আহসানের অনুসারী। তারা অনেকদিন যাবত এলাকায় আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। উল্লেখিতরা আমাদেরকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতিসহ হুমকি প্রদর্শন করেন।
এ ব্যাপারে প্রধান অভিযুক্ত বেলাল দাইয়ের ব্যবহৃত (01617216605) নাম্বার মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
লিখিত অভিযোগপ্রাপ্তির সত্যতা স্বীকার করে কাজিরহাট থানার ওসি মো. নবীউল হাসান বলেন, অভিযোগের তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Top