নেছারাবাদে সরকারি ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ৩রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
দাপুটে অতিরিক্ত ডিআইজিসহ তিন পুলিশ সুপারকে বরখাস্ত বন্দির মাথায়, কানে বা বুকে গুলি করতেন জিয়াউল হাতে বৈধ কাগজপত্র,ভিসা-টিকিটও ঠিকঠাক,তবুও শাহজালালে পদে পদে হয়রানি দেশে সারের কোনো সংকট নেই খেলাপি ঋণ ছাড়াল ৬ লাখ কোটি টাকা,লাগাম টানা যাচ্ছে না খেলাপি ঋণের সোলার ছাড়াও জলবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ ও বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে নেছারাবাদে সরকারি ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি বৈদেশিক টাকায় গৌরনদীতে হারিছকে পূণঃপ্রতিষ্ঠিার করার মিশনে ক্যাডার বাহিনী র‍্যাব সদরদপ্তর হবে ১১তলা, ব্যয় ১৭২ কোটি টাকা একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু আজ, জেনে নিন ফি ও বিস্তারিত নিয়ম

নেছারাবাদে সরকারি ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের দাবি


নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি:

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার ৮ নং  সমুদয়কাঠী ইউনিয়নে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ও দুস্থ মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় বরাদ্দ, সুবিধাভোগীর তালিকা প্রণয়ন ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় শ্রমিক দলের এক নেতা।

এ বিষয়ে নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ৮ নং সমুদয়কাঠী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মো. বদিউজ্জামান খান।

লিখিত অভিযোগে তিনি দাবি করেন, ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আখতার হোসেন খান এবং ইউনিয়ন শ্রমিক দলের শাখা ওয়ার্ডের নেতা শেখ আব্দুর রবসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ও দুস্থ মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত সরকারি ত্রাণের সুবিধাভোগীর তালিকা প্রণয়নে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্ত ও দুস্থ ব্যক্তিদের পরিবর্তে অন্য ব্যক্তিদের নাম সুবিধাভোগীর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এমনকি অভিযোগকারীর দাবি, তার নাম ব্যবহার করেও একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং তার নামে একটি কার্ড পাঠানো হয়েছে। এতে তিনি বিব্রত ও অপমানিত হয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, হতদরিদ্র মানুষের মধ্যে বিতরণের জন্য ৩৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও প্রকৃত হতদরিদ্রদের বাদ দিয়ে অপেক্ষাকৃত স্বচ্ছল ও মধ্যবিত্ত ব্যক্তিদের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে সরকারি বরাদ্দের অর্থ প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছেছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী।

লিখিত অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে ইউনিয়ন টিতে বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির ও চাদা ঘটনা ঘটছে। এসব কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয় রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারি ত্রাণের বরাদ্দ, সুবিধাভোগীর তালিকা, কার্ড বিতরণ এবং অর্থ বা ত্রাণসামগ্রী বিতরণের প্রকৃত তথ্য যাচাইয়ের দাবি উঠেছে। অভিযোগকারী সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পরীক্ষা, প্রকৃত সুবিধাভোগীদের সঙ্গে কথা বলা এবং মাঠপর্যায়ে তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার করার দাবি জানিয়েছেন।

তবে অভিযোগে যাদের বিরুদ্ধে অনিয়মের কথা বলা হয়েছে, তাদের বক্তব্য এ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।

অভিযোগকারী দাবি করেছেন, নিরপেক্ষ তদন্তে অনিয়ম বা দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং সরকারি সহায়তার প্রকৃত সুবিধা যেন ক্ষতিগ্রস্ত ও অসহায় মানুষের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করা হোক।

Top