উন্নত সেবা দিতেই সরকারি হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা চালু - Alokitobarta
আজ : রবিবার, ৩০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজধানীর যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা লুট-অবৈধ অস্ত্রের তথ্য দিলেই ২ লাখ টাকা পুরস্কার সাংবাদিকদের সুরক্ষা না থাকলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সংকুচিত হবে পুলিশের শীর্ষ ১০০ কর্মকর্তার মধ্যে একজন নারী মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার কর্মী যাবে ‘জিরো কস্টে’ একই দিনে দুই প্রধান শক্তির শোডাউন,রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা-কল্পনা ঢাবিসহ ৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের সময়সূচি প্রকাশ,ভর্তি পরীক্ষা জেনারেটরে পুড়ছে লাভের টাকা, হতাশ ব্যবসায়ীরা,লোডশেডিংয়ে কুয়াকাটার পর্যটনে ধস হ্যাকারের দখলে সরকারি সাইট,নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ডিজিটাল সিস্টেম কৌশলে বাজারে সয়াবিন চিনির কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেছে কোম্পানি গুলো

উন্নত সেবা দিতেই সরকারি হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা চালু


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া :স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশে নয় বরং জনগণকে স্বল্প খরচে উন্নত সেবা দিতেই সরকারি হাসপাতালে বৈকালিক স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে।শুক্রবার রাজধানীর ভিকারুন্নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি, ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি ও বিএসসি ইন নার্সিং কোর্সের ২৭তম কম্প্রিহেনসিভ (লাইসেন্সিং) পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে তিনি একথা বলেন।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই চিকিৎসকরা ক্লিনিকে না গিয়ে সরকারি হাসপাতালেই যেন বিকালে প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখেন। এ ক্ষেত্রে তারা বাইরে যে ফি নেন, তার এক-তৃতীয়াংশ ফি নেবেন। তাছাড়া হাসপাতালে যেসব রোগী ভর্তি থাকে, তাদেরও অনেক সময় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসার প্রয়োজন পড়ে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সরকারি হাসপাতালগুলোতে বিকালেও বিশেষজ্ঞরা থাকবেন। এতে সেবার মান আরও উন্নত হবে।জাহিদ মালেক বলেন, স্বাস্থ্যসেবার জন্য নার্সের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তারাই হাসপাতালে থাকেন এবং সেবা দেন।

একজন রোগীকে চিকিৎসক শুধু দেখে যান, আর নার্সরা সার্বক্ষণিক সেবা দেন। আমরা বিভিন্ন বিষয়ের ওপর স্পেশালাইজড নার্স তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছি।স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে ৮৫ হাজার নার্স কাজ করছেন। এর মধ্যে ৪৫ হাজার সরকারি, আর বাকিরা বেসরকারি। দেশে নার্সদের ৩৫০টি ইনস্টিটিউটে ৩৪ হাজার সিট আছে। ১০ বছরে ৩৪ হাজার নার্স নিয়োগ দিয়েছি। সামনে আরও নিয়োগ দেয়া হবে।এবার ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি, ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি, ডিপ্লোমা ইন পেশেন্ট কেয়ার টেকনোলজি এবং বিএসসি ইন নার্সিং- এই ৪টি কোর্সের লাইসেন্সিং পরীক্ষায় প্রায় ১২ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন।

Top