ঢাকার কোন এলাকায় বেশি দূষিত?ওয়াসার পানি - Alokitobarta
আজ : রবিবার, ১৯শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
ইলেকট্রিক বাস কিনতে ৪শ কোটি টাকা চায় বিআরটিসি দুর্নীতির ‘ওএলএম’ সিন্ডিকেট বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আমদানি-রপ্তানি দপ্তরে রাতভর চলে অনৈতিক কারবার ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সুবিধাভোগীরা ! প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদে বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের সম্পর্ক এখন ইতিহাসের অন্যতম সেরা পর্যায়ে রয়েছে পাচারের অর্থ উদ্ধারে নতুন চ্যালেঞ্জ গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগে হোঁচট বেনামি ঋণ ১৩১৬৬ কোটি টাকা, গুপ্ত হয়ে বিএনপিতে প্রবেশ করা বিতর্কিত জামায়াতে ইসলামীর নেতা নুরুল আমিন দলকে ক্ষতিগ্রস্ত করতেই এমন ক... ববিতে অর্ধশত নবীন শিক্ষার্থীকে ৫ ঘণ্টা র‌্যাগিং প্রধানমন্ত্রী অনেক ভালো ভালো কথা বলেন,প্রধানমন্ত্রীর মুখে মধু, অন্তরে ছলনা

ঢাকার কোন এলাকায় বেশি দূষিত?ওয়াসার পানি


আলোকিত বার্তা:ঢাকায় ওয়াসার কোন কোন এলাকার পানি সবচেয়ে বেশি দূষিত (অনিরাপদ) তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (৮ মে) এক রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. তানভীর আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু।এর আগে শুনানিকালে পানি পরীক্ষার প্রতিবেদন দাখিলের পরিবর্তে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে একটি অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। ওই প্রতিবেদনে পানি পরীক্ষায় কমিটি গঠন ও কমিটির কার্যপরিধি তুলে ধরা হয়।

এছাড়াও ওই প্রতিবেদনে ওয়াসাকে মোট ১১টি জোনে ভাগ করে পানি পরীক্ষার কথা বলা হয়। পাশাপাশি অর্থায়ন পাওয়া গেলে চার মাসের মধ্যে পানি পরীক্ষার প্রতিবেদন পাওয়া যেতে পারে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।এরপর আদালত কোন কোন এলাকার পানি বেশি দূষিত ও অনিরাপদ সেসব এলাকা চিহ্নিত করে জানানোর নির্দেশ দেন। এছাড়া পানি পরীক্ষায় অর্থায়ন কে করবে এবং কী পরিমাণ অর্থায়ন প্রয়োজন হবে সেটা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজুকে জানাতে নির্দেশ দেন। পরে আদালত ১৩ মে পর্যন্ত এ মামলার কার্যক্রম মুলতবি করেন।এর আগে ২০১৮ সালের ১১ অক্টোবর বিশ্বব্যাংক একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়,দেশের সাড়ে সাত কোটি মানুষ অনিরাপদ উৎসের পানি পান করে। ৪১ শতাংশ পানির নিরাপদ উৎসগুলোতে রয়েছে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া। ১৩ শতাংশ পানিতে রয়েছে আর্সেনিক। পাইপের মাধ্যমে সরবরাহ করা পানিতে এ ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৮২ শতাংশ।

ওই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। পরে প্রতিবেদন যুক্ত করে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ।ওই রিট আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৬ নভেম্বর রাজধানী ঢাকায় পাইপের মাধ্যমে সরবরাহকৃত ওয়াসার পানি পরীক্ষার জন্য পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এছাড়াও কমিটিকে দুই মাসের মধ্যে পানি পরীক্ষা করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেয়। কিন্তু বুধবার (৮ মে) অন্য এক অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করে পানি পরীক্ষায় কমিটি গঠন ও কমিটির কার্যপরিধি আদালতের সামনে তুলে ধরা হয়।

Top