মিয়ানমারের ওপর চাপ সহ্য করবে না চীন রোহিঙ্গা ইস্যুতে - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিদ্যুতে সরকারের প্রতি অসন্তুষ্ট ৮৯.৪%,গণভোট বাস্তবায়ন চান ৭০ শতাংশ, ‘সবার জন্য সমান’ নীতি বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ অস্বস্তি ,রাজনীতিতে নানা আলোচনা বরিশালে এসএসসির উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে ‘বিশেষ ছাড়’ নেই গণমাধ্যম এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে কোনো গোপন শর্তে নয় ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলায় কার্যালয়ে হামলা ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করে পরে ডিসি প... একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল এক হাজার টাকা ভাড়া মারছি, জমা ১২শ,গ্যাস সংকটে হিমশিম চালকরা

মিয়ানমারের ওপর চাপ সহ্য করবে না চীন রোহিঙ্গা ইস্যুতে


আলোকিত বার্তা:মিয়ানমারের সেনাপ্রধান মিং অং হ্লেইংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত চেন হাই।তিনি সেনপ্রধানকে আশ্বস্ত করে বলেছেন, রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের পাশে থাকবে বেইজিং।রোহিঙ্গাদের গণহত্যাসহ আরও অনেক অভিযোগে চাপের মুখে রয়েছে মিয়ানমার সেনাবাহিনী।মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে স্থানীয় দৈনিক ইরাবতীর এক অনলাইন প্রতিবেদনে এ বৈঠকের খবর জানানো হয়। রোহিঙ্গা ইস্যুতে আন্তর্জাতিক চাপে মিয়ানমার কিছু মানুষকে ফিরিয়ে নিতে সম্মত হলেও গত শুক্রবার বাংলাদেশ থেকে দ্বিতীয় দফায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

মিয়ানমারের সেনাপ্রধানের কার্যালয় থেকে দেয়া এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতি অনুযায়ী চেন হাই এবং মিং অং হ্লেইংয়ের মধ্যে বৈঠকে আলোচিত বিষয় নিয়ে বলা হচ্ছে, চীনা প্রতিনিধি তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন।বিষয় তিনটি হলো- প্রথমত, রোহিঙ্গা এবং মানবাধিকার ইস্যুতে মিয়ানমারের ওপর ক্রমবর্ধমান আন্তর্জাতিক চাপ সহ্য করবে না বেইজিং। দ্বিতীয়ত, সম্প্রতি দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ সান এবং মানডালায় অঞ্চলের শহর পিও ও লুইনে যে সহিংস হামলা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তারা। তৃতীয়ত, মিয়ানমারে শান্তি প্রক্রিয়া এবং শান্তি আলোচনা অব্যাহত রাখতে সম্ভাব্য পথ খুঁজতে সহায়তা করবে চীন।

গত শুক্রবার বাংলাদেশে আশ্রয়প্রাপ্ত নিবন্ধিত ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গার মধ্যে সাড়ে তিন হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানোর কথা ছিল। প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছিল কিন্তু রোহিঙ্গাদের অসম্মতিতে তা সম্ভব হয়নি।এর আগেও গত বছরের নভেম্বরে প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন চেষ্টাও ব্যর্থ হয়।রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের মতো পরিস্থিতি রাখাইনে নেই দাবি করে এ প্রক্রিয়া বিলম্বিত করার আহ্বান জানায় মানবাধিকার সংস্থা হিউমান রাইটস ওয়াচ এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তাদের বক্তব্য, মিয়ানমার যখন তাদের নিরাপদে, স্বেচ্ছায় ও সম্মানের সহিত ফিরিয়ে নেয়ার পরিবেশ তৈরি করবে তখনই তাদের পাঠানো হবে।

Top