রাজউক কর্মকর্তা পলাশ শিকদারকে নিয়ে ষড়যন্ত্র
এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া :রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ রাজউকের অথরাইজড অফিসার পলাশ শিকদারকে নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অসাধু উপায়ে অনৈতিক সুবিধা পেতে ব্যর্থ হয়ে ওই মহলটি কর্মকর্তা পলাশ শিকদারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে বলে জানা গেছে।
পরিকল্পিত ও নিরাপদ নগরায়ণ নিশ্চিতে দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন রাজউকের অথরাইজড অফিসার পলাশ শিকদার। চাকরির শুরু থেকেই সেবাবাজারে অসাধু চর্চা বন্ধ এবং সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেন তিনি।
তবে তাঁর সততার এই দেয়ালই যেন বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এক শ্রেণীর কুচক্রী ও অসাধু মহলের সামনে। অনুসন্ধানে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে পলাশ শিকদারের কাছ থেকে নিয়মবহির্ভূত সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করছিল একটি প্রভাবশালী চক্র। কিন্তু কর্মকর্তা নীতিগত অবস্থানে অনড় থাকায় সব ধরনের চেষ্টা ব্যর্থ হয় তাদের।অনৈতিক সুবিধা হাসিল করতে না পেরে এবার ভিন্ন পথ ধরেছে চক্রটি।
কর্মকর্তা পলাশ শিকদারকে ওএসডি করার উদ্দেশ্যে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে জমা দেওয়া হচ্ছে ভিত্তিহীন অভিযোগ।
মূলধারার গণমাধ্যমে ঠাঁই না পেয়ে, কিছু নিবন্ধনহীন অনলাইন নিউজ পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তিকর তথ্য।
রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অথরাইজড অফিসার পলাশ শিকদারের বিরুদ্ধে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
এ বিষয়ে মূল তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
অপপ্রচারের অভিযোগ: সংশ্লিষ্টদের দাবি, একটি কুচক্রী মহল নিয়ম ও নীতির বাইরে অবৈধ সুবিধা হাসিল করতে না পেরে এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বানোয়াট তথ্য ছড়াচ্ছে।
দায়িত্ব পালন: পলাশ শিকদার সবসময় দাপ্তরিক বিধিমালা ও নিয়মের ভেতরে থেকে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্য: তাকে ওএসডি (বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) করার উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে সংবাদমাধ্যমে উঠে এসেছে।
পলাশ শিকদার সবসময় বিধিমালার ভেতরে থেকে কাজ করেন। কোনো অনিয়ম প্রশ্রয় না দেওয়ায় একটি চিহ্নিত চক্র অসৎ উদ্দেশ্য হাসিলে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে।
সচেতন মহল বলছেন, একজন সৎ ও নীতিবান সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এ ধরনের ষড়যন্ত্র বন্ধে রাজউক ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে সততার সাথে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তারা নিরুৎসাহিত হবেন।
)