কোনোভাবেই অতিরিক্ত বা কম নম্বর দেওয়া যাবে না
মোহাম্মাদ মুরাদ হোসেন:বিদ্যুৎ বিভ্রাটের ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করতে বিকল্প হিসেবে আইপিএস ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন,এ ব্যবস্থা পার্বত্য চট্টগ্রামের দুর্গম এলাকার পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণেও সহায়ক হবে।শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম এবং এ অঞ্চলের মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসমূহের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে নকল প্রতিরোধ ও সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা আয়োজনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।সভায় মন্ত্রী কেন্দ্র সচিবদের উদ্দেশ্যে বলেন, পরীক্ষাকে ঘিরে কোনো ধরনের অহেতুক আতঙ্ক সৃষ্টি করা যাবে না। তিনি প্রতিটি পরীক্ষা কক্ষে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসি ক্যামেরা) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন। মন্ত্রী বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষকদের সহযোগিতায় আমরা পাবলিক পরীক্ষায় নকল বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলাম। এবারও শিক্ষকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নকলমুক্ত পরীক্ষা আয়োজন করা সম্ভব হবে বলে আমি আশাবাদী।শিক্ষকদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, শিক্ষকদের পূর্বেও আমি নিরাপত্তা দিয়েছি, এবারও দেব। আপনারা নির্ভয়ে দায়িত্ব পালন করবেন।খাতা মূল্যায়ন প্রসঙ্গে পরীক্ষকদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী নির্দেশনা দেন, খাতায় যা-ই লেখা থাকুক, সঠিক উত্তর যাচাই করেই নম্বর দিতে হবে।কোনোভাবেই অতিরিক্ত বা কম নম্বর দেওয়া যাবে না।
প্রশ্নপত্র ফাঁসকে একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো ঘটনা ঘটেনি। এবারও তা কঠোরভাবে প্রতিরোধ করা হবে। এ ধরনের অপরাধে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে।আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তিনি স্থানীয় সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা কামনা করেন এবং একটি মেধাবী জাতি গঠনে সকলকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। সভায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, চট্টগ্রামের চেয়ারম্যান, কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট সকল কেন্দ্র সচিববৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।