সরকার কোরবানির পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করলেও চামড়া বিক্রি হয়েছে অনেকটা গতবারের মতোই - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ১৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকায় সতর্ক অবস্থানে পুলিশ তীরে এসে তরি ডুবলো বাংলাদেশ! অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সিরিজ হারও বাংলাদেশের বিদ্যমান নির্বাচনী আইনে কোনো সংসদ সদস্যকে ঋণখেলাপি বলা যাবে না নিরাপত্তা কড়াকড়ি যেন দূরত্ব তৈরি না করে ঋণখেলাপি ইস্যুতে উত্তপ্ত সংসদ বাংলাদেশিদের টাকার পাহাড় সুইস ব্যাংকে প্রাণঘাতীর পরিবর্তে ‘নন-লিথাল’ অস্ত্র ব্যবহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিএসএফ খালেদা জিয়া দেশের জনগণকে রেখে কোথাও যাননি অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের সুবর্ণ সুযোগ,গৃহঋণ সহজীকরণে কর্মসংস্থান বাড়বে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ,স্বামীকে বেঁধে নারীকে তুলে নিয়েও ধর্ষণ

সরকার কোরবানির পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করলেও চামড়া বিক্রি হয়েছে অনেকটা গতবারের মতোই


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া :সরকার কোরবানির পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করলেও চামড়া বিক্রি হয়েছে অনেকটা গতবারের মতোই।ফলে কোরবানিদাতা, মৌসুমি ব্যবসায়ী এবং মাদরাসা ও এতিমখানা কর্তৃপক্ষের চামড়ার বাড়তি দাম পাওয়ার আশায় গুড়েবালি হয়েছে।গত বছর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৪০ থেকে ৪৫ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৩৩ থেকে ৩৭ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছিল। এ ছাড়া খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১৫ থেকে ১৭ টাকা ও বকরির চামড়া ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়।আর গত সপ্তাহে ব্যবসায়ীদের সাথে বৈঠক করে ঢাকায় লবণযুক্ত গরুর চামড়ার দাম প্রতি বর্গফুট ৪৭ থেকে ৫২ টাকা নির্ধারণ করে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। ঢাকার বাইরে ৪০ থেকে ৪৪ টাকা। এ ছাড়া খাসির চামড়া প্রতি বর্গফুট ঢাকায় ১৮ থেকে ২০ টাকা, বকরির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঢাকার বাইরে ও ঢাকায় বকরি ও খাসির চামড়ার দাম একই থাকবে।তার মানে চলতি বছর প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৭ টাকা এবং খাসির চামড়ায় ৩ টাকা বাড়তি দাম নির্ধারণ করে মন্ত্রণালয়।

ঈদুল ফিতরের দিন আজ রোববার কোরবানির চামড়া ক্রয়–বিক্রয়ের সবচেয়ে বড় জায়গা রাজধানীর পুরান ঢাকার পোস্তায় দেখা গেছে, এখানে দুপুরের পর ছোট আকারের গরুর চামড়া ২০০ থেকে ২৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাঝারি আকারের গরুর চামড়া মানভেদে ৩০০ থেকে ৭৫০ টাকা এবং বড় আকারের গরুর চামড়া ৮০০ থেকে ১ হাজার ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে অধিকাংশ আড়তদার ছোট আকারের গরুর চামড়া এবং খাসি ও বকরির চামড়া কিনতে অনীহা দেখান। ছোট আকারের গরুর চামড়া কেউ বিক্রি করতে আনলে ১০০ টাকা দামও বলছেন ব্যবসায়ীরা। আর খাসি ও বকরির চামড়া ১০ টাকার বেশি বিক্রি হয়েছে এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।বাংলাদেশ হাইড অ্যান্ড স্কিন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক টিপু সুলতান অবশ্য দাবি করেন, সরকার-নির্ধারিত দামেই চামড়া কেনাবেচা হচ্ছে।পোস্তার কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, বড় আকারের গরুর চামড়া ৩৫ থেকে ৪০ বর্গফুট, মাঝারি আকারের গরুর চামড়া ২১ থেকে ৩০ এবং ছোট আকারের গরুর চামড়া ১৬ থেকে ২০ বর্গফুটের হয়। একেকটি গরুর চামড়া প্রক্রিয়াজাত করতে লবণ ও শ্রমিকের মজুরিসহ গড়ে ৩০০ টাকা খরচ হয়। গত বছরের তুলনায় এবার লবণের দাম দ্বিগুণ হওয়ায় খরচ কিছুটা বেশি পড়ছে।বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াতউল্লাহ বলেন, ‘গত বছরের তুলনায় চলতি বছর গরুর চামড়ার দাম ভালো। বিক্রেতারা ভালো দাম পাচ্ছেন। চলতি বছর ট্যানারিগুলো ১ কোটি ২০ লাখের মতো চামড়া সংগ্রহ করতে পারবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।

Top