নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউশনের (ইটিআই) - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ১০ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৬শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
অবৈধ সম্পদ অর্জন, টেন্ডার বাণিজ্য সহ নানান অভিযোগ রংপুরে নির্বাহী প্রকৌশলী মুসার বিরুদ্ধে গুঠিয়া বিএনপি কার্যালয়ে ডাবল স্ট্যান্ডঃ আ.লীগ নেতাদের আপ্যায়ন, বিএনপি নেতাদের শায়েস্তা রাজউক কর্মকর্তা পলাশ শিকদারকে নিয়ে ষড়যন্ত্র দল-মতের ঊর্ধ্বে চট্টগ্রামবাসীর ঐক্য লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’-এর ঘোষণা উজিরপুর উপজেলায় এনসিপির আহবায়ক কমিটি ঘোষণা হিজলায় জামায়াতের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মেহেন্দিগঞ্জে জামায়াতের দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে শ্রমিক ইউনিয়ন সদস্যদের মধ্যে আইডি কার্ড বিতরণ পরিত্যক্ত সাবমেরিন ক্যাবল উত্তোলন ঘিরে চাঞ্চল্য, ‘প্রতিরোধ আন্দোলনের’ সংবাদ সম্মেলন পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন7

নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউশনের (ইটিআই)


আলোকিত বার্তা:নির্বাচনী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউশনের (ইটিআই) মহাপরিচালক (ডিজি) পদে বহাল থাকতে জোর তদবির করে চলেছেন মোস্তফা ফারুক।গত ২৭ আগস্ট রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমানের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে মোস্তফা ফারুককে ইটিআইয়ের মহাপরিচালক পদ থেকে নিচু পদ ফরিদপুর আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে বদলির আদেশ দেয়া হয়।
তার বিরুদ্ধে নির্বাচনী প্রশিক্ষণের নামে অর্থ লোপাটসহ বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এ নিয়ে সম্প্রতি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।বদলির প্রজ্ঞাপনে বলা হয়,বুধবারের (২৮ আগস্ট) মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল ত্যাগ (স্ট্যান্ড রিলিজ) করতে বলা হয়েছে। অন্যথায় আগামীকাল বৃহস্পতিবার তাৎক্ষণিক অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন তারা।পরবর্তীতে স্ট্যান্ড রিলিজ পরিবর্তন করে বর্তমান কর্মস্থল ত্যাগ করতে চার দিন সময় দেয়া হয় মোস্তফা ফারুককে।

ইসি সূত্র জানায়, বদলির আদেশ পাওয়ার পর থেকে ইটিআইয়ের ডিজি মোস্তফা ফারুক জোর তদবির শুরু করেন। গত ২৯ আগস্ট ইসির ৫২তম সভা ছিল। ওই সভার আগে ইসি সচিব মো. আলমগীরের কার্যালয়ের সামনে ভিড় জমান মোস্তফা ফারুকের লোকজন। তখন ৫০ থেকে ৬০ জন ইটিআই এবং এনআইডির কর্মকর্তা/কর্মচারী ছিলেন। এ সময় ইসি সচিবের কক্ষে ইটিআইয়ের ডিজির পক্ষে ইসির যুগ্ম-সচিব ফরহাদ আহমদ, আবদুল বাতেন, আবুল কাশেমসহ ৫ থেকে ৬ জন কর্মকর্তা প্রবেশ করেন।এরপর ওইদিন বিকেল ৩টায় কমিশন সভা শুরু হলে সেখানেও মোস্তফা ফারুক ও তার পক্ষের লোকজন জোর তদবির করেন।

ইসি সূত্র আরও জানায়, ইটিআইয়ের ডিজির পক্ষের লোকজন ইসি সচিব ও নির্বাচন কমিশনকে বোঝানোর চেষ্টা করেন যে, ইটিআইয়ের ডিজি মোস্তফা ফারুককে বদলির কারণ- তার বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইটিআইয়ের ডিজিকে বদলি করা হয়েছে। মিডিয়ায় প্রচারিত প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই বদলি অযৌক্তিক হয়েছে। এতে অন্যান্য মিডিয়া ইসির যে কোনো বিষয়ে নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করতে আরও উৎসাহিত হবে। এতে নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।

এ বিষয়ে কথা বলতে সদ্য বদলির আদেশ পাওয়া ইটিআইয়ের ডিজি মোস্তফা ফারুককে দুই দিন ফোন করা হয়। প্রথম দিন তিনি ফোন কেটে দেন। দ্বিতীয় দিন তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

ইসির অতিরিক্ত সচিব মোখলেছুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘তাকে (মোস্তফা ফারুক) আইন আনুযায়ী বদলি করা হয়েছে। ৪ সেপ্টেম্বর রিলিজ হবে; এদিন না হলেও ৫ সেপ্টেম্বর রিলিজ হবে অবশ্যই। এটা হলো আদেশ।’

তদবিরের বিষয়ে তিনি বলেন,তদবির তো ভিন্ন বিষয়। কে তদবির করছে,না-করছে–এটা অফিসের কোনো বিষয় না।

Top