বেঈমান,বেয়াদব বলে বের করে দিলেন ড. কামাল মোকাব্বিরকে - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

বেঈমান,বেয়াদব বলে বের করে দিলেন ড. কামাল মোকাব্বিরকে


আলোকিত বার্তা:গণফোরাম নেতা ও সিলেট-২ আসনের সংসদ সদস্য মোকাব্বির খানকে বেয়াদব, বেঈমান বলে নিজের চেম্বার থেকে বের করে দিয়েছেন গণফোরামের সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন।দল ও জোটের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার পর বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রথমবারের মতো মতিঝিলের চেম্বারে ড. কামালের সঙ্গে দেখা করতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গণফোরামের প্রশিক্ষণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পথিক।

পথিক বলেন,বৃহস্পতিবার বিকেলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেয়া গণফোরাম থেকে নির্বাচিত মোকাব্বির খান ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে প্রবেশ করেন। এসময় গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন উত্তেজিত হয়ে বলেন, বেয়াদব, বেঈমান আমার অফিস থেকে বের হয়ে যাও। আর কখনো আমার অফিসে আসবা না।এসময় ড. কামাল হোসেন তার অফিসের কর্মচারীদের বলেন, এই বিশ্বাসঘাতক বেঈমানকে কখনো আমার অফিসে ঢুকতে দিবা না। ওকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দাও।

মোকাব্বির খানকে অফিস থেকে বের করে দেয়ার বিষয়ে গণদল চেয়ারম্যান গোলাম মাওলা চৌধুরী বলেন,ড.কামাল হোসেন জাতীয় অভিভাবক হিসেবে এই বেঈমানকে বের করে দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা তার এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানাই।
তিনি বলেন,ড. কামাল হোসেন দেশের মালিকানা জনগণের হাতে ফিরিয়ে দেয়ার যে আন্দোলন করছেন,সেই আন্দোলনে এখনো সক্রিয় আছেন। তার সেই আন্দোলনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে মোকাব্বির খান শপথ নিয়েছেন।এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মোহসীন মন্টুর সই করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মোকাব্বির খানের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেবে গণফোরাম। মোকাব্বির খান গত ২ এপ্রিল সংসদ সদস্য হিসেবে শপথগ্রহণ করেন।শপথ নেয়ার বিষয়ে গণফোরাম সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতারা অবগত ছিলেন না। তিনি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ইচ্ছায় শপথ নিয়েছেন। সংগঠন ও আদর্শবিরোধী কার্যকলাপে গণফোরাম মর্মাহত। এ বিষয়ে মোকাব্বির খান মিডিয়াতে গণফোরাম সভাপতি, সংগঠন বিষয়ে অসত্যও বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। যা অসত্য, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।গণফোরাম জরুরিভাবে মোকাব্বির খানের ব্যাপারে সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেবে।মোকাব্বির খানের শপথ নেয়ার ঘটনায় সংগঠনের অন্য কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধেও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Top
%d bloggers like this: