ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় ২১ আগস্ট রাজনীতির - Alokitobarta
আজ : রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
কুয়াকাটায় হামলায় আহত সাংবাদিক বাচ্চুর পাশে বরিশাল সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গুম-খুনের তিন মামলার রায় হতে পারে এ বছর যাত্রীর অভাব নেই,আছে টিকিটের হাহাকারও,তবুও লোকসান,চুরি-দুর্নীতি বিতর্কে শুরু বিতর্কেই সমাপ্তি বরিশালে জুলাই জাগরণ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত দেশ থেকে স্বৈরাচারের একটি কালো ছায়া সরে গেছে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতার করে বিচারের দাবি এনসিপির রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য আলোচনায় বিএনপির সিনিয়র ৩ নেতা সাহাবুদ্দিন মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের প্রতি তিনি সমর্... রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে যা বললেন স্পিকার

ইতিহাসে কলঙ্কজনক অধ্যায় ২১ আগস্ট রাজনীতির


আলোকিত বার্তা:বাংলাদেশের রাজনীতিতে ২১ আগস্ট একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া বলেছেন, এটি একটি বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড ও রাজনৈতিক ইতিহাসের এক কালো অধ্যায়।মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) রক্তাক্ত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নেতারা এসব কথা বলেন।

তারা বলেন,২০০৪ সালের এদিনে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভানেত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জনকে হত্যা ও অসংখ্য মানুষকে আহত করে দেশের ইতিহাসে কালো অধ্যায় রচনা করা হয়। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ওই ভয়াবহ গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।নেতৃদ্বয় মর্মান্তিক ওই ঘটনায় যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, প্রতিহিংসার কোনো রাজনীতি কখনো কোনো কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। এসব প্রতিহিংসার রাজনীতির কারণেই রাষ্ট্র ও সমাজে আজ এক ধরনের বন্ধ্যাত্ব সৃষ্টি হয়েছে। যার দায় তৎকালীন সরকারে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা এড়াতে পারে না।

ন্যাপ নেতৃদ্বয় বলেন,তৎকালীন সরকার ‘জজ মিয়ার নাটক’সাজিয়ে ২১ আগস্টের বিচারকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার মাধ্যমে চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছিল,যার ফলাফল রাজনীতিকে ভয়ানক অবিশ্বাস ও আস্থাহীনতার দিকে ঠেলে দিয়েছে।যার মাশুল আজও জাতিকে দিতে হচ্ছে।
তারা বলেন,এ ঘটনা বাংলাদেশের বর্তমান ও ভবিষ্যতের রাজনীতির জন্য একটি কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবেই বিবেচিত হবে৷ এ কলঙ্ক মুছে ফেলা প্রায় অসম্ভব৷ বাংলাদেশের জনগন কখনো এ ধরনের হিংসাত্মক রাজনীতিকে গ্রহণ করে না,করতেও চায় না।তাই এ ধরনের হিংসাত্মক রাজনীতি থেকে মুক্তি পেতে প্রয়োজন জাতীয় এজেন্ডা নির্ধারণ।এ এজেন্ডা নির্ধারণে সবাইকে এক টেবিলে বসতে হবে।জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠা করতে হবে।সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করবে বলে আমরা আশা করি।

Top