বরিশালে হলুদ অটোরিকশার ইচ্ছামতো ভাড়া আদায়ে অতিষ্ঠ যাত্রীরা
মো: জিয়াউদ্দিন বাবু । বরিশালনিয়ন্ত্রণে নেই ভাড়া, তদারকির অভাবে বাড়ছে অনিয়ম; দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি নগরবাসীর সিটি বাস চলুন দাবি জানিয়েছে বরিশালবাসী।
বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নগরবাসীর যাতায়াত সহজ, স্বচ্ছ ও যাত্রীবান্ধব করতে হলুদ অটোরিকশার ভাড়া নির্ধারণ করে দিলেও বাস্তবে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হচ্ছে না—এমন অভিযোগ করছেন নগরবাসী। নির্ধারিত ভাড়ার পরিবর্তে অধিকাংশ চালক নিজেদের ইচ্ছামতো ভাড়া আদায় করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রতিদিন শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে অতিরিক্ত অর্থ গুনতে হচ্ছে। বরিশালবাসী অবিলম্বে সিটি বাস চালুর দাবি জানিয়েছে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকের কাছে।
নগরীর বিভিন্ন সড়ক, মোড় ও অটোরিকশা স্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা যায়, একই গন্তব্যে একেক চালক একেক ধরনের ভাড়া দাবি করছেন। চালক ৫ টাকার ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ১০ টাকা করে করে। এভাবে প্রতিটি রুটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
বরিশাল শহরের প্রতিটি যাত্রীরা নির্ধারিত ভাড়ার কথা বললে অনেক চালক যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেন অথবা অন্য যাত্রী খোঁজার চেষ্টা করেন। ফলে জরুরি প্রয়োজনে অধিকাংশ যাত্রী বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়েই গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন। অটো চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকে ৫ টাকার ভাড়া ১০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। লঞ্চঘাট থেকে নতুন নাবাদ ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ২৫ টাকা করে। আবার লঞ্চ ঘাট থেকে চৌমাথা ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ২০ টাকা করে। লঞ্চঘাট থেকে বটতলা অথবা অন্য যেখানে নামছে যাত্রীরা সেখানেই ১৫ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। অপরদিকে থেকে রুপাতলী পর্যন্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে ২০ টাকা। সদর রোড থেকে রুপাতলী অথবা নতুন লাবাদ আদায় করা হচ্ছে ২৫ ��