ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ,স্বামীকে বেঁধে নারীকে তুলে নিয়েও ধর্ষণ - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ১৮ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ,স্বামীকে বেঁধে নারীকে তুলে নিয়েও ধর্ষণ


আলোকিত বার্তা: কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে ষষ্ঠ শ্রেণির এক শিক্ষার্থী। সোমবার রাতে খালার বাড়ি থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের তেতৈয়া গ্রামে এ ঘটনার শিকার হয় ওই কিশোরী। এদিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে স্বামীকে বেঁধে রেখে গৃহবধূকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে পাগলা থানার নিগুয়ারী ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

চৌদ্দগ্রাম (কুমিল্লা) : নাঙ্গলকোটে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর মা থানায় ধর্ষণ মামলা করেছেন। এজাহারে বলা হয়, সোমবার বিকালে নাঙ্গলকোট উপজেলার শুভপুর গ্রাম থেকে সাতবাড়িয়া যাওয়ার উদ্দেশে সিএনজিতে রওয়ানা দেয় ওই শিক্ষার্থী। পথে বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের বোড়রা এলাকায় চালক রিয়াজ তার বন্ধু পরিচয়ে ফয়েজকে সিএনজিতে ওঠায়। বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে চৌদ্দগ্রামের পদুয়া এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে তাকে ঘোরানো হয়। রাত হলে তেতৈয়া গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে রিয়াজ, ফয়েজ ও আকরাম তাকে ধর্ষণ করে। পরদিন সকালে স্থানীয় লোকজন ভুক্তভোগীর বক্তব্যের ভিত্তিতে তাকে ফেনীতে তার পরিবারের কাছে পৌঁছে দেয়। বিষয়টি জেনে তার মা ঘটনাস্থলে এসে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করেন।

বুধবার নাঙ্গলকোট থানার ওসি আরিফুর রহমান জানান, সকালে ৯৯৯-এ পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলো-বক্সগঞ্জ মোল্লা বাড়ির জয়নাল আহম্মদের ছেলে সিএনজিচালক রিয়াজ মোল্লা এবং অষ্টগ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে ফয়েজ আহমেদ। তিনি আরও বলেন, ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

গফরগাঁও (ময়মনসিংহ) : গফরগাঁওয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার গৃহবধূর মা বাদী হয়ে বুধবার পাগলা থানায় অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে জানা যায়,বিয়ের পর থেকে গৃহবধূ বাবার বাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন।বাড়ির একটি কক্ষে তিনি স্বামী ও তিন বছর বয়সি ছেলে সন্তান নিয়ে থাকতেন।আরেকটি কক্ষে থাকতেন তার মা।গভীর রাতে ৭-৮ জন দুর্বৃত্ত দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে ওই গৃহবধূর স্বামীকে বেঁধে মারধর করে।পরে দুর্বৃত্তরা গৃহবধূকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায়।পরে তারা বাড়ি থেকে কিছু দূরে নিয়ে তাকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।স্বজনরা খোঁজ পেয়ে তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

গৃহবধূর স্বামী বলেন, রাত পৌনে ১টার দিকে ৭-৮ জন মুখোশধারী দরজার সিটকিনি ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে।পরে তাকে বেঁধে মারধর করে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।গৃহবধূর মা বলেন,যারা আমার মেয়ের সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে আমি তাদের উপযুক্ত বিচার চাই।

পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম বলেন, গৃহবধূকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্বৃত্তদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

Top