বিনিয়োগ উৎসাহে ভিসানীতি সংশোধন হচ্ছে - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ৪ঠা জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিনিয়োগ উৎসাহে ভিসানীতি সংশোধন হচ্ছে


মোহাম্মাদ মুরাদ হোসেন:বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করার লক্ষ্যে ভিসানীতি-২০২৬ অনুমোদন দিয়েছে সরকার।বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এর অনুমোদন দেওয়া হয়।তোমরা আমাদের যত দিনের ভিসা দেবা আমরাও তোমাদের অতটুকু ভিসা দেব। ওরা যা দেবে আমরাও তাই করব বা দেব। কিন্তু আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দেখা যাচ্ছে যে, আমাদের কিছু জায়গায় তো দরকার বেশি। একজন ব্যবসায়ী যদি বিনিয়োগের প্রস্তাব নিয়ে আসেন তা আমাদের জন্য সুবিধা। তিনি এ দেশে ইনভেস্ট করতে পারবেন। তো এ নিরিখে এই বোধটা আমাদের হয়েছে। সে কারণে বর্তমান সরকার চাচ্ছে একটা ইকোনমিক থ্রাস্ট হোক।’ সচিব বলেন, ‘ভিসা পলিসিটা সহজ হোক। সে কারণে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং তা মোটামুটি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। প্রস্তাব উপস্থাপন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। তিনি বলেন, ‘নীতিমালাটি আরও সমৃদ্ধ ও কার্যকর করতে অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগে হিসাব ছিল পারস্পরিক পাওনার ওপর ভিত্তি করে।

নতুন নীতিমালার মাধ্যমে ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা হচ্ছে যাতে বিদেশিরা দ্রুত আসতে পারে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমাদের দেশে তো অত পুঁজি নেই। বাইরে থেকে যত ইনভেস্ট হবে ততই ভালো।’ নতুন নীতিমালায় ভিসার ক্যাটাগরি করা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে নাসিমুল গনি বলেন, ‘ক্যাটাগরি ৩৪ টাইপের করা হয়েছে।’

পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিদেশিদের বাংলাদেশে আগমন ও প্রস্থান আরও সহজ ও সুশৃঙ্খল করা; বিদেশি বিনিয়োগ-ব্যবসা ও দক্ষ মানবসম্পদ আকৃষ্ট করা; পর্যটন ও আতিথেয়তা খাত উৎসাহিত করা, প্রযুক্তি ও জ্ঞান স্থানান্তর নিশ্চিত করা, জাতীয় নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা এবং পারস্পরিকতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ ব্যবস্থাপনা জোরদার করার লক্ষ্যে ২০০৬ সালের ভিসা নীতিমালা সংশোধন করে নতুন নীতিমালা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এর খসড়া পরিমার্জনের জন্য অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা দেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

Top