এই চেয়ার আমাকে বলে যে, আমি সব সময় পপুলার কথা বলতে পারি না - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশ থেকে স্বৈরাচারের একটি কালো ছায়া সরে গেছে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতার করে বিচারের দাবি এনসিপির রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য আলোচনায় বিএনপির সিনিয়র ৩ নেতা সাহাবুদ্দিন মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের প্রতি তিনি সমর্... রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে যা বললেন স্পিকার বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন উজিরপুরের জমি দখলকারী তিনজন কারাগারে এনআইডি নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ইসির, পাবেন ছোটরাও সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়া... ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে রুল

এই চেয়ার আমাকে বলে যে, আমি সব সময় পপুলার কথা বলতে পারি না


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা:জাতীয় সংসদে সংসদীয় গণতন্ত্রের সৌন্দর্য বজায় রাখতে বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের প্রস্তাব এখনো ‘ওপেন’ বা উন্মুক্ত রেখেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা চাই ডেপুটি স্পিকার পদটি বিরোধী দল থেকে আসুক। আমাদের এই সদিচ্ছা এখনো বহাল আছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। বিরোধী দলের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে তিনি বলেন, আমি নির্বাচনের আগে বিরোধীদলীয় নেতার বাসায় গিয়ে সহযোগিতা চেয়েছি, এনসিপি নেতা নাহিদ ইসলামের বাসায়ও গিয়েছি। আমরা ‘অ্যাগ্রি টু ডিসঅ্যাগ্রি’ (ভিন্নমতে একমত) নীতিতে বিশ্বাস করি। যেসব বিষয়ে দ্বিমত আছে, সেগুলো আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হবে। তারেক রহমান আরও বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতার এলাকার সমস্যাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখার জন্য তিনি ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের নির্দেশনা দিয়েছেন।প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সব সদস্যকে উদ্দেশ করে বলেছেন, আসুন আমরা এই সবুজ চেয়ারের পবিত্রতা রক্ষা করি। এই সংসদের ওপর দেশের মানুষের যে প্রত্যাশা তা পূরণে কাজ করি। আমাদের প্রধান দায়িত্বই হলো জনগণের জানমালের দেখভাল করা। তিনি বলেছেন, এই সংসদকে কোনোভাবেই ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না। স্পিকারকে নিজের আসনটি দেখিয়ে বলেছেন, ‘মাননীয় স্পিকার এই চেয়ারটি খুব কঠিন একটি চেয়ার। এই চেয়ারটি দেখলে মনে হয় বসতে খুব আরাম। কিন্তু আসলে মোটেও আরামের নয়। এই চেয়ারটিতে বসলে প্রতি মুহূর্তে মনে হয় আগুনের তপ্ত হিট আসছে। এই চেয়ার থেকে দাঁড়িয়ে আমি হয়তো অনেক পপুলার কথা বলতে পারতাম যেখানে অনেক তালি পড়ত। কিন্তু এই চেয়ার আমাকে বলে যে, আমি সব সময় পপুলার কথা বলতে পারি না।

প্রতি মুহূর্তে আমাকে স্মরণ করিয়ে দেয়-ইউ হ্যাভ টু টেক দ্য রাইট ডিসিশন, নট দ্য পপুলার ডিসিশন।ভূগর্ভস্থ পানির স্তর আশঙ্কাজনকভাবে নিচে নেমে যাওয়া রোধে এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত করতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত খাল খনন কর্মসূচি আবারও দেশব্যাপী শুরু করার কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,ঢাকা শহরে মাটির নিচ থেকে প্রচুর পানি তোলার ফলে পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। এখনই ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম মহাবিপদে পড়বে। এই সমস্যা সমাধানে খাল খনন শুরু করেছি আমরা। আজ খাল খনন শুরু করলে এর সুফল পেতে এবং পানির স্তর রিফিল হতে অন্তত ২০ বছর সময় লাগবে। তিনি আরও বলেন, এই কর্মসূচি শুধু সেচের পানির জন্যই নয় বরং প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং জলাবদ্ধতা দূর করতেও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ ও সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারি বর্ষণে বোরো ফসলের ক্ষতি মোকাবিলায় মাঠ প্রশাসন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে জরুরি নির্দেশনা দিয়েছেন উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় ভারি বর্ষণে অনেক জায়গায় ফসলের ক্ষতি হয়েছে। আমি আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখেই স্থানীয় প্রশাসন ও ত্রাণমন্ত্রী দুলু সাহেবকে নির্দেশনা দিয়েছি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে। এই সরকার জনগণের সরকার, আমাদের প্রধান দায়িত্বই হলো জনগণের জানমালের দেখভাল করা। এ সময় তিনি কৃষকের জলাবদ্ধতা ও সেচ সমস্যা নিরসনে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলেও সংসদকে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে বলেন, কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ শুরু করেছে। আমরা আমাদের নির্বাচনি ইশতেহারে কৃষক কার্ডের কথা বলেছিলাম। আল্লাহর রহমতে সরকার গঠনের পর দ্রুততার সঙ্গে আমরা সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি।প্রধানমন্ত্রী বলেন,বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন,তিনি একজন কৃষকের সন্তান। তিনি কৃষকদের সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। আমি তাকে আশ্বস্ত করে বলতে চাই,আমরা প্রতিটি কৃষকের কাছে পৌঁছাতে চাই। কৃষক বলতে শুধু যারা ধান ফলান তারা নন; যারা মৎস্য চাষ করেন,গবাদিপশু পালন করেন-আমরা প্রত্যেক ধরনের কৃষকের কাছে পর্যায়ক্রমে পৌঁছাব এবং তাদের পাশে দাঁড়াব।

তারেক রহমান বলেন,কৃষকদের সমস্যা থেকে বের হতেই কৃষক কার্ড করেছি।দ্রুততার সঙ্গে চেষ্টা করেছি কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়াতে।কার্ড দেওয়া শুরু করেছি।যে ধান ফলায়,যে মাছ চাষ করে,যে গবাদিপশু পালে সবাই কৃষক। কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজ শুরু করেছি।কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তন করতেই হবে।

সংসদ নেতা আরও বলেন,আমরা নির্বাচনি প্রচারণার সময় গ্রামে গিয়ে কৃষকের কাছে ভোট চেয়েছি,তাদের অবস্থা আমরা জানি। কৃষকের ভাগ্য পরিবর্তন করার যে কাজ এই সংসদ শুরু করেছে,ইনশাআল্লাহ গ্যালারিতে বসা এই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সেই কাজটিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে।

জিডিপির বড় অংশ শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন,প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষকদের সম্মানি বাড়ানোর চেষ্টা করছি। যাতে করে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার ক্ষেত্রে তারা মনোযোগ দিতে পারেন। মোট বাজেটের ৫ শতাংশ শিক্ষা খাতে রাখতে চাই। পাশাপাশি স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে বলতে গেলে আমাদের হাসপাতালে ভবন আছে হয়তো ডাক্তার নেই, ওষুধ নেই। তাই জিডিপির বড় অংশ শিক্ষা-স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় করব। আমাদের একটাই গন্তব্য স্বনির্ভর-আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ।

তিনি আরও বলেন,বিরোধীদলীয় নেতার এক সন্তান ব্রিটেনে থাকেন।আমাকে রাজনৈতিক কারণে ব্রিটেনে থাকতে হয়েছে। সেই দেশের স্কুলগুলোকে দেখতাম আর মনে মনে ভাবতাম আহা আমাদের দেশের স্কুলগুলো যদি এমন হতো। আমরা শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছি। শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তারেক রহমান বলেন, আমি শিক্ষাঙ্গনের বর্তমান অবস্থা চাই না, আমূল পরিবর্তন চাই। আগামী জুলাই মাস থেকে সরকার ধারাবাহিকভাবে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুলব্যাগ, ড্রেস এবং জুতা প্রদান করবে। আমরা চাই শিক্ষার্থীরা একটি সুন্দর ও সম্মানজনক পরিবেশে পড়াশোনা করুক।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ ও দেশের জনগণের বিষয়ে আমরা এই সংসদে আলোচনা করেছি এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধ, নব্বইয়ের গণ-অভ্যুত্থান, ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরে নিহত এবং ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন আন্দোলনে নিহত, আহতদের স্মরণ করে বলেন, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং কথা বলার যে অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল, সেই অধিকার ফিরিয়ে আনতে অসংখ্য মানুষ জীবন দিয়েছে। তাদের প্রত্যাশা পূরণে আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, এই সংসদের দিকে সমগ্র বাংলাদেশ তাকিয়ে আছে। শুধু শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করলেই কর্তব্য শেষ হয়ে যায় না। যেসব মানুষ আহত হয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন, তাদের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। তাদের প্রত্যাশা ছিল, আকাঙ্ক্ষা ছিল এমন একটি বাংলাদেশ, যে বাংলাদেশে সবাই মুক্তভাবে কথা বলতে পারবে। আরেকজনের ব্যক্তি স্বাধীনতার প্রতি সম্মান রেখে মুক্তভাবে কথা বলবে। কর্মসংস্থান হবে। বেকারত্ব দূর হবে। আমাদের সবাইকে মিলে সেই বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে।

মহান জাতীয় সংসদকে জনগণের অধিকার রক্ষার কেন্দ্রবিন্দু হিসাবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সরকার জনগণের নির্বাচিত এবং জবাবদিহিমূলক সরকার। জনগণের দেখভাল করাই আমাদের প্রথম ও প্রধান দায়িত্ব।

দেশের নারী শিক্ষার উন্নয়নে বড় ঘোষণা দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত মেয়েদের শিক্ষা অবৈতনিক করেছিল। এবার আমরা স্নাতক (ডিগ্রি) পর্যায় পর্যন্ত নারী শিক্ষাকে ফ্রি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সেই সঙ্গে ভালো ফলের ভিত্তিতে উপবৃত্তির ব্যবস্থাও থাকবে। চলমান জ্বালানি সংকট নিরসনে সরকারের আন্তরিকতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জ্বালানি সংকটে দেশের মানুষ কষ্ট পেয়েছে। এ সমস্যা সমাধানে আমরা বিরোধী দলের দেওয়া প্রস্তাব গ্রহণ করেছি এবং একটি যৌথ কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই এর সমাধান আসবে।

রাজনৈতিক ডিবেট দিয়ে কোনো ক্ষুধার্ত মানুষের পেট ভরবে না : প্রধানমন্ত্রী বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান এবং কৃষকদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, আমাদের মূল্যবান ঐতিহাসিক রাজনৈতিক ডিবেট দিয়ে কোনো ক্ষুধার্ত মানুষের পেট ভরবে না কিংবা অসুস্থ শিশুর মায়ের মন শান্ত হবে না। মানুষ এখন ডিবেট নয়, তাদের সমস্যার সমাধান চায়। তিনি বিরোধী দলের সদস্যদের উদ্দেশ করে বলেন, আপনারা ব্যর্থ হওয়া মানেই আমি ব্যর্থ হওয়া, আর আমাদের কেউ একজন ব্যর্থ হলে পুরো বাংলাদেশ ব্যর্থ হয়ে যাবে। তাই আসুন, আমরা একে অপরকে ব্যর্থ করার প্রতিযোগিতায় না নেমে একসঙ্গে এই সংসদকে সফল করি।

বর্তমান জাতীয় সংসদকে অকার্যকর হওয়া থেকে রক্ষা করতে সব সংসদ-সদস্যের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে যেখানে ৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণ নিয়ে এই সংসদ দেশ পরিচালনা শুরু করেছে, সেই দেশকে আমরা এগিয়ে নিতে পারব না (যদি না) আমরা একটি স্থিতিশীল সরকার না রাখি, আমরা যদি একটি স্থিতিশীল সংসদ নিশ্চিত করতে না পারি, আমরা কোনোভাবেই এই দেশকে সামনে নিয়ে যেতে পারব না। সংসদকে ব্যর্থ হতে দেওয়া যাবে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই দেশকে যদি সামনে নিতে হয়, তাহলে অবশ্যই আমাদের উভয়পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। হ্যাঁ, বাংলাদেশে আইটি শিল্পের বিকাশ কীভাবে হবে এ ব্যাপারে হয়তো আমাদের মধ্যে বিতর্ক হতে পারে, এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে দ্বিমত থাকতে পারে কিন্তু বাংলাদেশের আইটি শিল্পের বহিঃপ্রকাশ হতে হবে এ ব্যাপারে আমাদের মধ্যে নিশ্চয়ই কোনো বিতর্ক নেই। বিরোধীদলীয় নেতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং গন্তব্য এক, আর তা হলো বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি স্বনির্ভর ও নিরাপদ দেশ গড়ে তোলা। সংসদীয় গণতন্ত্রের মর্যাদা রক্ষা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অতীতে যতবারই গণতন্ত্র বাধাগ্রস্ত হয়েছে, ততবারই দেশের অর্থনীতি, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও কর্মসংস্থান মুখ থুবড়ে পড়েছে। তিনি ১৭৩ দিনের হরতালের স্মৃতিচারণ করে বলেন, সেই সময় হয়তো কোনো সরকার ক্ষমতা হারিয়েছে কিন্তু বুক চিরে কেউ বলতে পারবে না যে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। সেই ক্ষতির মাশুল আজও আমাদের টানতে হচ্ছে।

সরকারি ও বিরোধী উভয় দলের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন আগামী অধিবেশনে আমরা আলোচনা করব-আমরা কত দ্রুত বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান করতে পারি। কত দ্রুত দেশে হোক, বিদেশে হোক মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারি। আমরা আলাপ করতে চাই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালগুলোতে কত দ্রুত শিক্ষা ও চিকিৎসাসামগ্রী পৌঁছে দিতে পারি। আমরা অন্য দেশের উদাহরণ দেব না বরং আমাদের দেশকে আমরা সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব।

Top