ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরির অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাকে ঘিরে বিতর্ক - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
দল-মতের ঊর্ধ্বে চট্টগ্রামবাসীর ঐক্য লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’-এর ঘোষণা উজিরপুর উপজেলায় এনসিপির আহবায়ক কমিটি ঘোষণা হিজলায় জামায়াতের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মেহেন্দিগঞ্জে জামায়াতের দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে শ্রমিক ইউনিয়ন সদস্যদের মধ্যে আইডি কার্ড বিতরণ পরিত্যক্ত সাবমেরিন ক্যাবল উত্তোলন ঘিরে চাঞ্চল্য, ‘প্রতিরোধ আন্দোলনের’ সংবাদ সম্মেলন পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন7 বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান প্রথম পুত্রসন্তান ও দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হলেন সাংবাদিক আম্মার হোসেন আম্মান জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদে চাকরির অভিযোগে পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাকে ঘিরে বিতর্ক


নিজস্ব প্রতিবেদক: মৌলভীবাজারে পরিবেশ অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তাকে ঘিরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ ব্যবহার করে সরকারি চাকরি নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত কর্মকর্তা হলেন পরিবেশ অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার জেলার সহকারী পরিচালক মোঃ মাঈদুল ইসলাম।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তিনি মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারি চাকরিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। তবে অভিযোগকারীদের দাবি, তার পিতা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন এবং এ সংক্রান্ত কোনো সরকারি স্বীকৃতি বা বৈধ সনদ তার নামে নেই। এমনকি মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের গেজেট তালিকাতেও তার পিতার নাম পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, মুক্তিযোদ্ধা সনদ গ্রহণের ক্ষেত্রে যে ঠিকানা ব্যবহার করা হয়েছে, সেটিও সঠিক নয়। সংশ্লিষ্টদের মতে, জাতীয় পরিচয়পত্রসহ অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই করলে প্রকৃত তথ্য উদঘাটিত হতে পারে।এছাড়া, গত ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে তাকে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হিসেবে প্রমাণপত্র প্রদর্শনের জন্য বলা হলে তিনি তা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হন বলেও অভিযোগে বলা হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) থেকে প্রকাশিত নিয়োগপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পরিবেশ অধিদপ্তরের “পরিদর্শক/ইন্সপেক্টর” পদে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগপ্রাপ্তদের তালিকায় তার নাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোঃ মাঈদুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর ক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া জানান এবং কোনো তথ্য দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেন।

অভিযোগে আরও বলা হয়, তার শ্বশুরবাড়ির বর্তমান ঠিকানা কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার কাশিয়াগাড়ী গ্রামে। অন্যদিকে, তার পিতার নামে ইস্যুকৃত মুক্তিযোদ্ধা সনদ (নং-১৯০৭০৪, তারিখ-১৯/০৫/২০১৩) অনুযায়ী ঠিকানা ধামশ্রেনী, উলিপুর, কুড়িগ্রাম উল্লেখ রয়েছে, যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারীরা।এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

Top