পণ্য সরবরাহও পর্যাপ্ত। তবুও পণ্যের যেন দাম কমছে না - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পণ্য সরবরাহও পর্যাপ্ত। তবুও পণ্যের যেন দাম কমছে না


মোহাম্মাদ মুরাদ হোসেন:পণ্য সরবরাহও পর্যাপ্ত। তবুও পণ্যের যেন দাম কমছে না।ঈদের ছুটি শেষ হলেও রাজধানীর খুচরা বাজারে নেই সেই চিরচেনা ক্রেতার ভিড়। তবে সব ধরনের দোকান খুলেছেন বিক্রেতারা। ব্রয়লার মুরগির কেজি ২০ টাকা কমলেও মাছ-মাংস বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। প্রতি কেজি গরুর মাংস সর্বোচ্চ ৮৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। নতুন করে দাম না বাড়লেও সব ধরনের সবজি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। শুক্রবার যারা বাজারে এসেছেন তাদের বাড়তি দামে এসব পণ্য কিনতে হয়েছে।রাজধানীর কাওরান বাজার, নয়াবাজার, মালিবাগ কাঁচাবাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এদিন প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা। যা ৭ দিন আগে ২১০ টাকা ছিল। বাজার ভেদে প্রতি কেজি লেয়ার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩২০-৩৩০ টাকা। পাশাপাশি প্রতি কেজি সোনালি মুরগি কিনতে ক্রেতার ৩৬০-৩৭০ টাকা গুনতে হয়েছে। আর পাকিস্তানি মুরগি কেজিপ্রতি ৩৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগি কিনতে ক্রেতাসাধারণের আকারভেদে কেজিপ্রতি গুনতে হচ্ছে ৫৫০-৭০০ টাকা। এছাড়া প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০-৮৫০ টাকা ও খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১১০০-১২০০ টাকা।

নয়াবাজারে মাংস কিনতে আসা মো. সালাউদ্দিন বলেন, ঈদের আমেজ শেষ হয়েছে। ঈদের পর প্রথম সাপ্তাহিক ছুটির দিন বাজারে ক্রেতা নেই।চাহিদার তুলনায় সব ধরনের মাংসের সরবরাহও পর্যাপ্ত। তবুও ঈদের আগে যে দাম ছিল সেই দামেই বিক্রি হচ্ছে। এক কেজি গরুর মাংস কিনতে ৮০০ টাকা লাগবে। তাই গরুর মাংস না কিনে ব্রয়লার মুরগি কিনে বাড়ি যাচ্ছি। তিনি বলেন, ঈদের পর ব্রয়লার মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। ১৯০ টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে।এদিকে রাজধানীর খুচরা বাজারে নতুন করে দাম না বাড়লেও বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে সব ধরনের মাছ। প্রতি কেজি রুই আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪২০ টাকায়। প্রতি কেজি কাতলা কিনতে ক্রেতার ৩২০-৩৮০ টাকা গুনতে হচ্ছে। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ২৩০-২৮০ টাকা, পাঙাশ ১৮০-২৫০ টাকা, শিং ও মাগুর মাছ আকারভেদে কেজিপ্রতি ৫৫০-৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর চাষ ও দেশি কই প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে সর্বোচ্চ ৬০০ টাকায়। এছাড়া ছোট চিংড়ির কেজি ৩০০-৩৫০ টাকা, কাঁচকি মাছের কেজি ৪৫০-৫০০ টাকা, মলা মাছ ৩০০-৩৫০ টাকা, পাবদা আকারভেদে কেজিপ্রতি ৩০০-৬০০ টাকা, গলদা চিংড়ি আকারভেদে কেজিপ্রতি ৬৫০-৭৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মালিবাগ কাঁচাবাজারে মাছ কিনতে আসা রেজাউল করিম বলেন, মাছের বাজার ঘুরে দেখছি। কিন্তু দাম ক্রয়ক্ষমতার বাইরে। সব ধরনের মাছ বিক্রি হচ্ছে উচ্চ মূল্যে। তাই সাধ থাকলেও মাছ কেনার সাধ্য হচ্ছে না। কিন্তু কি করা, কিছু না কিছু নিয়ে বাড়ি ফিরতে হবে।খুচরা বাজারে সরবরাহ থাকলেও সব ধরনের সবজিও বিক্রি হচ্ছে বাড়তি মূল্যে। বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, খুচরা বাজারে প্রতিকেজি ঢ্যাঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, পটোল প্রতি কেজি ৭০ টাকা, গাঁজর ৫০ টাকা, শিম ৪০ টাকা। পাশাপাশি প্রতি কেজি করলা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। মিষ্টি কুমড়া কিনতে ক্রেতার কেজিপ্রতি ৫০ টাকা গুনতে হচ্ছে। প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকা। লাউ প্রতি পিস ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া প্রতি কেজি শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, প্রতি কেজি মুলা ৫০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, সজিনা ১৩০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, বেগুন ৭০ টাকা এবং প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা।

Top