ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত: যুক্তিসঙ্গত শাস্তির বিধান প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বরিশালে এসএসসির উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে ‘বিশেষ ছাড়’ নেই গণমাধ্যম এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে কোনো গোপন শর্তে নয় ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলায় কার্যালয়ে হামলা ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করে পরে ডিসি প... একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল এক হাজার টাকা ভাড়া মারছি, জমা ১২শ,গ্যাস সংকটে হিমশিম চালকরা একযোগে ১২ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন, সংযুক্ত ১ গণপূর্তের লটারি শুধু নামেই? আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল ৪১ প্রকৌশলীর ভাগ্য! ১৭ দেশে ২৫ বার ভ্রমণের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী কাজী ফিরোজের বিরুদ্ধে

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত: যুক্তিসঙ্গত শাস্তির বিধান প্রণয়নে হাইকোর্টের রুল


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা :ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় যুক্তিসঙ্গত শাস্তির বিধান প্রণয়নে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে নাতা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।এর আগে গত ৩০ নভেম্বর ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে করা মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। জনস্বার্থে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া রিটটি দায়ের করেন। আইন মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।এ সংক্রান্ত রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া।

রিটের বিষয়ে অ্যাডভোকেট মো. গোলাম কিবরিয়া জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশ পেনাল কোডে ধর্মীয় অনুভূতি আঘাতের অভিযোগের মামলায় বর্তমানে দুই বছরের সাজার বিধান রয়েছে। এছাড়া নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনেও দুই বছরের সাজার বিধান রাখা হয়েছে। আমরা মনে করি, এই সাজা অপ্রতুল। এ কারণে বাউল শিল্পী আবুল সরকারের মতো অনেকে মহান আল্লাহ ও আমাদের নবীকে নিয়ে কটূক্তি করার সাহস পাচ্ছেন।তিনি আরও বলেন, রিটে আমরা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রেখে আইন পাস করার নির্দেশনা চেয়েছি। ধর্মীয় অনুভূতি আঘাতের অভিযোগের মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান রাখা হলে এই অপরাধ করতে কেউ সাহস পাবেন না।

Top