এনা ট্রান্সপোর্টের মালিকের বিরুদ্ধে সিআইডির মামলা,১০৭ কোটি টাকা পাচার - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ২০শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৫ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বরিশালে এসএসসির উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণে ‘বিশেষ ছাড়’ নেই গণমাধ্যম এখন সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে কোনো গোপন শর্তে নয় ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমমর্যাদার ভিত্তিতে বিএনপি নেতাকর্মীরা লালপুর ও বাগাতিপাড়া উপজেলায় কার্যালয়ে হামলা ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করে পরে ডিসি প... একনেকে ৯ হাজার ৩৩৩ কোটি টাকার ১০ প্রকল্প অনুমোদন কান্নাজড়িত বিদায়, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট চাইলেন মির্জা ফখরুল এক হাজার টাকা ভাড়া মারছি, জমা ১২শ,গ্যাস সংকটে হিমশিম চালকরা একযোগে ১২ পুলিশ কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন, সংযুক্ত ১ গণপূর্তের লটারি শুধু নামেই? আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছিল ৪১ প্রকৌশলীর ভাগ্য! ১৭ দেশে ২৫ বার ভ্রমণের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী কাজী ফিরোজের বিরুদ্ধে

এনা ট্রান্সপোর্টের মালিকের বিরুদ্ধে সিআইডির মামলা,১০৭ কোটি টাকা পাচার


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা:ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও এনা ট্রান্সপোর্টের মালিক খন্দকার এনায়েত উল্লাহসহ তাঁর পাঁচ সহযোগীর বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলা হয়েছে।মামলায় এনায়েত উল্লাহর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন পরিবহন খাতে চাঁদাবাজি ও প্রভাব খাটিয়ে ১০৭ কোটি ৩২ লাখ ৬১ হাজার টাকা পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট থেকে গত মঙ্গলবার রমনা থানায় এই মামলা করা হয়।বুধবার সিআইডির গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সিআইডি জানায়, এনায়েত উল্লাহ ও তাঁর পরিবারের স্বার্থসংশ্লিষ্ট ১৯৯টি ব্যাংক হিসাবে দুই হাজার ১৩১ কোটি টাকা জমা হয়েছে। এসব হিসাব থেকে উত্তোলন করা হয়েছে দুই হাজার সাত কোটি টাকা। এর মধ্যে ‘এনা ট্রান্সপোর্ট’-এর ৪৩টি হিসাবে জমা হয় ৯৩৪ কোটি টাকা। ‘এনা ফুড অ্যান্ড বেভারেজ’-এর আটটি হিসাবে জমা ৪১০ কোটি টাকা এবং এনায়েত উল্লাহর ব্যক্তিগত ৭৪টি হিসাবে জমা হয় ৪৫৯ কোটি টাকা। চাঁদাবাজির মাধ্যমে এই বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেন এনায়েত উল্লাহ ও তাঁর সহযোগীরা। এর মধ্যে থেকে ‘স্ট্রাকচারিং’ বা ‘স্মার্ট লেয়ারিং’ কৌশল ব্যবহার করে নানা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ১০৭ কোটি ৩২ লাখ টাকা পাচার করেন তারা।সম্পদ জব্দের নির্দেশ অনুসন্ধান চলাকালে আদালতের আদেশে এনায়েত উল্লাহর ধানমন্ডির দুটি ফ্ল্যাট এবং রূপগঞ্জের দুটি প্লট জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক মূল্য ১০ কোটি টাকা। এ ছাড়া তাঁর ও সহযোগীদের নামে থাকা ৫৩টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করা হয়েছে, যেখানে স্থিতি রয়েছে প্রায় ১১০ কোটি টাকা।

Top