বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষ ১০-এ নেই রাজধানী ঢাকা - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ১৭ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
ততই জনগণের আস্থা বৃদ্ধি পাবে এবং দেশ গঠনে সবাই আরো উৎসাহিত হবে নতুন আইনে বেড়েছে চেক ডিজঅনার মামলার গতি দেশের আট অঞ্চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে নবম জাতীয় পে-স্কেল পূর্ণ বাস্তবায়নের প্রতীক্ষা আরও দীর্ঘ হলো জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত আত্মত্যাগের ফসল জুলাই শহীদদের প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার দেশে-বিদেশে ৭৬ হাজার কোটি টাকার সম্পদ জব্দ শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ঘিরে গুজব-অপপ্রচার,নেপথ্যে নিষিদ্ধ আ.লীগ আমরা সরকারি ও বিরোধী দল অনেক বিষয়ে একমত হয়েছি ধ্বংসের ঝুঁকিতে ঢাকা,ভূমিকম্পের ক্ষতি হ্রাসে কার্যকর উদ্যোগ নেই

বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষ ১০-এ নেই রাজধানী ঢাকা


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া : বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষ ১০-এ নেই রাজধানী ঢাকা। শুক্রবারের তুলনায় রাজধানী শহরের বাতাসে ক্ষতিকর কণার পরিমাণ কম রেকর্ড করা হয়েছে। বায়ুদূষণের শীর্ষে উঠে এসেছে ভারতের দিল্লি। অন্যদিকে রাজধানী ঢাকা রয়েছে ১৭ নম্বরে। শনিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এসব তথ্য।দূষণ তালিকায় শীর্ষে থাকা দিল্লির স্কোর ৩৪২ অর্থাৎ দিল্লির বায়ু বিপজ্জনক পর্যায়ে রয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর।১৭ নম্বরে রয়েছে ঢাকা এবং এই শহরের দূষণ স্কোর ৯১ অর্থাৎ এখানকার বাতাস মাঝারী বা ভালো মানের।

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।দীর্ঘদিন ঢাকার বাতাস অতিমাত্রায় দূষিত হওয়ায় বাইরে বের হলে সবাইকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ ছাড়া সংবেদনশীল ব্যক্তিদের অতি প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছে।ইটভাটা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ মানুষকে কঠিন বর্জ্য পোড়ানো বন্ধ রাখা, নির্মাণস্থলে ছাউনি ও বেষ্টনী স্থাপন করা, নির্মাণসামগ্রী ঢেকে রাখা, নির্মাণসামগ্রী পরিবহনের সময় ট্রাক বা লরি ঢেকে নেওয়া, নির্মাণস্থলের আশপাশে দিনে অন্তত দুবার পানি ছিটানো এবং পুরোনো ও ধোঁয়া তৈরি করা যানবাহন রাস্তায় বের না করতে বলা হয়েছে।

Top