ছাত্রদের প্রতি সংহতি শিল্পীদের - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ২৪শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশ থেকে স্বৈরাচারের একটি কালো ছায়া সরে গেছে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতার করে বিচারের দাবি এনসিপির রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য আলোচনায় বিএনপির সিনিয়র ৩ নেতা সাহাবুদ্দিন মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের প্রতি তিনি সমর্... রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে যা বললেন স্পিকার বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন উজিরপুরের জমি দখলকারী তিনজন কারাগারে এনআইডি নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ইসির, পাবেন ছোটরাও সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়া... ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে রুল

ছাত্রদের প্রতি সংহতি শিল্পীদের


আলোকিত বার্তা:বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির প্রতি সংহতি জানিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন কণ্ঠশিল্পী, ব্যান্ডদল ও গীতিকার-সুরকাররা। আজ (৩ আগস্ট) শনিবার বিকেল ৩টায় তারা জড়ো হন ধানমন্ডির রবীন্দ্র সরোবরে। এ সময় তাদের হাতে ছিল বাংলা গানের চরণ লেখা ফেস্টুন। বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে মানুষের মুখে মুখে সেসব গানের চরণ শোনা যায়। শিল্পীরা র‍্যাপার হান্নানের মুক্তিসহ শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন শিল্পী সুজিত মোস্তফা, আসিফ আকবর, ব্যান্ড তারকা মাকসুদ, পার্থ বড়ুয়া, হামিন আহমেদ, টিপু, শিল্পী এলিটা করিম, শওকত আলী ইমন, জয় শাহরিয়ার, মুহিন, সুরকার প্রিন্স মাহমুদ, গীতিকবি লতিফুল ইসলাম শিবলী প্রমুখ। মাইলস, সোলস, শিরোনামহীন, ওয়ারফেজ, আর্টসেল, অ্যাশেজ, ক্রিপটিক ফেট, সোনার বাংলা সার্কাস ব্যান্ডের সদস্যদেরও এতে দেখা যায়। ক্রিপটিক ফেইট ব্যান্ডের ভোকাল শাকিব চৌধুরী বলেন, ‘প্রথম দিন থেকেই আমরা ছাত্রদের দাবির সঙ্গে আছি। আমাদের বন্দুক দিয়ে আমাদের ছাত্র, আমাদের জনতা মারা হচ্ছে, এমনটা হয়েছিল ৫২, ৬৯-এ। ৭১ সালে পাকিস্তানিরা মেরেছে। এখন ভিডিওতে দেখা গেছে, হেলিকপ্টার থেকে গুলি করা হচ্ছে। এখানে কি গৃহযুদ্ধ হচ্ছে? আমরা কি শত্রু? ছাত্ররা কি শত্রু?মাকসুদ বলেন, ‘আমরা র‍্যাপার হান্নানের মুক্তি চাই।

ছাত্রদের এত রক্ত ঝরেছে এর বিচার চাই। এত রক্ত কেন ঝরবে? এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সহিংসতায় অনেক মানুষ মারা গেছে। তাদের হত্যার বিচার চাই।’ প্রিন্স মাহমুদ বলেন, ‘র‍্যাপার হান্নানের মুক্তি চাই। যত জলদি সম্ভব তাকে মুক্তি দেওয়া হোক। অনেকেই বলছেন এত পরে আমরা কেন এখানে এসেছি। প্রথম থেকে ছাত্রদের দাবির প্রতি আমাদের সমর্থন ছিল আমাদের। আমরা রাতে ঘুমাতে পারি না। আমরা এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’ আসিফ আকবর বলেন, ‘কোটার অধিকার চাইতে গিয়ে আমাদের সন্তানদের কেন গুলিবিদ্ধ হতে হবে? তাদের রাজপথে হত্যা করা হয়েছে, হেলিকপ্টার থেকে গুলি করা হয়েছে। এইসব হত্যার বিচার যতক্ষণ না পাব, আমরা আমাদের এই সন্তানদের সঙ্গে আছি।সেখানকার সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে তাদের বেশির ভাগই গিয়ে যোগ দেন শহীদ মিনারে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে।

Top