রোহিঙ্গাদের জন্য ঘরবাড়ি বানানোর আগে তাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ১১ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
সব দরজায় বাড়তি দামের তালা,নিত্যব্যবহার্য পণ্যের দামও লাগামহীন যুক্তরাজ্যের এনফিল্ডে ব্রিটিশ বাংলাদেশি কাপ ও জমজমাট কমিউনিটি ডে অনু‌ষ্ঠিত ১নং বিবিচিনি ইউনিয়নে নেতৃত্বের নতুন আশা: জনগণের আস্থার প্রতীক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান অবৈধ সম্পদ অর্জন, টেন্ডার বাণিজ্য সহ নানান অভিযোগ রংপুরে নির্বাহী প্রকৌশলী মুসার বিরুদ্ধে গুঠিয়া বিএনপি কার্যালয়ে ডাবল স্ট্যান্ডঃ আ.লীগ নেতাদের আপ্যায়ন, বিএনপি নেতাদের শায়েস্তা রাজউক কর্মকর্তা পলাশ শিকদারকে নিয়ে ষড়যন্ত্র দল-মতের ঊর্ধ্বে চট্টগ্রামবাসীর ঐক্য লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’-এর ঘোষণা উজিরপুর উপজেলায় এনসিপির আহবায়ক কমিটি ঘোষণা হিজলায় জামায়াতের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মেহেন্দিগঞ্জে জামায়াতের দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত

রোহিঙ্গাদের জন্য ঘরবাড়ি বানানোর আগে তাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান


আলোকিত বার্তা:রোহিঙ্গাদের জন্য ঘরবাড়ি বানানোর আগে তাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন।বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবনে ‘টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট- ৩ : সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ’ বিষয়ক সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। রোহিঙ্গাদের ফেলে আসা বিধ্বস্ত ঘরবাড়ি অপসারণ করে সেখানে তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র বানানো হচ্ছে- মিয়ানমারের এমন দাবি প্রসঙ্গে এ কথা বলেন তিনি।এ সময় ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতে আশ্রয় নেয়া বাংলাদেশি শরণার্থীদের উদাহরণ টেনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের শরণার্থীদের ফিরিয়ে আনার সময় ঘরবাড়ির কথা ভাবা হয়নি। ফিরে এসে নিজেরাই ঘরবাড়ি তৈরি করে নিয়েছেন তারা।

তিনি বলেন, আমরা যখন ভারত থেকে আসি তখন দেখি ঘরবাড়ি নেই। পাক আর্মিরা সব ভেঙে ফেলেছে। আমরা ভারত থেকে নিজেদের লোকদের ফেরত আনার সময় চিন্তা করিনি ঘরবাড়ি আছে কি নেই।পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা যখন বাংলাদেশে আসে তখন কিন্তু ঘরবাড়ির চিন্তা করেনি। যখন তাদের যাওয়া শুরু হবে গিয়ে ঠিকই ঘরবাড়ি তৈরি করবে। না গেলে কীভাবে ঘরবাদি তৈরি করবে?তবে মিয়ানমার আশ্রয় কেন্দ্র তৈরি করছে কি না সে বিষয়ে নিশ্চিত নন জানিয়ে ড. মোমেন বলেন, মিয়ানমার নিশ্চয় তারা কোনো অ্যারেঞ্জমেন্ট করবে। বারবার আমাদের কাছে ওয়াদা করেছে মিয়ানমার।

তিনি বলেন, মিয়ানমার কিছুদিন আগেও রাখাইনে কাউকে নিতে রাজি ছিল না। সম্প্রতি সেখানে কয়েকজন রাষ্ট্রদূতসহ আরও কয়েকজনতে তারা রাখাইনে নিতে সম্মতি জানিয়েছে। রাষ্ট্রদূতরা সেখনে যাবেন। পরিস্থিতি দেখবেন।রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায় মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে ড. মোমেন বলেন, মিয়ানমারের দায়িত্ব তাদের নিরাপত্তা দেয়া। তারা যেন নিরাপদ বোধ করে নিজ দেশে ফিরে যায় সেই দায়িত্ব মিয়ানমারের।অপর এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভাসানচরে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্থানান্তরের বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।

Top