জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের কুপিয়ে গুরুতর জখম । - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৫শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
অবৈধ সম্পদ অর্জন, টেন্ডার বাণিজ্য সহ নানান অভিযোগ রংপুরে নির্বাহী প্রকৌশলী মুসার বিরুদ্ধে গুঠিয়া বিএনপি কার্যালয়ে ডাবল স্ট্যান্ডঃ আ.লীগ নেতাদের আপ্যায়ন, বিএনপি নেতাদের শায়েস্তা রাজউক কর্মকর্তা পলাশ শিকদারকে নিয়ে ষড়যন্ত্র দল-মতের ঊর্ধ্বে চট্টগ্রামবাসীর ঐক্য লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’-এর ঘোষণা উজিরপুর উপজেলায় এনসিপির আহবায়ক কমিটি ঘোষণা হিজলায় জামায়াতের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মেহেন্দিগঞ্জে জামায়াতের দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে শ্রমিক ইউনিয়ন সদস্যদের মধ্যে আইডি কার্ড বিতরণ পরিত্যক্ত সাবমেরিন ক্যাবল উত্তোলন ঘিরে চাঞ্চল্য, ‘প্রতিরোধ আন্দোলনের’ সংবাদ সম্মেলন পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন7

জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের কুপিয়ে গুরুতর জখম ।


মোঃমাসুম,স্টাফ রিপোর্টার:পিরোজপুরের নাজিরপুরে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে জসিম উদ্দিন পিয়াস (২২) নামে এক ছাত্রদল নেতা কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে প্রতিপক্ষরা। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কলারদোয়ানিয়া ইউনিয়নের উত্তর কলারদোয়ানিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা আহত ছাত্রদল নেতা উদ্ধার করে ওই রাতেই নাজিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছেন। জসিম উদ্দিন পিয়াস উপজেলার উত্তর কলারদোয়ানিয়া গ্রামের মুকুল শেখের ছেলে এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্রদল নেতা জসিম উদ্দিন পিয়াস জানান, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে তিনি তার বাড়ি সংলগ্ন জাহিদুলের চায়ের দোকানে বসে স্থানীয়দের সাথে কথা বলছিলেন। এ সময় তার চাচাতো ভাই সাইদুল ইসলাম শেখ কথা আছে বলে কাঁদে হাত দিয়ে স্বাভাবিকভাবে তাকে ডেকে পার্শ্ববর্তী বাদশা শেখের বাড়ীর কাছে যান। সেখানে নিয়ে প্রথমে তার হাতে থাকা চার্জার লাইট দিয়ে মাথা ও কানের উপর আঘাত করে। এতে তিনি মাটিতে পড়ে গেলে তার কাছে থাকা ধারালো চাকু দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতারিভাবে পেট, বুক ও পিটে কুপিয়ে জখম করে। এ সময় তার চিৎকারে ওই দোকানের সামনে থাকা লোকজন এগিয়ে আসলে সাইদুল ইসলাম পালিয়ে যায়। তাদের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি-জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে বলে জানান জসিম উদ্দিন পিয়াস।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার মোসাম্মাৎ রোকসানা পারভীন জানান, তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের ৮টি কোপ রয়েছে। প্রতিটি কোপই মারাত্মক ও ঝুঁকিপূর্ন স্থানে। তবে তিনি এখন কিছুটা আশঙ্কা মুক্ত।অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত সাইদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। পরে তার মুঠোফোনে কল করেও ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।নাজিরপুর থানার ওসি মো.মুনিরুল ইসলাম মুনির জানান,সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষনিক সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Top