ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে কৃষিপণ্যের - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ৩০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৫ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
চরামদ্দিতে পেনশনের টাকায় গড়া স্বপ্নে আঘাতঃ বিষ প্রয়োগে তিন পুকুরের মাছ নিধন এক স্বাচিপ নেতাকে হটিয়ে আরেক স্বাচিপ নেতাকে আনলো ড্যাব! যশোরে এমপির বাসভবনে হামলার প্রতিবাদে জামায়াতের নিন্দা ও প্রতিবাদ ভারত-আমেরিকা কারও আধিপত্য মেনে নেবো না বুধবার সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক এনসিপির ক্ষমতার পাঁচ মাসেই ‘হাইব্রিড’ আতঙ্ক,বিএনপিতে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে কঠোর বার্তা পাঁচ হাজার বাংলাদেশির ভিসা বাতিল,সংযুক্ত আরব আমিরাতে কান্নার রোল স্যার আমার আত্মীয় বিবেচনার অনুরোধ জালীলুল কুরআন মাদ্রাসায় হাফেজদের স্পোকেন ইংলিশ কোর্স শেষে সার্টিফিকেট বিতরণ দুই দিনে ১৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৫ শীর্ষ পদে নিয়োগ দিলো সরকার

ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে কৃষিপণ্যের


আলোকিত বার্তা:তামাক চাষে কৃষকদের নিরুৎসাহিতকরণে উৎপাদিত অন্য সব কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।তিনি বলেন,কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কৃষির আধুনিকায়ন, যান্ত্রিকিকরণ এবং রপ্তানির বাজার অপরিহার্য। সামগ্রিক অর্থে কৃষির আধুনিকায়নই তামাক চাষে নিরুৎসাহিত করবে চাষিদের।রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পল্লী কর্মসহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) মিলনায়তনে তামাক বিরোধী জাতীয় প্ল্যাটফর্ম-এর উদ্যোগে আয়োজিত ‘সেমিনার ও তামাক নিয়ন্ত্রণ পদক-২০১৯’ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

পিকেএসএফ-এর সভাপতি ড. খলীকুজ্জমান আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) আব্দুল মালিক। অনুষ্ঠানে তামাক বিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে অগ্রণী ভূমিকার জন্য চার জনকে সম্মাননা দেয়া হয়।কৃষিমন্ত্রী বলেন, তামাক ও তামাকজাত পণ্য উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলো থেকে প্রতিবছর সরকারের প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হচ্ছে। আর পরোক্ষভাবে তার চেয়ে বেশি খরচ হচ্ছে তামাকজনিত রোগে আক্রান্ত লোকদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়ের জন্য। শুধু যারা ঢাকায় বসবাস করে, তারা সঠিকভাবে তাদের কর দিলে তামাক কোম্পানির এই কর পরিহার করা সহজ হবে এবং তামাক উৎপাদনও বন্ধকরা যাবে।কৃষি মন্ত্রী বলেন, কৃষিকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক কৃষি ও আধুনিক কৃষি করা গেলে ২০৪০ সালের আগেই তামাক মুক্ত সমাজ গড়া যাবে। এরই মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে সকলের অংশগ্রহণ জরুরী।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিশ্বের তামাক উৎপাদনকারী ২০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম, আর প্রথমে আছে চীন। বাংলাদেশের মধ্যে তামাক উৎপাদনকারী জেলার মধ্যে প্রথম হচ্ছে কুষ্টিয়া জেলা। তামাক চাষের নিবিড়তা ২০০৬ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ১৪৫% থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২১৩% হয়েছে।এতে আরও জানানো হয়, সামগ্রিকভাবে তামাক চাষের চেয়ে সবজি চাষ লাভজনক। তামাক উৎপাদন ও ব্যবহার বন্ধ করা গেলে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র ভেঙ্গে কৃষি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তন রোধ করা সম্ভব।

Top