২ লাখ ২৭২১ কোটি টাকা নতুন এডিপির আকার হবে - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

২ লাখ ২৭২১ কোটি টাকা নতুন এডিপির আকার হবে


আলোকিত বার্তা:পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার হবে ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকা।তিনি বলেছেন, আগামী অর্থবছরে এডিপিতে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে পরিবহন খাত, টাকার পরিমাণে তা ৫২ হাজার ৮০৫ কোটি টাকা। বিদ্যুৎ, ভৌত অবকাঠামোর পরই সর্বোচ্চ বরাদ্দের দিক থেকে চতুর্থ স্থানে রয়েছে শিক্ষা ও ধর্ম খাত।পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বর্ধিত সভায় আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের জন্য এডিপির এ আকারের সুপারিশ চূড়ান্ত হয়েছে। বুধবার সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত এনইসি সম্মেলন কক্ষে পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে এ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এডিপি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সভায় অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে। ওই সভায় নতুন এডিপির চূড়ান্ত অনুমোদন দেবেন প্রধানমন্ত্রী।২০১৮-১৯ অর্থবছরে এক লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার সংশোধিত এডিপির অনুমোদন দেয়া হয়। একই সাথে ৯ হাজার ৬২০ কোটি টাকা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার জন্য অনুমোদন দেয়া হয়।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এডিপির পরিমাণ ২ লাখ ২ হাজার ৭২১ কোটি টাকার মধ্যে স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ছাড়া, সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন ১ লাখ ৩০ হাজার ৯২১ কোটি টাকা এবং বিদেশিদের কাছ থেকে ঋণ নেয়া হবে ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আমরা নতুন এডিপির আকার গ্রহণ করেছি। এটা উপস্থান করা হবে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য। আমাদের উন্নয়নের আকার বাড়ছে। এর সঙ্গে বাড়ছে এডিপির আকারও।তিনি বলেন, মানুষের কথা মাথায় রেখে শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন কাজ করছেন। সেই কথা মাথায় রেখেই এডিপি সাজানো হচ্ছে। সড়ক, বিদ্যুৎ, পানিসম্পদের উন্নয়নে কাজ করছি। আমাদের নিজস্ব অর্থায়নে কাজ করে যাচ্ছি। আমরা শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের উন্নয়নে কাজ করছি। সকল বিষয়কে প্রাধান্য দিয়েই নতুন এডিপি।

তিনি আরো বলেন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিদ্যুৎ, অবকাঠামো, কৃষি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা– এই চার-পাঁচটা ক্ষেত্রে আমরা ঘোরাফেরা করছি। কারণ এগুলো আমাদের ভালো ফল দিয়েছে।মন্ত্রী বলেন, চলতি বছরের ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) ৫৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ এডিপি বাস্তবায়ন করা হয়েছে; টাকার অংকে তা ৯৬ হাজার ৪৯৩ কোটি টাকা। গতবছর এই সময়ে এডিপি বাস্তবায়িত হয়েছিল ৫২ দশমিক ৪২ শতাংশ, যা টাকার অংকে ৮২ হাজার ৬০৩ কোটি টাকা।এরপর পরিকল্পনা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ নূরুল আমিন বিভিন্ন খাতের বরাদ্দে তথ্য তুলে ধরেন।তিনি বলেন, পরিবহন খাতে বরাদ্দ প্রস্তাব করা হয়েছে ৫২ হাজার ৮০৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, যা মোট এডিপির ২৬ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ। বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৬ হাজার ১৭ কোটি ১৩ লাখ টাকা, যা মোট এডিপির ১২ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ভৌত পরিকল্পনা, পানি সরবরাহ ও গৃহায়ণ খাতে তৃতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২৪ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ১২ শতাংশ। শিক্ষা ও ধর্ম খাতে ১০ দশমিক ৫৫ শতাংশ, টাকায় যার পরিমাণ ২১ হাজার ৩৭৯ কোটি ১২ লাখ।

Top