মির্জাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা - Alokitobarta
আজ : মঙ্গলবার, ২৫শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
অধ্যক্ষের স্বেচ্ছাচারীতায় শেবাচিম কেন্দ্রীয় মসজিদে দীর্ঘদিন যাবৎ ঝুলে আছে ইমাম-মুয়াজ্জিনের নিয়োগ সরকারের বর্তমান কাঠামো আড়াইতলা বা আড়াই স্তরবিশিষ্ট সংখ্যাগত প্রায় সব দিক থেকেই এগোচ্ছে দেশ,কিন্তু মান কোথায়! ব্যাংক হাসপাতাল বরিশালে ‘মা ও শিশু উৎসব’ অনুষ্ঠিত সাংবাদিক অধিকার বাস্তবায়ন সোসাইটির চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সফর হতে হবে সমতার, সমমর্যাদার, বন্ধুত্বের তিলোত্তমা থেকে বসবাসের অযোগ্য রাজধানী ঢাকা কুয়াকাটার বেড়িবাঁধে ভাঙন ‘বুড়ো’ ইঞ্জিনে ধুঁকছে রেল,জোড়াতালির ট্রেনে গভীর হচ্ছে সংকট মির্জা ফখরুল ও রিজভীকে মূল্যায়ন উজ্জীবিত বিএনপির তৃণমূল

মির্জাগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা


মির্জাগঞ্জ(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি:পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার সুবিদখালী রোকেয়া খানম মাধ্যমিকবিদ্যালয়ের সভাপতিও একাধিকবার নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানখান মোঃ আবু বকর সিদ্দিকীকে বিদ্যালয় শিক্ষক পরিষদ থেকে সংবর্ধনাদেয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে বিদ্যালয় মিলনায়তনে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানেসভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ গোলাম সরোয়ার বাদল।এসময়ে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সদস্য মোঃআনোয়ার হোসেন তালুকদার,এ.কে আজাদ বাপ্পি, বিদ্যালয়ের সহকারিপ্রধান শিক্ষক মোঃ নিজাম সরদার, সহকারি শিক্ষক মোঃ আবদুল লতিফ ওউপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন জোমাদ্দার প্রমূখ।অনুষ্ঠানের শুরুতে নর্ব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে ফুল দিয়েবরন করেন বিদ্যালয়ের ছাত্রী ও শিক্ষকবৃন্দরা। পরে শিক্ষকবৃন্দ তাকে একটি ক্রেস্টউপহার দেয়া হয়।

নর্ব-নির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, শিক্ষাইজাতির মেরুদন্ড। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতী উন্নতি করতে পারে না। এবিদ্যালয়টি উপজেলার মধ্যে একটি পুরাতন বিদ্যালয়। এখান থেকে বহু ছাত্রীপাশ করে সরকারে বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি করছেন। এর পাশাপাশি এ বিদ্যালয়েরপাশেই একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় করে দেয়া হয়েছে। যাতে এএলাকার শিশু থেকে শুরু করে মাধ্যমিক পর্যন্ত কোন শিশু কিংবা ছাত্রীরা অণ্যকোন বিদ্যালয়ে গিয়ে পড়াশুনা করতে না হয়। আমি গত পাঁচ বছরে উপজেলাচেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে শিক্ষা খাতে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।ভবিষ্যাতেও এ ধার অব্যাহত থাকবে। কারন এ উপজেলার কোন ছাত্র-ছাত্রী পড়াশুনারজন্য কষ্ট করতে না হয়। এ বিদ্যালয়ে যারা শিক্ষক রয়েছেন এবং আমাকে যেসম্মান দিয়েছেন তা আমি অক্ষুন্ন রাখার চেষ্টা করবো।

Top