বাস মালিক সমিতির দ্বন্দের কারনে বন্ধ হতে পারে দক্ষিনের যাতায়াত - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ৭ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৩শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
দল-মতের ঊর্ধ্বে চট্টগ্রামবাসীর ঐক্য লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’-এর ঘোষণা উজিরপুর উপজেলায় এনসিপির আহবায়ক কমিটি ঘোষণা হিজলায় জামায়াতের সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত মেহেন্দিগঞ্জে জামায়াতের দিনব্যাপী শিক্ষা শিবির অনুষ্ঠিত বাবুগঞ্জে শ্রমিক ইউনিয়ন সদস্যদের মধ্যে আইডি কার্ড বিতরণ পরিত্যক্ত সাবমেরিন ক্যাবল উত্তোলন ঘিরে চাঞ্চল্য, ‘প্রতিরোধ আন্দোলনের’ সংবাদ সম্মেলন পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন7 বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান প্রথম পুত্রসন্তান ও দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হলেন সাংবাদিক আম্মার হোসেন আম্মান জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

বাস মালিক সমিতির দ্বন্দের কারনে বন্ধ হতে পারে দক্ষিনের যাতায়াত


ফারুক খান,মির্জাগঞ্জ(পটুয়াখালী)বরগুনা-চান্দখালী-সুবিদখালী-কাঠালতলী-বাকেরগঞ্জ-বরিশাল মহাসড়কের বাসমালিক সমিতির দ্বন্দের কারনে দক্ষিঞ্চালের বাস চলাচল বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছে।দন্দের কারনে দক্ষিনের বরগুনা জেলাসহ মির্জাগঞ্জ উপজেলার হাজার হাজার যাত্রীমালিক সমিতির কাছে জিম্মি হয়ে পড়বে। পটুয়াখালী বাস মালিকসমিতির গাড়ি গতকাল শুক্রবার এগারোটার সময়ে বরগুনা বাস ষ্ট্যান্ড থেকেবরিশালের উদ্যেশে বিসমিল্লাহ গাড়িটি ছেড়ে আসলে মির্জাগঞ্জেরখলিশাখালীতে পৌছলে মির্জাগঞ্জের বাস মালিক সমিতির সভাপতি আবদুলবারেক সিকদারের নেতৃত্বে বাস থামিয়ে গাড়ির যাত্রী নামিয়ে দেন। এতেদু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে মির্জাগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে।

বরগুনা থেকে সরাসারি বরিশালযাত্রীবাহী কোন বাস চলাচল না করলে ভোগান্তিতে পড়তে হয় হাজারও যাত্রীর।বাস চলাচল না করলে এমনকি বরগুনা থেকে বিভাগীয় শহর বরিশালে যেতে হলেসাধারন যাত্রীদেরকে প্রথমে বরগুনা থেকে গাড়িতে চড়ে চান্দখালী,এরপরেটেম্পো যোগে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সুবিদখালীতে আসতে হয়। রিকসাযোগে সুবিদখালী কলেজ রোড হয়ে টেম্পো ষ্টান্ড থেকে নসিমনে করেআবার একই ভাবে ঝুঁকি নিয়ে কাঠালতলীতে যেতে হয়। কাঠালতলী থেকেবরিশাল যেতে যাত্রীদের দ্বিগুন ভাড়া গুনতে হয় এবং মালামাল পরিবহনে অনেকহয়রানির শিকার হতে হয় যাত্রীদের। এব্যাপারে মির্জাগঞ্জ বাস মালিকসমিতির সভাপতির আবদুল বারেক সিকদার বলেন,মির্জাগঞ্জ বাস মালিকসমিতিকে বাদ দিয়ে বরিশাল,বরগুনা ও পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতিগায়ের জোঁড়ে সড়কে গাড়ি চালায়। এতে আমাদের মির্জাগঞ্জের মালিকসমিতির গাড়িগুলো পড়ে থাকে।

এমনকি তিন জেলার মালিক সমিতির কাছেএকাধিকবার লিখিত ও মৌখিক ভাবে জানালো হলেও তারা তাতে কোনকর্নপাত করেনি। ১৭ এপ্রিল মির্জাগঞ্জ বাস মালিক সমিতি গাড়িচলাচলের অনুমতির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ডাক যোগ চিঠি প্রেরন করেনএবং গতকাল শুক্রবার গাড়ি চলাচল শুরু করি। পটুয়াখালী বাস মালিক সমিতিরসাধারন সম্পাদক মোঃ গোলাম মাওলা দুলু মৃধা বলেন,বরগুনা-চান্দখালী-সুবিদখালী-কাঠালতলী-বাকেরগঞ্জ-বরিশাল মহাসড়কটির মির্জাগঞ্জেরঅংশটুকু পটুয়াখালী জেলার অর্šÍভূক্ত। দুই বছর পর্যন্ত বরগুনা-বরিশাল ওপটুয়াখালী মালিক সমিতির বাস চলাচল করে আসছে। কিন্তু গতকাল শুক্রবারহঠাৎ করে মির্জাগঞ্জ বাস মালিক সমিতির সভাপতি মির্জাগঞ্জেরখলিশাখালীতে পটুয়াখালীর বাস মালিক সমিতির যাত্রীবাহী বাস থামিয়েযাত্রী নামিয়ে দেন। তবে তিনি এরকম কেন করছেন তা আমি জানি না।এব্যাপারে মির্জাগঞ্জ থানার বারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মাসুমুর রহমানবিশ্বাস বলেন, খলিশাখালিতে পটুয়াখালীর গাড়ি আটকে দেয়ার পরেঘটনাস্থলে গিয়ে মির্জাগঞ্জ বাস মালিক সমিতির সভাপতির সাথে কথাবলি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ছুটিতে আছেন। তিনি আসলেউপজেলা নির্বাহী অফিসার নিয়ে মালিক সমিতিদের সাথে বৈঠক করে এরসমাধান করা হবে।

Top