পরে ব্যবস্থা,ফায়ার সেফটি না থাকলে আগে সতর্ক - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ২৭শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ

পরে ব্যবস্থা,ফায়ার সেফটি না থাকলে আগে সতর্ক


আলোকিত বার্তা:ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন,কোনো ভবনের ফায়ার সেফটি না থাকলে ভবন মালিককে আগে সতর্ক করা হবে। তাতে কাজ না হলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।তিনি বলেন,যে ভবনে যারা চাকরি করেন তারা নিজেরাই সচেতন হয়ে দেখবেন ভবনে ফায়ার সেফটি আছে কিনা। যদি না থাকে তাহলে আমাদের কাছে অভিযোগ জানান। অভিযোগকারী ব্যক্তির পরিচয় গোপন রাখা হবে। অভিযোগ জানালে আমরা সেই ভবনে তাৎক্ষণিক টিম পাঠাব, সতর্ক করব। তাতে কাজ না হলে ম্যাজিস্ট্রেট পাঠিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।রাজধানীর গুলশানে নগর ভবনে শনিবার অগ্নি নিরাপত্তা সচেতনে সিটি করপোরেশনের ১০টি ‘ভবন পরিদর্শন দল’ এর কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনে তিনি এ কথা বলেন। ভবনের বিষয়ে অভিযোগ দেয়ার জন্য অভিযোগ বক্স ও ফোন নম্বর চালু করতে যাচ্ছে ডিএনসিসি।ডিএনসিসির পাঁচটি অঞ্চলের প্রতিটিতে আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার নেতৃত্বে দু’টি করে দল গঠন করা হয়েছে। ডিএনসিসি, ফায়ার সার্ভিস, বেসরকারি সংস্থা,বিভিন্ন কমিউনিটির সদস্য সমন্বয়ে প্রতিটি দলে ১০ থেকে ১৫ জন সদস্য থাকবেন।

মেয়র বলেন, ভবন পরিদর্শন দলগুলো ডিএনসিসি এলাকায় অবস্থিত বহুতল ভবনে গিয়ে আগেই তৈরি করা একটি চেকলিস্টের মাধ্যমে ভবনের অগ্নিঝুঁকি পরীক্ষা করবে। কোনো ভবনে অগ্নি-নিরাপত্তা যথেষ্ট না থাকলে সে ভবনের প্রবেশস্থলে ওই ভবনটির অগ্নি-প্রতিরোধ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত নয়, সতর্ক থাকুন লেখা স্টিকার লাগিয়ে দেয়া হবে। তাছাড়া ভবনে বসবাসকারী বা ভবন মালিককে দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আহবান জানানো হবে।তিনি বলেন,ঢাকা উত্তরের ২০টি ভবনকে এ কার্যক্রমে ‘মডেল ভবন’ হিসেবে উপস্থাপন করা হবে, যাতে অগ্নি নিরাপত্তার সব বন্দোবস্ত থাকবে। প্রথম পর্যায়ে সিটি করপোরেশন ভবনগুলোতে ফায়ার এক্সিট, ফায়ার ডোর ও নিরাপত্তাকর্মীদের ফায়ার ড্রিল (প্রশিক্ষণ) রয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করে দেখবে।তিনি আরো বলেন,প্রথম ধাপে ত্রুটি পেলে ভবন মালিকদের সতর্ক করবেন তারা। এরপরও কেউ ত্রুটির সমাধান না করলে সিটি করপোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হলে তার ট্রেড লাইসেন্স বাতিল করে দেয়া হবে।
অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল হাই, সচিব রবীন্দ্র শ্রী বড়ুয়া, আরবান রিজিলিয়েন্স প্রজেক্ট ডিরেক্টর ড. তারিক বিন ইউসুফসহ করপোরেশন এবং ফায়ার সার্ভিসের প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।

Top
%d bloggers like this: