এক মিনিট অন্ধকারে সারাদেশ - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
তিন বছর পিছিয়ে ২০২৯ সালে বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ দেশে-বিদেশে চাহিদা মিলছে না দক্ষ চালক ময়নাতদন্তের পরই তাহসিফের মৃত্যুর কারণ জানা যাবে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে বলে দাবি করা বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় ব্যাপক অনিয়ম,কারচুপি,পোলিং এজেন্টদের বের করে দেওয়ার উপনির্বাচনে জয়ী হলেন বিএনপির প্রার্থী গণতান্ত্রিক উত্তরণ সত্ত্বেও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরি না হওয়া একটি রাষ্ট্রের সামগ... গণতান্ত্রিক উত্তরণ সত্ত্বেও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরি না হওয়া একটি রাষ্ট্রের সামগ... গণতান্ত্রিক উত্তরণ সত্ত্বেও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরি না হওয়া একটি রাষ্ট্রের সামগ... যানজট নিরসনে ঢাকায় হবে ১৭টি মনোরেল তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক এড়াতে সম্ভাব্য বিভিন্ন পদ্ধতি পর্যালোচনা করছে

এক মিনিট অন্ধকারে সারাদেশ


সাহাদাত হোসেন রুবেল:কালরাতের প্রথম প্রহর স্মরণে দেশের শীর্ষ অনলাইন নিউজ পোর্টাল আলোকিত বার্তাকমও এক মিনিট অন্ধকারে ছিল।গত ১১ মার্চ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।গণহত্যা দিবসে ১ মিনিট বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রাখাসহ দুটি দিবস পালনে নেয়া বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে ওই সভার কার্যপত্র পাঠানো হয়েছে।
এক মিনিট ব্ল্যাক আউটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, তথ্য মন্ত্রণালয়, গণযোগাযোগ অধিদফতর, জেলা প্রশাসক (সকল) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা।

কেপিআইভুক্ত এলাকা (জরুরি স্থাপনা) ও চলমান যানবাহন ছাড়া সারাদেশের মানুষ এ সময় দাঁড়িয়ে ও সব আলো নিভিয়ে একসঙ্গে নীরবতা পালন করে। গোটা জাতি গভীর শ্রদ্ধা আর অবনতমস্তকে স্মরণ করে সেই মানুষদের, যারা একাত্তরের ২৫ মার্চের ভয়াল কালরাতে পাকিস্তানিদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলেন।১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগ মুহূর্তে ২৫ মার্চের বিভীষিকাময় কালরাতে পৃথিবীর ইতিহাসে নৃশংসতম গণহত্যার নজির স্থাপন করেছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী।সেই রাতের শহীদদের স্মরণে আজ সোমবার পালিত হচ্ছে জাতীয় গণহত্যা দিবস। সেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ঢাকাসহ পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশের বড় বড় শহরে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে লাখো ঘুমন্ত বাঙালিকে হত্যা করে। এই গণহত্যা আজও বিশ্বের মানুষের কাছে ঘৃণ্যতম ও তমসাচ্ছন্ন এক অধ্যায়।২০১৭ সালের ১১ মার্চ জাতীয় সংসদে ২৫ মার্চকে জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। এর পর থেকেই দিনটি জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। সেই গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে সরকারসহ বিভিন্ন মহলের সর্বাত্মক উদ্যোগ ও প্রচেষ্টাও অব্যাহত রয়েছে।

দিনটি উপলক্ষে পৃথক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভয়াল সেই রাতে গণহত্যার শিকার অগণিত শহীদকে স্মরণ করেছেন। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে সংঘটিত গণহত্যা বিশ্বের জঘন্যতম গণহত্যাগুলোর অন্যতম। এ গণহত্যার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায়ে সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।একাত্তরের ২৫ মার্চ রাতে গণহত্যার নীলনকশা অপারেশন সার্চলাইট বাস্তবায়নে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী মেতে উঠেছিল বাঙালি নিধনযজ্ঞে। অন্যদিকে এই নিষ্ঠুরতা ও নির্মমতার বিরুদ্ধে অসম সাহসী বাঙালিরা প্রতিরোধ গড়ে তুললে মুক্তিযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘটে। পাকিস্তানি সেনাদের হাতে গ্রেফতারের আগমুহূর্তে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। শুরু হয় বাঙালির সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রাম। সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে আন্দোলন-প্রতিরোধের অগ্নিস্ফুলিঙ্গ। পাকিস্তানি সেনাদের প্রতিরোধ করতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি এগিয়ে আসে সেনা ও পুলিশ বাহিনীর বাঙালি সদস্যরাও।এরপর ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম আর ৩০ লাখ শহীদের সুমহান আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় আসে। বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম নতুন রাষ্ট্র বাংলাদেশের।

Top