স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট চক্র বিএনপির মুখোশ পরে নানা ফন্দি ফিকির শুরু করেছে - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঝুঁঁকিতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ জামায়াত এমপি আব্দুল বাতেনের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে ‘সুপারিশের’ বিড়ম্বনায় ফায়ার সার্ভিস কর্তারা,নিয়োগে সব ধাপে কড়াকড়ি ফারুকের উত্থান শ্রমিক দল করার মাধ্যমে,আবারও বেপরোয়া কাইল্লা ফারুক অস্থিরতার বছরে অর্থ পাচার বাড়ে,পাচার বন্ধে আইন আছে প্রয়োগ নেই ১২ কর্মকর্তার পদোন্নতি ও বদলি,প্রশাসনে বড় রদবদল ২০২৪ সালের আত্মত্যাগই ২০২৬ সালের রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করেছে জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ শিশুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা,আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকায় সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট চক্র বিএনপির মুখোশ পরে নানা ফন্দি ফিকির শুরু করেছে


এবি সিদ্দীক ভূইঁয়া :স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে নিষিদ্ধ আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সিন্ডিকেট চক্র বিএনপির মুখোশ পরে নানা ফন্দি ফিকির শুরু করেছে। সচিবা

লয়ের কার্যক্রমকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যই বিএনপির মুখোশ পরেছে এই চক্রটি । রাষ্ট্র পরিচালনা করতে নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা এবং বিভিন্ন উপায় অর্থ উপার্জন করা তাদের প্রধান লক্ষ্যে।এরা নিষিদ্ধ আওয়ামী ফ্যাসিবাদের কোটায় চাকুরী পায় ছাত্রলীগের রাজধানীর সাথে জড়িত থাকার সুবাদে। চাকুরির পরে গোয়েন্দা দ্বারা যে তদন্ত হয় সেই প্রতিবেদনেই তা উল্লেখ রয়েছে। বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে সিনিয়র সচিবের দপ্তরে ফ্যাসিষ্ট আমলে নিয়োগ প্রাপ্ত প্রসাশনিক কর্মকর্তা
ইয়াসিন ফিরদৌস, প্রসাশনিক কর্মকর্তা আল কামার, সহ আরো একাধিক কর্মকর্তা যারা আওয়ামীলীগের রাজনিতির সঙ্গে জড়িত ছিল। আওয়ামীলীগের মন্ত্রী এমপিদের ডিউলেটের মাধ্যমে সচিবালয়ে নিয়োগ প্রাপ্তহন এবং এদের মাধ্যমে তদবির বাণিজ্যের সিন্ডিকেট চক্র তৈরি হয়েছে। উক্ত সিন্ডিকেট চক্রের সাথে জড়িত আছেন বলে জানাগেছে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলের সাবেক স্বরাষ্ট্র সচিব জাহাঙ্গীর আলম ( বর্তমানে কারাগারে) , সাবেক সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন, আমিনুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান, আক্তার হোসেন দপ্তরে কর্মরত ছিল ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মোঃ সাইফুল ইসলাম প্রসাশনিক কর্মকর্তা বি এম সাইফুল বর্তমানে ও সিনিয়র সচিবের দপ্তরে কর্মরত আছেন তাদের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গঠিত হয়েছে অভিযোগ অনুযায়ী এই সিন্ডিকেট মন্ত্রনালয়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ন্ত্রণ করছে এবং তা নিষিদ্ধ ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দলের প্রভাব বিস্তারে ব্যবহার করছে ও সরকার বিরোধী বিভিন্ন ধরনের উস্কানি মূলক কথাবার্তা বলেন এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের গ্রুপে ম্যাসেজ দিয়ে বিভিন্ন কর্মকর্তাদের বরাতে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন, সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের প্রসাশন- ১ শাখা জারিকৃত একটি সরকারি আদেশ ( Government Order) অনুযায়ী কয়েকজন কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে পাসপোর্ট ইস্যু /রি ইস্যু সংক্রান্ত কাজে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই সফরের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে উক্ত আদেশে উল্লেখিত ব্যক্তিরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের অতি গুরুত্বপূর্ণ সংবেদনশীল জায়গায় ফ্যাসিবাদীদের মধ্যে রয়েছেন ১/ লাবনী সূত্রধর, স্টেনো টাইপিষ্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর, লাবনী সূত্রধর সম্পর্কে অভিযোগ রয়েছে যে,স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের আলোচিত কর্মকর্তা যুগ্ম- সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের আপন শেলিকা এ ছাড়া তার নিয়োগ এবং বিভিন্ন সূবিধা লাভের বিষয়ে প্রসাশনিক মহলে নানা প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২/ সূমি বড়ুয়া, স্টেনো টাইপিষ্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর, সূমি বড়ুয়া সম্পর্কে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি সাবেক পলাতক সরকারের আলোচিত কর্মকর্তা যুগ্ম-সচিব ধনঞ্জয় কুমার দাসের নিয়োগপ্রাপ্ত এবং সে-সময়ে প্রসাশনিক প্রভাবে দায়িত্বে বহাল ছিলেন, ৩/ বি এম সাইফুল, প্রসাশনিক কর্মকর্তা,মোঃ সাইফুল ইসলাম (ব্যক্তিগত কর্মকর্তা) সম্পর্কে জানাগেছে যে,তারা পতিত সরকারের সময়ে দায়িত্বে থাকা অত্র মন্ত্রনালয়ের একাধিক সচিব ও সিনিয়র সচিবের বিশ্বস্ত সহকারী হিসেবে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি ওই সময়ের কয়েকজন সাবেক সচিব অতীত কর্মকান্ডের দায়ে কারাবন্দী রয়েছেন, ৪/ আল কামার,প্রসাশনিক কর্মকর্তা, সসম্পর্কে জানাগেছে যে, তিনি শেরপুর জেলার আওয়ামীলীগের সাবেক হুইপ আতিক সাহেবের জামাতা এছাড়া সে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ রাসেলের প্রতিকৃতি তৈরির অন্যতম উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন, তার সঙ্গে সংশ্লিষ্টভাবে ইয়াসিন ফেরদৌস নামের একজন ব্যক্তিও বিভিন্ন প্রসাশনিক কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন বলে জানাগেছে এবং তাদের নাম ও উক্ত সরকারি আদেশে অন্তরভূক্ত রয়েছে ৫/ মোঃ নাজমুল হোসেন, যিনি বর্তমানে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের প্রটোকল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং বিভিন্ন অপকর্মের সহযোগী ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে সাবেক স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সহ বিভিন্ন কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে তদবির বাণিজ্য করার কারণে এবং পূর্বে দায়িত্ব পালনে তাকে প্রটোকল অফিসারের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল বর্তমানে সে পূনরায় মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসারের দায়িত্ব পালন করছেন । এই সিন্ডিকেটের অভিযোগের কারণে দুবাই অস্থায়ী মিশনে অন্তর্ভুক্ত হওয়া একজন সিনিয়র কর্মকর্তার নাম বাতিল করা হয়েছে। তা নিয়েও প্রসাশনিক মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, যারা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের নিচে বঙ্গবন্ধুর কর্নার ও শেখ রাসেলের কর্নার তৈরি করে নিয়মিত ফুল দিত, তা ছাড়া গত ০৭মার্চ ২০২৪ যুগান্তর ই -পেপার পত্রিকায় প্রকাশিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় কল্যাণ সমিতির নামে একটি সংগঠন বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্থায়ী মূরাল নির্মাণের দাবি জানান, মন্ত্রনালয়ের সূত্রে জানাগেছে কয়েকজন কর্মকর্তাকে সাক্ষী দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ডাকা হয়েছে, তদন্ত সংস্থার কো-অর্ডিনেটর আনসার উদ্দিন খান পাঠান জানান, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রসাশনিক তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুকি রয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠেছে যে,২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও এই কর্মকর্তারা কীভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের মতো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ ও রাষ্ট্রের সংবেদনশীল জায়গায় সিনিয়র সচিবের দপ্তরে বহাল রয়েছেন, সরকারের এমন একটি স্পর্শকাতর জায়গায় এখনো তাদের উপস্থিতি সত্যিই বিস্ময় এবং উদ্বেগ উভয়ই সৃষ্টি হয়েছে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক কর্মকর্তা জানান মাননীয় মন্ত্রী ও সিনিয়র সচিব মহোদয়ের দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, মাননীয় মন্ত্রী ও সিনিয়র সচিব মহোদয়ের ষদ্বয় দৃষ্টি কামনা করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনে মহোদয় গণের সূ- মর্জি কামনার কথা জানিয়েছেন। এই চক্রের বিষয়ে এখনই ব্যবস্থা না নিলে তাদের বেপরোয়া কর্মকান্ডে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তথা সরকারের মান ক্ষুন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ বিষয়ে উক্ত সিন্ডিকেটের মূল হোতা সাইফুল ইসলাম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গ্রুপে একটি মেসেজ দিয়েছেন আমরা চলি পাতায় পাতায় আমরা একেকজনের হাঁড়ির খবর জানি, তাই আমাদের কেউ কিছু করতে পারবে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিভিন্ন মহল থেকে এ বিষয় প্রতিকার সহ সরকারের উচ্চ মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

Top