শিক্ষকদের নিয়মিত বদলি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ২রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বৈদেশিক টাকায় গৌরনদীতে হারিছকে পূণঃপ্রতিষ্ঠিার করার মিশনে ক্যাডার বাহিনী র‍্যাব সদরদপ্তর হবে ১১তলা, ব্যয় ১৭২ কোটি টাকা একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু আজ, জেনে নিন ফি ও বিস্তারিত নিয়ম এআই কিভাবে গ্রহণ করতে হবে, সে বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন হওয়া প্রয়োজন স্থানীয় নির্বাচন ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার স্থানান্তরের সুযোগ রেখেছে ইসি স্থানীয় সরকারের কোনো পর্যায়ের নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি শেবাচিম হাসপাতালের জেনারেটরের জ্বালানি সংকটে কারণে থেমে থাকে অস্ত্রোপচার , চিকিৎসকদের বসে থাকতে হয় ব... বিএনপির হাত ধরেই বহুদলীয় ও সংসদীয় গণতন্ত্র এসেছে বোঝা ১৮ কোটির কাঁধে,২৪ লাখের স্বস্তি ,সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি প্রস্তাবিত ৯ম জাতীয় পে স্কেল অনুমোদন করেছে সরকার

শিক্ষকদের নিয়মিত বদলি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়


আলোকিত বার্তা:সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়মিত বদলি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।ফলে একই বিদ্যালয়ে দীর্ঘ সময় থাকার সুযোগ আর পাবেন না সহকারী ও প্রধান শিক্ষকরা। এ সংক্রান্ত প্রস্তাবনা তৈরির জন্য ইতোমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের (ডিপিই) মহাপরিচালককে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের তিন অথবা পাঁচ বছর পর বাধ্যতামূলক বদলি করার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সম্প্রতি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল হোসেনের সভাপত্বিতে ভার্চুয়াল এক সভায় এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা ডিপিই থেকে তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে বলা হয়েছে। তবে শিক্ষকদের যেন ভোগান্তি না হয় সে কারণে কাছাকাছি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বদলি করার ব্যবস্থা রাখার কথা বলা হয় সভায়। সরকারি চাকরিজীবীদের তিন বছর পরপর বদলি করার নিয়ম থাকলেও প্রাথমিক শিক্ষকদের বেলায় তা করা হয় না। এর আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা চাইলে এক বিদ্যালয়ে থেকেই চাকরির মেয়াদ শেষ করতে পারতেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল হোসেন বলেন,একই বিদ্যালয়ে জীবনভর থেকে ক্লাসের প্রতি শিক্ষকরা অমনোযোগী হয়ে ওঠেন। এ কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের চাকরি বদলিযোগ্য করা হবে। তাদের তিন অথবা পাঁচ বছর পরপর এক স্কুল থেকে আরেক স্কুলে বদলি করা হবে।তিনি বলেন, প্রতিবছর শিক্ষকদের বদলি নিয়ে বড় ধরনের জটিলতা ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া যায়। এসব বন্ধ করতে বদলি বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এটি কার্যকর হলে শিক্ষক বদলিতে আর উপচে পড়া ভিড় তৈরি হবে না।মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি নিয়ে প্রায়ই দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি ও মার্চে বদলির সুযোগ দেয়া হলে তখন এজন্য তদবির শুরু হয়। বিগত বছরগুলোতে শিক্ষক বদলিতে দুর্নীতির অভিযোগও ওঠে। এই দুর্নীতি দূর করতে শিক্ষক বদলির কার্যক্রম অনলাইনে করার উদ্যোগ নেয় মন্ত্রণালয়। কিন্তু এখনো তা চালু করা সম্ভব হয়নি।

Top