চেক প্রতারণা মামলায় মানামী লঞ্চ মালিক সালামের ১ বছরের কারাদন্ড ও ৬ কোটি টাকা অর্থদন্ড - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ১৯শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৪ঠা ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
১৭ দেশে ২৫ বার ভ্রমণের মাধ্যমে বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ গণপূর্তের প্রকৌশলী কাজী ফিরোজের বিরুদ্ধে চেক প্রতারণা মামলায় মানামী লঞ্চ মালিক সালামের ১ বছরের কারাদন্ড ও ৬ কোটি টাকা অর্থদন্ড বরিশালে যুবদল নেতা গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলীকে কক্ষে ঢুকে লাঞ্ছিত করে সংবিধান সংস্কার কোন পথে,জুলাই সনদ বাস্তবায়নে টানাপোড়েন ৩ জেলার ডিসি ও রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনারকে প্রত্যাহার বদলির সুযোগ পাচ্ছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা জাতিকে দেওয়া ওয়াদা রক্ষা করতে না পারাই সরকারের প্রথম ছয় মাসের বড় ব্যর্থতা ফেরত আসবে না কানাকড়ি দুদকের নতুন যাত্রা রাজধানীর বিভিন্ন রুটে ‘মহিলা বাস সার্ভিস’

চেক প্রতারণা মামলায় মানামী লঞ্চ মালিক সালামের ১ বছরের কারাদন্ড ও ৬ কোটি টাকা অর্থদন্ড


স্টাফ রিপোর্টার:

ঢাকা-বরিশাল নৌপথে চলাচলরত মানামী লঞ্চের মালিক সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালামকে চেক প্রতারণার একটি মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত-১-এর বিচারক মেহেদী হাসান এ রায় প্রদান করেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ইসমত আরা বাদী হয়ে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮/১৪০ ধারায় সিআর ৮৩৭/৩১ নম্বর মামলাটি আদালতে দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়, জয়েন্ট স্টকের মালিকানা অনুযায়ী মানামী লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শেয়ারহোল্ডার ফিরোজ আলম, শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা এবং শেয়ারহোল্ডার আহমেদ জাকিকে নিয়ে লঞ্চ পরিচালনা এবং আয়-ব্যয়ের হিসাব করার কথা ছিল।

কিন্তু কৌশলে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালাম তাদেরকে ব্যবস্থাপনা থেকে সরিয়ে দেন। এমনকি তিন বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব না দিয়ে তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

পরে লঞ্চ মালিকদের এক বৈঠকে মানামী লঞ্চ পরিচালনার তিন বছরের হিসাব অনুযায়ী ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। সে অনুযায়ী আবদুস সালাম ওই টাকা পরিশোধের জন্য ইসমত আরাকে ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার একটি চেক প্রদান করেন। চেকটি ঢাকার গুলশান শাখার সিটি ব্যাংকে জমা দিয়ে টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করা হলে তিনবার চেকটি ডিজঅনার হয়। পরে এ ঘটনায় চেক প্রতারণার মামলা করা হয়।

এদিকে বরিশাল লঞ্চ মালিক সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি শেখ আবদুর রহিম জানান, লঞ্চ মালিক সমিতি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত। তৎকালীন সময়ে ক্ষমতার প্রভাবে আবদুস সালাম এ কাজ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। এখন আইনি বিষয়টি মেনে নিতে হবে বলেও জানান তিনি।

এ বিষয়ে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মানামী লঞ্চের সুপারভাইজার বাপ্পি জানান, মালিক আবদুস সালাম বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন। তার সঙ্গে কথা বলে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবেন তিনি।

Top