চরামদ্দি মূগাখাঁন মসজিদ প্রাঙ্গণে গীতা পাঠ, ক্ষমা চাইল বিএনপি - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন এর নাম ও প্যাড ব্যবহার করে নেতৃত্বের পরিচয় প্রদান এবং কর্তৃপক্ষের ... বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সুনাম ক্ষুণ... দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর... বানারীপাড়ায় মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ, এক লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের দাবি মেধা যাচাইয়ের নামে অনিয়ম,৫ লাখ ২০ হাজার সরকারি চাকরির নিয়োগে পুরোনো পথে সরকার ২৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে পরীক্ষা

চরামদ্দি মূগাখাঁন মসজিদ প্রাঙ্গণে গীতা পাঠ, ক্ষমা চাইল বিএনপি


নিজস্ব প্রতিবেদক :
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার চরামদ্দি ইউনিয়নের ঐতিহ্যবাহী মূগাখান জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে বিএনপির আয়োজিত মাদকবিরোধী সভায় গীতা পাঠের ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনায় শেষ পর্যন্ত মুসল্লিদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন আয়োজক বিএনপির দুই নেতা।
জানা গেছে, গত ৪ সেপ্টেম্বর চরামদ্দি ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে মাদকবিরোধী সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকেরগঞ্জের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল হোসেন খান। এছাড়া উপজেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং ইউনিয়ন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন চরামদ্দি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও সমাবেশ কমিটির আহবায়ক মিজানুর রহমান চুন্নু শিকদার। চরামদ্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সহিদুল ইসলাম মোহন মাস্টার ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আলআমিন হাওলাদার অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন।
তবে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে গীতা পাঠ করানোকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিভিন্ন মহলে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
স্থানীয় মুসল্লিদের অভিযোগ, মসজিদ প্রাঙ্গণের ধর্মীয় পরিবেশ ও পবিত্রতা বিবেচনায় নিয়ে অনুষ্ঠান পরিচালনা করা উচিত ছিল। গীতা পাঠের বিষয়টি নিয়ে তারা আয়োজকদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং ঘটনার ব্যাখ্যা দাবি করেন।
এ অবস্থায় গত ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার জুমার নামাজের সময় মুসল্লিদের তোপের মুখে পড়েন চরামদ্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সহিদুল ইসলাম মোহন মাস্টার ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আলআমিন হাওলাদার। তারা উপস্থিত মুসল্লিদের কাছে ওই ঘটনার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক ও ধর্মীয় মহলে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ভবিষ্যতে ধর্মীয় স্থাপনা ও এর প্রাঙ্গণে কোনো অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে আরও সতর্কতা অবলম্বনের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

Top