বরিশালে মহাসড়কের পাশে গড়ে তোলা অবৈধ ভবন অপসারণের কাজ শুরু - Alokitobarta
আজ : বৃহস্পতিবার, ১৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বিআরটিসি শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন এর নাম ও প্যাড ব্যবহার করে নেতৃত্বের পরিচয় প্রদান এবং কর্তৃপক্ষের ... বরিশাল পুলিশ হাসপাতালে নার্সিং ইনচার্জের বিরুদ্ধে রোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগ বরিশাল ভাটারখাল বিদ্যালয়ের কমিটি গঠন জামিল হোসেনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি বিভিন্ন মাধ্যমে মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সুনাম ক্ষুণ... দক্ষিণ বঙ্গের সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান পরিবহন সাকুরা ! দেখলেই জনমনে আতঙ্ক বিআরটিসির চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ মোল্লার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির ভয়াবহ তথ্য তুলে ধরনের শ্রমিক-কর... বানারীপাড়ায় মৃত্যু ও ওয়ারিশ সনদ নিয়ে হয়রানির অভিযোগ, এক লাখ টাকা ঘুষ লেনদেনের দাবি মেধা যাচাইয়ের নামে অনিয়ম,৫ লাখ ২০ হাজার সরকারি চাকরির নিয়োগে পুরোনো পথে সরকার ২৬ অক্টোবর ৪ দিনের সফরে জাপান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী এসএসসি অকৃতকার্যদের ৩ মাসের মধ্যে পরীক্ষা

বরিশালে মহাসড়কের পাশে গড়ে তোলা অবৈধ ভবন অপসারণের কাজ শুরু


নিজস্ব প্রতিবেদক:কথা রাখলেন বরিশালের নগর প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন। মহানগরীর মধ্যে দিয়ে চলে যাওয়া বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের নবগ্রাম রোডের চৌমাথা লেকের পাড়ে অবৈধভাবে গড়ে তোলা দ্বিতল ভবনটি ভাঙার কাজ শুরু করেছে নগর প্রশাসন। সাবেক নগর পরিষদের এ অবৈধ দ্বিতল ভবনটি ছাড়াও পাশেই গড়ে তোলা কথিত শিশু পার্কটি এলাকাবাসীর জন্য মরন ফাঁদ হয়ে উঠেছিল।গত মাসেই সাবেক সিটি মেয়রের মায়ের নামে গড়ে তোলা ‘শাহানারা বেগম পাকর্’টি অপসারনের পরে বুধবার রাত থেকে ঝুকিপূর্ণ দ্বিতল ভবনটিও ভাঙার কাজ শুরু করেছে নগর প্রশাসন। ফলে এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। সাবেক নগর প্রশাসন সম্পূর্ণ বেআইভাবে জনগনের করের প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি টাকা অপচয় করে দেশের ৮ নম্বর জাতীয় মহাসড়কটির ওপর কথিত ঐ শিশু পার্ক সহ পাশেই অবৈধ দ্বিতল ভবনটি গড়ে তোলে।

এমনকি পার্ক ও দ্বিতল ভবনটির মাঝে সিটিকরপেরশেনের শতাব্দী প্রাচীন একটি সংযোগ সড়ক ও বন্ধ করে দেয় তৎকালীন নগর প্রশাসন। ফলে নগরীর আদি রাজকুমার ঘোষ রোডটির পশ্চিম পাশে বসবাসরত কয়েক হাজার মানুষের চলাচলের পথ রুদ্ধ করে তৎকালীন নগর প্রশাসন। অথচ নগরবাসীর চলাচলের পথ সুগম করা সহ সড়কের যথাযথ রক্ষণাবেক্ষনই একটি জনবান্ধব নগর প্রশাসনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।জুলাই বিপ্লবের পরে ’২৪-এর ৫ আগষ্ট বিকেলেই উৎফুল্ল ছাত্র-জনতা স্বতস্ফুর্তভাবে এ অবৈধ পার্কটি ভেঙে ফেলে। পরবর্তিতে অবৈধ দ্বিতল ভবনটির একটি অংশও ভেঙে ফেলে ছাত্র-জনতা। ফলে ভবনটি অনেকটাই ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল।

এলাকাবাসীর তরফ থেকে বিষয়টি নিয়ে সিটি প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি এ অবৈধ ভবন সহ বিধ্বস্ত পার্ক অপসারন করে দখলকৃত জমি সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরকে ফিরিয়ে দেয়ার অঙ্গিকার করেছিলেন। সে আলোকে গত মাসেই অবৈধ পার্কটির সব স্থাপনা অপসারন করে জমি অবমুক্ত করা হয়েছে। অবশিষ্ট ছিল অবৈধ ভবনটি। সেটির ভাঙার কাজও শুরু হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পুরো ভবনটির সব অবৈধ অবকাঠামো অপসারনের লক্ষ্যে নগর ভবন কাজ করছে বলে দায়িত্বশীল সূত্রে বলা জানিয়েছে ।অপরদিকে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ইতোমধ্যে অবৈধ পার্কটির স্থান সহ গড়িয়ার পাড় থেকে দপদপিয়া সেতুর টোল প্লাজা পর্যন্ত জাতীয় মহাসড়কটির ১১ কিলোমিটার অংশ প্রশস্তকরণ সহ কার্পেটিং কাজের জন্য দরপত্র আহবান করছে বলে দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে।

Top