জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সাংবাদিকরা মুক্তভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারছেন - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ২৮শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফের জানাযায় মাওলানা জহির উদ্দিন মুহাম্মদ বাবরের অংশগ্রহণ বই ছাপায় সিন্ডিকেট,আওয়ামী লীগ নেতা রাব্বানীর একক দরপত্র, সরকারের বাড়তি খরচ ৩ কোটি টাকা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ বিশ্বব্যাংক ও এআইআইবি অর্থায়ন করতে আগ্রহী,গাবতলী-নারায়ণগঞ্জ মেট্রোরেল ব্যয় ৬১ হাজার কোটি টাকা অন্তর্মুখী ও বহির্মুখী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তৃণমূলের দায়িত্বশীলদের যোগ্য হয়ে উঠতে হবে ওয়াশরুমের ফলস ছাদে লুকিয়ে পুলিশকে গুলি,মোবারকসহ গ্রেফতার ৪,পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত , লুট হওয়া অস্ত্র-গু... ফ্যামিলি কার্ডে নতুন হিসাব ৪১ লাখ কার্ড বানাতেই ব্যয় ২৪৬ কোটি টাকা শেষ মুহূর্তে বিরোধী দলের ওয়াকআউট,সংসদে তিন বিল উত্থাপন ফের আলোচনায় ভারতের হাইভোল্টেজ বিদ্যুৎ লাইন,বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার অপপ্রচার ঠেকাতে এমপিদের মাঠে থাকার নির্দেশ,

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সাংবাদিকরা মুক্তভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারছেন


মু.এবি সিদ্দীক ভুঁইয়া:জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সাংবাদিকরা মুক্তভাবে সরকারের সমালোচনা করতে পারছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।গণমাধ্যম ও যোগাযোগ উন্নয়ন সংগঠন সমষ্টি, ইউনেস্কো গ্লোবাল মিডিয়া ডিফেন্স ফান্ডের সহায়তায় জার্নালিস্ট সাপোর্ট ডেস্ক হ্যান্ডওয়ার অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনেস্কো বাংলাদেশ কার্যালয়ের প্রধান ও বাংলাদেশে ইউনেস্কোর প্রতিনিধি সুসান ভাইজ। ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেলসহ সংগঠনের জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা, আইনগত সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার প্রতিনিধি, বিভিন্ন পেশাজীবী এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশ নেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে শফিকুল আলম বলেন, কতটা প্রাণখুলে জার্নালিজম (সাংবাদিকতা) করেছেন- এটা চিন্তা করুন। এ সময় আপনারা মুক্তভাবে সমালোচনা করতে পারছেন। অনেক ক্ষেত্রে আমরা সরকারের বেশি সমালোচনা করলেও প্রকৃত দায়ীদের কথা ভুলে যাই। অন্যদের ব্যর্থতার কথাও আমাদের বলা উচিত। জুলাই অভ্যুত্থানে ছয়জন সাংবাদিক মারা গেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের কারো সঙ্গে সুরক্ষা সামগ্রী ছিল না। কারো কাছে সামান্য হেলমেটও ছিল না। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় সাংবাদিকদের সংগঠন নোয়াব (নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ) অনেক বড় বড় কথা বলে, অথচ সাংবাদিকদের তারা একটা ইক্যুইপমেন্ট দেয় না। তিনি বলেন, কয়েকদিন আগে তারা অনেক বড় সম্মেলন করলেন- সাংবাদিকদের কোনো ইক্যুইপমেন্টের কথা বলেছেন কেউ? কতজন সাংবাদিক মারা গেছেন, সেটা নিয়েও একটা স্টেটমেন্ট দিয়েছে কি? আমি দেখিনি।

সাংবাদিকদের প্রেস সচিব বলেন, যারা আপনার প্রতিষ্ঠানের মালিক,যারা অ্যাসাইনমেন্ট কাভার করতে পাঠাচ্ছেন, তাদের অনেক দায়িত্ব আছে। সে দায়িত্ব তারা কতটুকু পালন করছেন, সে বিষয়ে আপনারা সোচ্চার হবেন। তিনি বলেন, আমরা সাংবাদিকদের মধ্যে সর্বজনীন ঐক্যের কথা বলি। তবে সেটা শুধু সুবিধাবাদীদের জন্য হোক সেটা কাম্য নয়। সবার মধ্যে সেটা দরকার। একটি গ্রুপ নিজেরা ঐক্য তৈরি করবে কিন্তু অন্য গ্রুপের এডিটরকে টেনেহিঁচড়ে আনবেন কিন্তু তখন কিছু বলব না, সেটা হবে না। তিনি আরও বলেন, আমাদের দেশে সাংবাদিকতার কোনো গাইডবুক নেই। কোনো সেনসেটিভ বিষয়ে যে ঝুঁকি, সেটা মোকাবিলা কীভাবে হবে সেটা বলা হয় না। অনুষ্ঠানে অন্য বক্তারা বলেন, এ ডেস্ক থেকে সাংবাদিকদের আইনকানুন বিষয়ে সহায়তা দেওয়া হবে। মামলা হলে সাংবাদিকদের বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।

Top