টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাংলাদেশের দুই ম্যাচ হাতে রেখেই - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ২২শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বৃষ্টি আইনে জয় পায় অস্ট্রেলিয়া দেশের ১০ অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়ের আভাস বন্যাদুর্গতদের সাহায্যে এগিয়ে আসার আহবান বিশ্বে শিশুমৃত্যুর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যঝুঁকি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে বায়ুদূষণ চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ৩১ হাজার ৮৩৩ কোটি ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়েছে ৩১ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার মতিউর এক জাদুর বংশীবাদক বারবার বশ মানে দুদক মতিউর রহমানের দুই স্ত্রী, পাঁচ সন্তান ও আত্মীয়স্বজনের নামে গড়েছেন কয়েক হাজার কোটি টাকার স্থাবর-অস্থা... কুরবানির ঈদের পর ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকলেও কৌশলে অস্থির করা হচ্ছে বাজার দ্বিতীয় স্ত্রী শাম্মীর গর্ভে ইফাত,ছাগলে ধরা ‘কালো বিড়াল’

টি-টোয়েন্টি সিরিজ বাংলাদেশের দুই ম্যাচ হাতে রেখেই


মোহাম্মাদ আরিফ হোসেন : তৃতীয় টি-টোয়েন্টির সংক্ষিপ্ত স্কোর: জিম্বাবুয়ে ২০ ওভারে ১৫৬/৯, লক্ষ্য ১৬৬ (আকরাম ৩৪*, মাসাকাদজা ৯*, জংবে ২, ক্যাম্পবেল ২১, মাদান্দে ১১, মারুমানি ৩১, রাজা ১, গুম্বি ৯, বেনেট ৫, আরভিন ৭)
বাংলাদেশ ২০ ওভারে ১৬৫/৫ (মাহমুদউল্লাহ ৯*, রিশাদ ৬* ; লিটন ১২, শান্ত ৬, তানজিদ ২১, হৃদয় ৫৭, জাকের আলী ৪৪)

ফল: বাংলাদেশ ৯ রানে জয়ী।

বাংলাদেশ তৃতীয় টি-টোয়েন্টি জিতলো বটে। তবে আবারও জিম্বাবুয়ের টেল এন্ডার লড়াই করে কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলেছিল বাংলাদেশকে। নবম উইকেটে ফারাজ আকরাম ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজার পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটিতে একটা সময় বাংলাদেশকে হার চোখ রাঙাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সফরকারীদের লড়াই থামিয়ে বাংলাদেশ ম্যাচ জিতলো ৯ রানে। তাতে সিরিজ ৩-০ তে নিশ্চিতও করলো তারা। ৯ উইকেটে ১৫৬ রানে থামে জিম্বাবুয়ে।৯১ রানে ৮ উইকেট হারানোর পর জিম্বাবুয়ে হাল ছাড়েনি। ওয়েলিংটন মাসাকাদজাকে নিয়ে ফারাজ আকরাম লড়াই করে গিয়েছেন।ফারাজ তার প্রথম ১১ বলে দুটি করে চার ও ছয় মেরে রানের চাকা বাড়ান। শেষ দুই ওভারে প্রয়োজন তারা ২৭ রানে নামিয়ে ফেলেন। তাতে বাংলাদেশের ওপর কিছুটা হলেও চাপ ছিল।তাসকিন আহমেদ ও মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে অপ্রত্যাশিত কিছু হতে দেননি। যদিও শেষ ওভারে ২১ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে প্রথম বলে উইকেট হারানোর পর ব্লেসিং মুজারাবানি টানা দুটি চার মেরে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি করেন। ১৯ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত ছিলেন ফারাজ। মাসাকাদজার সঙ্গে তার জুটি ছিল ৩০ বলে ৫৪ রানের।

চার বলে দুই উইকেট নিলো বাংলাদেশ

বিপদজনক হয়ে ওঠা জোনাথন ক্যাম্পবেল ১৪তম ওভারে বিদায় নেন তানভীর ইসলামের বলে। বাঁহাতি স্পিনারের চতুর্থ বলে বিদায় নেন জিম্বাবুয়ান ব্যাটার। পরের ওভারে রিশাদ হোসেন দ্বিতীয় বলে পেলেন লুক জংবের উইকেট। ৩ বলে ২ রানে তাকে থামান বাংলাদেশি স্পিনার। রিভিউ নিয়েও আম্পায়ারের এলবিডব্লিউর সিদ্ধান্ত পাল্টাতে পারেননি জংবে। চার বলের মধ্যে দুই উইকেট পেলো বাংলাদেশ। ৯১ রানে নেই ৮ উইকেট।

দুই ছক্কার পর তানভীরের শিকার ক্যাম্পবেল

আগের ম্যাচে জোনাথন ক্যাম্পবেল ঝড়ো ইনিংস খেলে নজর কেড়েছিলেন। মঙ্গলবার তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতেও বাংলাদেশকে শাসন করার ইঙ্গিত দেন। নিজের তৃতীয় বলে তানভীর ইসলামকে মারেন চার। এই বোলারকে পরের ওভারে পেয়ে আবার চড়াও হন ক্যাম্পবেল। টানা দুটি ছক্কা মারেন। তৃতীয় বলটাও ডিপ মিডউইকেট দিয়ে ছক্কা মারতে চেয়েছিলেন ক্যাম্পবেল। কিন্তু পারেননি। সীমানার সামনে দাঁড়িয়ে থেকে লিটন দাস ক্যাচ নেন। ১০ বলে দুটি করে চার ও ছয়ে ২১ রান করেন ক্যাম্পবেল। ৯১ রানে ৭ উইকেট হারালো জিম্বাবুয়ে।

তাসকিনের আঘাতে ষষ্ঠ উইকেটের পতন

তাসকিন আহমেদের আঘাতে জিম্বাবুয়ের ষষ্ঠ উইকেট পড়লো। ডিপ মিডউইকেটে ক্লাইভ মাদান্দেকে লিটন দাসের ক্যাচ বানান বাংলাদেশের পেসার। ১৬ বলে ১১ রান করেন সফরকারী ব্যাটার। ৭৩ রানে ৬ উইকেট নেই তাদের।

বল হাতে নিয়ে মাহমুদউল্লাহর সাফল্য

তাদিওয়ানাশে মারুমানি একপ্রান্ত আগলে রেখে বাংলাদেশের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে উঠছিলেন। মাহমুদউল্লাহ বল হাতে নিয়েই তাকে ফেরালেন। নিজের পঞ্চম বলে জিম্বাবুয়ে ব্যাটারকে আউট করেন তিনি। লং অনে সাইফউদ্দিনের ক্যাচ হন মারুমানি, ২৬ বলে ২ চার ও ১ ছয়ে ৩১ রান করেন তিনি। ওই ওভারে মাত্র ১ রান দেন মাহমুদউল্লাহ। ৬৫ রানে ৫ উইকেট হারালো জিম্বাবুয়ে।

জিম্বাবুয়ে অধিনায়ককে ফেরালেন রিশাদ

পাওয়ার প্লে শেষে ৩৩ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর জিম্বাবুয়েকে ভালো অবস্থানে নিতে এবারও ব্যর্থ হলেন সিকান্দার রাজা। সফরকারী অধিনায়ক ৫ বলে মাত্র ১ রান করে রিশাদ হোসেনের শিকার হন জাকের আলীর গ্লাভসে ধরা পড়ে। ৪৮ রানে চার উইকেট নেই জিম্বাবুয়ের।

আরভিনের বিদায়ে পাওয়ার প্লেতেই পড়লো তৃতীয় উইকেট

টানা তৃতীয় ম্যাচে টপ অর্ডার ব্যর্থ জিম্বাবুয়ের। পাওয়ার প্লেতেই তৃতীয় উইকেটের পতন হয়েছে। আবারও আঘাত হেনেছেন পেসার সাইফউদ্দিন।ক্রেইগ আরভিন তার লেংথ ডেলিভারিতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। বোল্ড হয়ে ফিরেছন ৭ রানে। জিম্বাবুয়ে পাওয়ার প্লেতে ৩ উইকেট হারিয়ে করেছে ৩৩ রান।

সাইফউদ্দিনের পর উইকেট পেলেন তানজিম

তৃতীয় ম্যাচেও জ্বলে উঠতে পারেনি জিম্বাবুয়ের টপ অর্ডার। ১৬ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ২৪ রানে হারিয়েছে দ্বিতীয় উইকেট। এবার হন্তারক পেসার তানজিম সাকিব। ব্যাক অব লেংথ ডেলিভারিতে ফিরতি ক্যাচে ব্রায়ান বেনেটকে তালুবন্দি করেছেন তিনি। বেনেট আউট হয়েছেন ৫ রানে।

শুরুতে সাইফউদ্দিনের আঘাত

শুরুটা দেখে শুনে করেছিল জিম্বাবুয়ে। ২ ওভারে তুলেছে ১২ রান। প্রথম ওভারে আক্রমণে আসেন বামহাতি স্পিনার তানভির। দ্বিতীয় ওভার করেছেন তাসকিন। তার পর সাইফউদ্দিনের তৃতীয় ওভারে মেলে সাফল্য। প্রথম বলে অবশ্য চার মেরেছিলেন গুম্বি। দ্বিতীয় বলে আলগা শটে পুল করতে চেয়েছিলেন। তাতে বল টপ এজ হয়ে উঠে যায় আকাশে। তার ক্যাচ নেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ফেরার আগে গুম্বি ৮ বলে ৯ রান করেছেন। তাতে ছিল ১টি চার।

জিম্বাবুয়েকে ১৬৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে বাংলাদেশ

টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে শুরুতে চাপে রাখতে পেরেছিল জিম্বাবুয়ে। সেভাবে রানও আসছিল না। দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর ৬০ রানে পড়েছে তৃতীয় উইকেট। কিন্তু চতুর্থ উইকেট জুটিতেই পুরো নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় স্বাগতিক দল। জাকের আলী ও তাওহীদ হৃদয়ের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে স্কোরবোর্ড ফুলে ফেঁপে উঠে দ্রুতই। ৮৭ রান যোগ করেন তারা। হৃদয় তো টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটির দেখা পেয়েছেন। এই জুটি টিকে থাকলে রানটা আরও বাড়তো। কিন্তু ১৯তম ওভারে মুজারাবানি দুজনকে সাজঘরে ফিরিয়ে রাশ টেনে ধরার চেষ্টা করেছিলেন। হৃদয় করেছেন ৫৭, জাকের ৪৪। তাতেও লাভ হয়নি। শেষ ওভারে রিশাদ ও মাহমুদউল্লাহ মিলে ১৬ রান তুলেছেন। তাতে ৫ উইকেটে স্কোরটা গিয়ে ঠেকেছে ১৬৫ রানে। সিরিজে ফিরতে সফরকারীদের করতে হবে ১৬৬।

জিম্বাবুয়ের হয়ে সেরা বোলার ছিলেন ব্লেসিং মুজারাবানি। কিপ্টে বোলিংয়ে ১৪ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন। তাছাড়া ৩৮ রানে ১ উইকেট নেন সিকান্দার রাজা। ৪৪ রানে একটি নিয়েছেন ফারাজ আকরামও।

মুজারাবানির ইয়র্কারে ফিরলেন হৃদয়-জাকের

৬০ রানে ৩ উইকেট পতনের পর বাংলাদেশ চড়াও হয় জাকের-তাওহীদ হৃদয়ের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে। চতুর্থ উইকেটে ৮৭ রান যোগ করেন তারা। শেষটা আরও জমিয়ে দেওয়ার জন্য মেরে খেলছিলেন হৃদয়। কিন্তু ১৯তম ওভারে মুজারাবানির বলে শেষ রক্ষা হয়নি। দারুণ এক ইয়র্কারে হৃদয়কে বোল্ড করেছেন তিনি। হৃদয় থেমেছেন ৫৭ রানে। যা তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ। তার ৩৮ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ২টি ছয়ের মার। এক বল বিরতি দিয়ে আরেক সেট ব্যাটার জাকেরকেও বিদায় দেন তিনি। একইভাবে ইয়র্কার ডেভারিতে জাকের বোল্ড হয়ে ফিরেছেন ৪৪ রানে। তার ৩৪ বলের ইনিংসে ছিল ৩টি চার ও ২টি ছয়।

হৃদয়ের ক্যারিয়ারের প্রথম ফিফটি

প্রথম দিকে সেভাবে রান আসছিল না। ৬০ রানে ৩ উইকেট পড়ে যাওয়ায় কিছুটা চাপে ছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে দ্রুতই তারা ঘুরে দাঁড়ায় তাওহীদ হৃদয় ও জাকের আলীর ঝড়ো ব্যাটিংয়ে। জিম্বাবুয়ের ওপর চড়াও হয়ে হৃদয় তো ক্যারিয়ারের প্রথম টি-টোয়েন্টি ফিফটিও তুলে নিয়েছেন। তিনি পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন ৩৪ বলে। সঙ্গী জাকের আলীও কম যাচ্ছেন না। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে তাকে যোগ্য সঙ্গ দিচ্ছেন।

মেরে খেলতে গিয়ে আউট তানজিদ

দ্রুত দুই উইকেট হারানো বাংলাদেশের যেভাবে রান ওঠার কথা ছিল সেভাবে হচ্ছিল না। নবম ওভারে চড়াও হতে গিয়ে আরও বিপদ ডেকে আনেন তানজিদ তামিম। ফারাজ আকরামের বলে উইকেট ছেড়ে শট খেলতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দিয়েছেন এই ওপেনার। শুরু থেকে প্রান্ত আগলে রান করতে থাকা তামিম ২২ বলে ২১ রানে ফিরেছেন। তাতে ছিল ১টি চার ও ১টি ছয়।

পাওয়ার প্লেতে ৪২ রান

পাওয়ার প্লেতে পর্যাপ্ত রান পায়নি বাংলাদেশ। প্রান্ত আগলে রান তুলেছেন শুধু তানজিদ। এই সময়ে দুই উইকেট হারিয়ে স্বাগতিক দল করেছে ৪২ রান।

লিটনের পর দ্রুত ফিরলেন শান্ত

চতুর্থ ওভারে লিটন দাসের আউটের পরের ওভারে ফিরেছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তও। অথচ শুরুর বলেই চার মেরে রানের খাতা খুলেছিলেন তিনি। সিকান্দার রাজার চতুর্থ বলটি হঠাতই নিচু হয়ে পড়েছিল। শান্তর পায়েরও কোনও মুভমেন্ট ছিল না। ব্যাট-প্যাডের ফাঁক দিয়ে বল আঘাত করে তার অফ স্টাম্পে।

স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড লিটন

ব্যাট হাতে সিরিজে আহামরি কিছু করতে পারলেন না লিটন দাস। এবার তো তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে ১২ রানে ফিরেছেন। মুজারাবানির চতুর্থ ওভারে টানা তিন বলে একই ঢংয়ে স্কুপ করতে যান লিটন। রান পাননি কোনও বারই। তৃতীয়বারের চেষ্টায় অফস্টাম্পের বাইরে সরে গিয়ে বল মেরেছেন নিজের স্টাম্পেই। তাতে ১৫ বলে ১২ রানে ফিরেছেন এই ওপেনার। যেখানে ছিল দুটি চারের মার।

প্রথম ওভারে চড়াও হন তানজিদ

প্রথম ওভারেই চড়াও হন ওপেনার তানজিদ হাসান। তাতে আসে ১০ রান। প্রথম ওভারের শেষ বলে রান আউটের সম্ভাবনাও দেখা দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত অঘটন ঘটেনি।

দ্বিতীয় ওভারে মুজারাবানির তৃতীয় বলে লেগ বিফোরের আবেদনও ওঠে। আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেয় সফরকারী দল। কিন্তু বল লেগ স্টাম্পের বাইরে পিচ করায় নষ্ট হয়েছে রিভিউ।

টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

টানা দুই ম্যাচ টস জিতেছে বাংলাদেশ। জিতে অবশ্য শুরুতে জিম্বাবুয়েকেই ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে। সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে এসে এবার টস জিতেছে সফরকারী জিম্বাবুয়ে। শুরুতে বাংলাদেশকে ব্যাটিং করার আমন্ত্রণ জানিয়েছে তারা।

চট্টগ্রামে দুই ম্যাচ বাংলাদেশ অনায়াসে জিতেছে। আজ জিতলে দুই ম্যাচ হাতে রেখে নিশ্চিত করবে সিরিজ। টসের সময় অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত জানিয়েছেন, টস জিতলে ব্যাটিং-ই নিতেন তিনি।

শুরুতে বোলিং নেওয়ার কারণ হিসেবে রাজা বলেছেন, ‘আমরা নতুন বলটা কাজে লাগাতে চাই। মনে হচ্ছে চট্টগ্রামের উইকেট ঠিক যে কারণে বিখ্যাত, বছরের এই সময়ের জন্য সেটা সেভাবে আচরণ করছে না। আমরা বোলিংটা খারাপ করিনি।’

একাদশে পরিবর্তন দুটি

বাংলাদেশ একাদশে পরিবর্তন আছে দুটি। বাদ পড়েছেন পেসার শরিফুল ইসলাম ও স্পিনিং অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী। ঢুকেছেন পেসার তানজিম হাসান ও বামহাতি স্পিনার তানভির ইসলাম। জিম্বাবুয়ে একাদশেও পরিবর্তন দুটি। বাদ পড়েছেন রিচার্ড এনগারাভা ও আইন্সলে এনদলভু। ঢুকেছেন ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও ফারাজ করিম।

বাংলাদেশ একাদশ: লিটন দাস, তানজিদ হাসান তামিম, নাজমুল হোসেন শান্ত (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয়, মাহমুদউল্লাহ, জাকের আলী (উইকেটকিপার), তানজিম হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, তাসকিন আহমেদ, রিশাদ হোসেন, তানভির ইসলাম।

জিম্বাবুয়ে একাদশ: জয়লর্ড গুম্বি, ক্রেইগ আরভিন, ব্রায়ান বেনেট, সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), রায়ান বার্ল, ক্লাইভ মাদান্দে (উইকেটকিপার), জনাথন ক্যাম্পবেল, লুক জংউই, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, ব্লেসিং মুজারাবানি, ফারাজ আকরাম।

Top
%d bloggers like this: