শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেট বিনামূল্যে অথবা স্বল্পমূল্যে করার চেষ্টা চলছে - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ২রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১৮ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
বৈদেশিক টাকায় গৌরনদীতে হারিছকে পূণঃপ্রতিষ্ঠিার করার মিশনে ক্যাডার বাহিনী র‍্যাব সদরদপ্তর হবে ১১তলা, ব্যয় ১৭২ কোটি টাকা একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু আজ, জেনে নিন ফি ও বিস্তারিত নিয়ম এআই কিভাবে গ্রহণ করতে হবে, সে বিষয়ে অনেক বেশি সচেতন হওয়া প্রয়োজন স্থানীয় নির্বাচন ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার স্থানান্তরের সুযোগ রেখেছে ইসি স্থানীয় সরকারের কোনো পর্যায়ের নির্বাচনে জোটগতভাবে অংশ নেওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি শেবাচিম হাসপাতালের জেনারেটরের জ্বালানি সংকটে কারণে থেমে থাকে অস্ত্রোপচার , চিকিৎসকদের বসে থাকতে হয় ব... বিএনপির হাত ধরেই বহুদলীয় ও সংসদীয় গণতন্ত্র এসেছে বোঝা ১৮ কোটির কাঁধে,২৪ লাখের স্বস্তি ,সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি প্রস্তাবিত ৯ম জাতীয় পে স্কেল অনুমোদন করেছে সরকার

শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেট বিনামূল্যে অথবা স্বল্পমূল্যে করার চেষ্টা চলছে


আলোকিত বার্তা:শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন,শিক্ষার্থীদের জন্য ইন্টারনেট বিনামূল্যে অথবা স্বল্পমূল্যে করার চেষ্টা চলছে।খুব শীঘ্রই সুখবর পাবে শিক্ষার্থীরা।সোমবার বিকালে চাঁদপুরে করোনা পরীক্ষাগার উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট চার্জ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা শিক্ষার্থীদের জন্য যেন স্বল্পমূল্যে আমাদের স্পেসিফিক কতগুলো ডোমেইনের মাধ্যমে যেই ক্লাসগুলো করাচ্ছি এবং করাবো সেক্ষেত্রে বিনামূল্যে করতে পারলে তো খুবই ভালো। তা না হলে সেগুলো তারা যেন স্বল্পমূল্যে একসেস করতে পারে সেটির জন্য আমরা বিভিন্ন টেলিফোন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে নেগোশিয়েট করছি। আমি আশা করছি, খুব শীঘ্রই একটা সুখবর পাবো।

শিক্ষাবর্ষ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, কোনও অসুবিধা নেই। আমাদের তো ক্লাস চলছেই। আমরা মনে করছি, যথাযথ সময়ের মধ্যেই আমরা আমাদের সিলেবাস শেষ করতে পারবো। অনলাইনে পরীক্ষা দেওয়ারও নানারকম ব্যবস্থা করছি। আমার মনে হয় না, আমাদের শিক্ষার্থীদের খুব বেশি পিছিয়ে পড়া বা ক্ষতি হওয়ার আশংকা আছে।
তিনি বলেন, তবে আমরা এখনও শতকরা একশভাগ সবার কাছে পৌঁছাতে পারছি না- এটি সত্য। যে ৮-১০ ভাগের কাছে আমরা পৌঁছাতে পারিনি তাদের কাছে কীভাবে পৌঁছানো যায়- সে চেষ্টাও অব্যাহত রেখেছি। পাশাপাশি যদি একান্তই না পারি সেক্ষেত্রে যখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে যাবে তখন তাদেরকে সে ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।চাঁদপুরে করোনা পরীক্ষাগার সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি মানুষের দাবি ছিল। আমাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। এম ওয়াদুদ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে এটি করা হয়েছে, এতে আমাদের সঙ্গে চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ আছে। আমাদেরকে ৮টি পিসিআর মেশিনসহ নানারকমভাবে কারিগরি সহায়তা দিয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে চট্টগ্রাম ভেটেরেনারি ও এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়। এ কাজে সবার সহযোগিতার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম ভেটেরেনারি ও এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গৌতম বুদ্ধ দাস, চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান, চাঁদপুর মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. জামাল সালেহ উদ্দীন আহমেদ, সিভিল সার্জন ডা. সাখাওয়াত উল্যাহ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল জাহেদ পারভেজ চৌধুরী প্রমুখ।

Top