আমার ইচ্ছে হয় যদি আবার সেই বন্ধুদের নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গান গাইতে গাইতে যেতে পারতাম। - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
পিআইবির ডিজি ফারুক ওয়াসিফের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপসারনের দাবীতে মানববন্ধন7 বানারীপাড়ায় বিএনপি নেতার জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান প্রথম পুত্রসন্তান ও দ্বিতীয় সন্তানের বাবা হলেন সাংবাদিক আম্মার হোসেন আম্মান জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদক মামলার বিচারে ২২ ট্রাইব্যুনাল ‘সংখ্যালঘু’ বা ‘সংখ্যাগুরু’ নয়, সবাইকে বাংলাদেশী ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর মোহাম্মদ (সা.) ছিলেন চারিত্রিক মাধুর্যতায় অনন্য ঋণের ৩৩ শতাংশই খেলাপি,আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ র‍্যাব বিলুপ্তে বিল, সংসদে বিতর্ক ৫ সেপ্টেম্বর শান্তিপূর্ণ লংমার্চ সফল করার আহ্বান ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতৃবৃন্দের

আমার ইচ্ছে হয় যদি আবার সেই বন্ধুদের নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গান গাইতে গাইতে যেতে পারতাম।


আলোকিত বার্তা:তথ্যমন্ত্রী ড.হাছান মাহমুদ বলেছেন,বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন ট্রেনে গলা ছেড়ে গান গাইতাম।আমার ইচ্ছে হয় যদি আবার সেই বন্ধুদের নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গান গাইতে গাইতে যেতে পারতাম।শুক্রবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।তথ্যমন্ত্রী বলেন,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এমন একটি বিশ্ববিদ্যালয় যেটিকে প্রকৃতি অপরূপ সাজে সাজিয়েছে। পৃথিবীর বহু বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবার সৌভাগ্য হয়েছে আমার।কিন্তু প্রকৃতির এমন সুন্দর শোভা পৃথিবীর খুব কম বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রকৃতি নিজের কোলে লালন করছে।

অ্যালামনাইয়ের এই মিলনমেলার মতো ভবিষ্যতে যাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে মিলনমেলা করা হয় এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র ড. হাছান মাহমুদ বলেন, চেনা মুখগুলো বহু বছর দেখিনি,তাদের সঙ্গে দেখা হল আজ।ইচ্ছে করে আবার চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই জীবনে ফিরে যেতে। যেই বালুকণায় ঘিরে আমাদের স্মৃতি,যেখানে আমরা সময় কাটিয়েছি সেই দিনগুলোতে ফেরত যেতে ইচ্ছে করে। এই অসাধারণ আয়োজনের জন্য যারা কষ্ট করেছেন তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।তিনি বলেন,বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন আমি প্রধানত চট্টগ্রাম শহরে থাকতাম। মাঝে মধ্যে হলেও থাকতাম। পরীক্ষার আগে বিশেষ করে হলে কয়েকমাস থাকতাম। ট্রেনে করেই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতাম। আমার ট্রেনের সহপাঠীরা অনেকেই আজকে অ্যালামনাইয়ে এসেছেন।

হাছান মাহমুদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন ট্রেনে গলা ছেড়ে গান আমি গাইতাম। আমার সেই বন্ধুরা এখানে অনেকেই আছেন। তারা সবাই এখন সমাজে প্রতিষ্ঠিত ও উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা তাই তাদের নাম বলছি না। গলা ছেড়ে গান গাইত সেটি বললে তারা লজ্জাও পেতে পারেন। সেই যে গলা ছেড়ে গান গাওয়া আমার ইচ্ছে হয় যদি আবার সেই বন্ধুদের নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গান গাইতে গাইতে যেতে পারতাম। এটা হবে কিনা জানিনা কখনও। তবে এটি যদি করতে পারতাম খুব ভালো লাগতো।সবার জন্য সুন্দর জীবন ও সমৃদ্ধি কামনা করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সবাই মিলে আমরা আমাদের দেশকে স্বপ্নের ঠিকানায় পৌঁছাব। সেটাই হোক সবার প্রত্যাশা।

Top