২০০ বাংলাদেশি একদিনেই ফিরলেন - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৩০শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঢাবির ৯২ শিক্ষকের বিষয়ে তদন্ত কমিটি,রাষ্ট্রবিরোধী গোপন তৎপরতার অভিযোগ ঈদে মিলাদুন্নবী আগামী ২৬ আগস্ট ষড়যন্ত্রের শিকার বিআইডব্লিউটিএ’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আগামীকাল আল্লামা সাঈদীর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ফখরুলের শূন্যস্থান পূরণে বিএনপিতে আলোচনায় তিন নাম সচিবালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকের সমালোচনায় জামায়াত রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলের মনোনয়নপত্র জমা স্বৈরাচারের দোসরদের সিন্ডিকেট রাজত্ব,শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের পাহাড়,ক্ষমতার দাপট,অতিরিক্ত পরিচালক... বরিশাল রেঞ্জের নতুন ডিআইজি মো. জুলফিকার আলী হায়দার

২০০ বাংলাদেশি একদিনেই ফিরলেন


আলোকিত বার্তা:সংসারে সচ্ছলতা আনতে মাত্র পাঁচ মাসে আগে বহু স্বপ্ন নিয়ে সৌদি আরব গিয়েছিলেন কুড়িগ্রামের আকমত আলী।কিন্তু তার সে স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্ন।তার অভিযোগ,আকামার মেয়াদ(বৈধ অনুমোদন)আরও ১০ মাস থাকলেও তাকে ফেরত পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।আকমত আলীসহ ২০০ বাংলাদেশিকে গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরতে হয়েছে।বরাবরের মতো গতকালও দেশে ফেরা কর্মীদের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর সহায়তা দেয় ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম।চলতি বছর ১৬ হাজারের বেশি বাংলাদেশি সৌদি আরব থেকে ফেরত এলো। এর মধ্যে চলতি মাসেই ওয়েজ আর্নাস কল্যাণ বোর্ডের সহযোগিতায় ৮০৪ জনকে ব্র্যাক সহযোগিতা করলো। এবার ফেরাদের মধ্যে একদিনে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক কর্মী এলেন গতকাল।

গতকাল ফেরত আসা গোপালগঞ্জের ছেলে সম্রাট শেখ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,আট মাসের আকামা ছিল তার। নামাজ পড়ে বের হলে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে, কোনো কিছুই না দেখে দেশে পাঠিয়ে দেয়।ফেরত আসা সাইফুল ইসলামের বাড়ি নারায়ণগঞ্জে।তার অভিযোগ,আকামার মেয়াদ দেখানোর পরেও তাকে দেশে পাঠানো হয়েছে।সাইফুল বলেন, সবেমাত্র ৯ মাস আগে সৌদি গিয়েছিলেন, আকামার মেয়াদও ছিল ছয় মাস।চট্টগ্রাম জেলার আব্দুল্লাহ বলেন, আকামা তৈরির জন্য আট হাজার রিয়াল জমা দিয়েছেন কফিলকে। কিন্তু পুলিশ গ্রেফতারের পর কফিল কোনো দায়িত্ব নেয়নি।

ফেরত আসা কর্মীরা সরকারকে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান।আর কাউকে যেন তাদের মতো পরিস্থিতির শিকার হয়ে দেশে ফিরতে বাধ্য করা না হয়, সে দাবিও করেন।ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, ফেরত আসা কর্মীরা যেসব বর্ণনা দিচ্ছেন সেগুলো মর্মান্তিক। সাধারণ ফ্রি ভিসার নামে গিয়ে এক নিয়োগকর্তার বদলে আরেক জায়গায় কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়লে অনেক লোক ফেরত আসতো। কিন্তু এবার অনেকেই বলছেন, তাদের আকামা থাকার পরেও ফেরত পাঠানো হচ্ছে। বিশেষ করে যাওয়ার কয়েক মাসের মধ্যেই অনেককে ফিরতে হচ্ছে, যারা খরচের টাকার কিছুই তুলতে পারেননি। রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোকে এই দায় নিতে হবে। পাশাপাশি নতুন করে কেউ যেন গিয়ে এমন বিপদে না পড়ে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে।

Top