রাজনীতিতে এখন একটা শূন্যতা বিরাজ করছে। জাতীয় পার্টিকেই এই শূন্যতা দূর করতে হবে। - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
রাজধানীতে গণপরিবহন চলাচলে আসছে বড় পরিবর্তন এইচএসসির রসায়ন প্রশ্নে কোনো ভুল নেই, বলছে শিক্ষা বোর্ড ১৮ মন্ত্রীর পুলিশ এসকর্ট সুবিধা প্রত্যাহার ২০২৭ সালের হজের প্রাথমিক নিবন্ধন শুরু হচ্ছে ২৭ জুলাই রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে যোগ্যদের পদোন্নতি দিন বিশ্বস্তদের বসানোর কৌশল নেওয়া হচ্ছে,প্রশাসন ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোয় আরও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গ... হাসিনা-বেনজীরসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা বঙ্গভবন ছাড়লেন মো. সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিতদের ওপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে কুয়াকাটায় হামলায় আহত সাংবাদিক বাচ্চুর পাশে বরিশাল সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি

রাজনীতিতে এখন একটা শূন্যতা বিরাজ করছে। জাতীয় পার্টিকেই এই শূন্যতা দূর করতে হবে।


আলোকিত বার্তা:রাজনীতিতে এখন একটা শূন্যতা বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদের বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের।মঙ্গলবার রাজধানীর বনানীতে পার্টির চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের মিলনায়তনেজাতীয় যুব সংহতি এবং স্বেচ্ছাসেবক পার্টির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে পৃথক মতবিনিময় সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।জিএম কাদের বলেন, রাজনীতিতে এখন একটা শূন্যতা বিরাজ করছে। জাতীয় পার্টিকেই এই শূন্যতা দূর করতে হবে। কারণ, দেশের জনগণ এখন জাতীয় পার্টিকেই বিকল্প রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখতে চায়।

তিনি বলেন,অবক্ষয়ের রাজনীতি দেশের যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এখান থেকে এই যুবসমাজকে রক্ষার জন্য তাদের উন্নয়ন-সমৃদ্ধি-শান্তি ও আত্মত্যাগের রাজনীতির ধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে। জাতীয় পার্টি যুবকদের জন্য সেই রাজনৈতিক মঞ্চ তৈরি করে দেবে, যেখান থেকে যুবকরা ইতিবাচক রাজনৈতিক আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশ সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করতে পারবে।

তিনি আরও বলেন, জাতীয় পার্টি জনগণের দলে পরিণত হবে। জাতীয় পার্টি পরিণত হবে কর্মীবান্ধব দলে। জাতীয় পার্টির মালিকানা থাকবে পার্টির নেতাকর্মীদের মাঝে। জাতীয় পার্টি নেতা কেন্দ্রিক দলে পারিণত হবে না। জাতীয় পার্টি ২-৪ জনের স্বার্থে ব্যবহার হবে না।এ সময় জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা বলেন, জাতীয় ছাত্র সমাজ, জাতীয় যুব সংহতি ও সেচ্ছাসেবক পার্টিসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বয়সসীমা নির্ধারণ করা হবে। একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে সবাইকে জাতীয় পার্টির পদ ছেড়ে দেয়া হবে। আগামী দিনের নেতৃত্ব সৃষ্টিতে এখন থেকেই যুব সংহতি ও সেচ্ছাসেবক পার্টিসহ অঙ্গ সংগঠনগুলোতে দায়িত্বশীল হতে হবে।তিনি বলেন,আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় যুব সংহতি ও সেচ্ছাসেবক পার্টির জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠান করতে হবে। প্রতিটি কাউন্সিলে গোপন ব্যালটে ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে। কাউন্সিলের নামে লোক ভাড়া করে মহাসমাবেশ করলে চলবে না। প্রতিটি কাউন্সিলে প্রকৃত কাউন্সিলররাই উপস্থিত থাকতে হবে।

মতবিনিময় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রেসিডিয়াম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু, সুনীল শুভ রায়, অ্যাড. রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, যুবসংহতির সভাপতি আলমগীর সিকদার লোটন, সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আহসান শাহজাদা, স্বেচ্ছাসেবক পার্টির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব মো. বেলাল হোসেন ও সদস্য সুমন আশরা।

Top