পাবেন সহায়তাও,প্রকৃত জেলেরা মানেন নিষেধাজ্ঞা - Alokitobarta
আজ : বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১লা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
নিয়োগ-পদোন্নতিতে সব সিটির ক্ষমতা কমল মিথ্যা তথ্যে আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে দুদকের তদন্ত, তীব্র ক্ষোভ ও হুঁশিয়ারি এনসিপির ঋণের টাকায় বড় প্রকল্প ব্যাংক খাত সংস্কারে শিল্পে আজ থেকে গ্যাস বিদ্যুৎ আগের অবস্থায় সবার আগে বিদ্যুৎ-জ্বালানি,সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার থমকে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক,পথের কাঁটা হাসিনা দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসীর প্রাণের দাবি কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ দ্রুত বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্... তফসিল ঘোষণার আগে আইন সংশোধন নিয়ে অনিশ্চয়তা এনসিপি থেকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন এম. আনোয়ার হোসেন সিকদার চরামদ্দি মূগাখাঁন মসজিদ প্রাঙ্গণে গীতা পাঠ, ক্ষমা চাইল বিএনপি

পাবেন সহায়তাও,প্রকৃত জেলেরা মানেন নিষেধাজ্ঞা


রফিকুল ইসলাম:ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে প্রজনন মৌসুমের সঙ্গে সমন্বয় করে এবার ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরা, বেচাকেনা, পরিবহন, বিপণন ও বাজারজাতকরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মৎস্য বিভাগ।এরইমধ্যে নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ে জনসচেতনা ও প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর। গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয় বাজার, আড়ত, মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র জেলেপল্লীতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন করতে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং ,সচেতনতা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করেছে মৎস্য বিভাগ।

জেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তা (হিলসা) বিমল চন্দ্র দাস বলেন,নিষেধাজ্ঞার সময় মাছ শিকার বন্ধে আমাদের যা যা করণীয় আমরা সবকিছুই করছি। এই নিষেধাজ্ঞা ইলিশ প্রজনেন বিগত সময় ধরে সুফল বয়ে আনছে, ফলে চলমান বছরগুলোতে ইলিশের আমদানি বাড়ছে।তিনি বলেন,বিগত দিনের অভিযানের পরিসংখ্যান বলছে, মূল বা তালিকাভুক্ত জেলেরা সরকারি কোনো নিষেধাজ্ঞা অমান্য করছে না। তাই তাদের মধ্যে এ সময়টাতে মাছ শিকারে নামার প্রবণতা খুব কম। আর অভিযানে খুব কম নিবন্ধিত বা আমাদের তালিকাভুক্ত জেলে ধরা পড়ছে, যা ধরা পড়ছে তার বিশাল একটা অংশই মৌসুমী জেলে। যারা লোভে পড়ে এ কাজ করছে।

আর নিবন্ধিত জেলেরা বলছেন,মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে তারা নদীতে ইলিশ শিকারে নামবেন না। তবে এসময় সরকারি বরাদ্দের খাদ্য সহায়তা দ্রুত দেওয়ার দাবি জানান তারা।আর মৎস্য অধিদপ্তর বিভাগীয় কার্যালয়ের সিনিয়র সহাকারী পরিচালক আজিজুল হক বলেন, ইলিশের উপর নির্ভরশীল জেলেদের এসময় ২০ কেজি করে চাল খাদ্য সহায়তা হিসেবে দেওয়া হবে। নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে প্রচার প্রচারণা চালানো হচ্ছে। তারপরও নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কেউ মাছ শিকার করলে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা ও দুই বছর কারাদণ্ড দেওয়া হবে।

এদিকে নিষেধাজ্ঞা চলকালীন অভিযান সফল করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, নৌপুলিশ ও জনপ্রতিনিধিরা মৎস্য বিভাগকে সহায়তা করবে বলে জানা যায়।বরিশাল জেলায় ৪৩ হাজার ৬৪৪ জন জেলেকে এবং বিভাগে ২ লাখ ২৭ হাজার ৯৪৩ জন জেলেকে নিষেধাজ্ঞার এ সময়ে ২০ কেজি করে চাল সহায়তা দেওয়া হবে।

Top