৩০০ বাংলাদেশিকে লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ: সরিয়ে নেয়া হয়েছে - Alokitobarta
আজ : সোমবার, ২৭শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ

৩০০ বাংলাদেশিকে লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ: সরিয়ে নেয়া হয়েছে


আলোকিত বার্তা:লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতি খারাপের দিকে মোড় নেয়ায় প্রায় ৩০০ বাংলাদেশিকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে।গত ৪ এপ্রিল থেকে লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলি দখলকে কেন্দ্র করে সেনাপ্রধান জেনারেল খলিফা হাফতারের বাহিনী আক্রমণ চালাচ্ছে।ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব কামরুল আহসান বুধবার সন্ধ্যায় বলেছেন, লিবিয়ার রেড ক্রিসেন্ট এবং নিয়োগ কর্তাদের সহযোগিতায় বুধবার পর্যন্ত প্রায় ৩০০ বাংলাদেশি কর্মীকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। গৃহযুদ্ধকবলিত লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলির আশপাশে অন্তত চার হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন বলে ধারণা করা হয়। আর সব মিলিয়ে উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা বলেছেন,এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। সেখানে আমাদের দূতাবাস একটি হটলাইন সংযোগ স্থাপন করেছে এবং বাংলাদেশিদের সহায়তা দিচ্ছে।লিবিয়ার আরেক বড় শহর বেনগাজিতে বাংলাদেশিদের কী অবস্থা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেখানে সবাই নিরাপদে আছেন। যুদ্ধ হচ্ছে ত্রিপোলি এবং এর আশপাশের অঞ্চলে।লিবিয়ার সর্বশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ত্রিপোলি থেকে মুঠোফোনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শেখ সেকান্দার আলী বুধবার রাতে জানিয়েছেন, ত্রিপোলির সাম্প্রতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় আইনজারা, ক্বাসর বেনগাজি, ওয়াদি রাবিয়া, সোয়ানি, আজিজিয়াসহ ত্রিপোলির আশপাশের এলাকায় যেসব বাংলাদেশি আছেন, তাদের সরিয়ে নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে ১৩ এপ্রিল দূতাবাসের ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটে অনুরোধ জানানো হয়েছে। বুধবার পর্যন্ত অন্তত ৩০০ বাংলাদেশিকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে।গত ৪ এপ্রিল থেকে খলিফা হাফতার ত্রিপোলি দখল করার জন্য আক্রমণ চালাচ্ছেন। তাকে প্রতিরোধের চেষ্টা করছেন সরকারপন্থী বাহিনী। বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, এ সংঘাতে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৫০ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন ছয় শতাধিক মানুষ।এর আগে ২০১১ সালে লিবিয়ার নেতা কর্নেল গাদ্দাফির বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হলে আইওএমের সাহায্যে প্রায় ৪০ হাজার বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছিল।

Top
%d bloggers like this: