শিশু জন্মদানের জন্য মা-ও দায়ী থাকে না, বাবা-ও দায়ী থাকে না। - Alokitobarta
আজ : রবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১১ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
কুয়াকাটায় হামলায় আহত সাংবাদিক বাচ্চুর পাশে বরিশাল সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গুম-খুনের তিন মামলার রায় হতে পারে এ বছর যাত্রীর অভাব নেই,আছে টিকিটের হাহাকারও,তবুও লোকসান,চুরি-দুর্নীতি বিতর্কে শুরু বিতর্কেই সমাপ্তি বরিশালে জুলাই জাগরণ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত দেশ থেকে স্বৈরাচারের একটি কালো ছায়া সরে গেছে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতার করে বিচারের দাবি এনসিপির রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য আলোচনায় বিএনপির সিনিয়র ৩ নেতা সাহাবুদ্দিন মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের প্রতি তিনি সমর্... রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে যা বললেন স্পিকার

শিশু জন্মদানের জন্য মা-ও দায়ী থাকে না, বাবা-ও দায়ী থাকে না।


আলোকিত বার্তা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, একটা শিশু যখন জন্ম নেয় সে যে অটিস্টিক হবে, প্রতিবন্ধী হবে তা ওভাবে জানা থাকে না। এই ধরনের শিশু জন্মদানের জন্য মা-ও দায়ী থাকে না, বাবা-ও দায়ী থাকে না। কেউই কিন্তু দায়ী থাকে না। সাধারণ মানুষের মতো না হওয়া এটা আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা। বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (০২ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় দেখি, বাবা-মা, বিশেষ করে মায়ের ওপর অনেক দোষারোপ করা হয়। আশাকরি ভবিষ্যতে কেউ আর মাকে অযথা দোষারোপ করবেন না। এটা মায়েরও কষ্ট। আল্লাহ একটা মানুষকে এভাবে তৈরি করেছেন- তাকে তো অবহেলা করা কোনো সুস্থ মানুষের কাজ না। আমরা মানবতার কথা বলি, মানবাধিকারের কথা বলি, অনেক কিছু বলি কিন্তু এই মানুষগুলোর প্রতি আমাদের আরো সহানুভুতিশীল হওয়া উচিৎ। আরো দায়িত্বশীল হওয়া উচিৎ। ছোট্ট বেলা থেকে আমরা শিখেছি কানাকে কানা বলিও না, খোঁড়াকে খোঁড়া বলিও না। সেই শিক্ষা স্কুলেও দেয়া উচিৎ।

শেখ হাসিনা বলেন, এখন মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি হচ্ছে। আগে যেমন এ ধরনের বাচ্ছা হলে অনেকে লুকিয়ে রাখতো এখন আর লুকিয়ে রাখে না। এটাই আমাদের সমাজে খুব বেশি প্রয়োজন। তারপরও এদের দেখাশোনা করা বেশ কষ্টকর। সবাই সহানুভুতিশীল হবেন এটাই প্রত্যাশা।মানুষ যেন কখনও এটা ভাবে যে অটিজম প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা। বরং আমরা মনে করি তাদেরও অধিকার আছে। সেই অধিকার আমাদের সুরক্ষিত করতে হবে। যারা সুস্থ ব্যক্তি তাদের ওপরই এ দায়িত্ব বর্তায়।

Top