নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ ব্যবস্থা কার্যকর রাখা হয়েছে - Alokitobarta
আজ : শনিবার, ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
দেশ থেকে স্বৈরাচারের একটি কালো ছায়া সরে গেছে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতিকে গ্রেফতার করে বিচারের দাবি এনসিপির রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য আলোচনায় বিএনপির সিনিয়র ৩ নেতা সাহাবুদ্দিন মাফিয়া সরকারের আমলে নির্বাচিত হলেও জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের প্রতি তিনি সমর্... রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে যা বললেন স্পিকার বরিশালে সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটি গঠন উজিরপুরের জমি দখলকারী তিনজন কারাগারে এনআইডি নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ইসির, পাবেন ছোটরাও সাংবাদিক শফিকের মুক্তি না দিলে শাহবাগ থানা, ফায়ার সার্ভিস ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাওয়ের হুঁশিয়া... ইউপি চেয়ারম্যানের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে হাইকোর্টে রুল

নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ ব্যবস্থা কার্যকর রাখা হয়েছে


মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া :চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা এবং নকল প্রতিরোধে এবারও ‘নীরব বহিষ্কার’ বা ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’ ব্যবস্থা কার্যকর রাখা হয়েছে।পরে পরীক্ষার শেষে সেই উত্তরপত্র আলাদা প্যাকেটে সংরক্ষণ করে প্যাকেটের ওপর লাল কালি দিয়ে ‘রিপোর্টেড’ লিখে অন্যান্য উত্তরপত্র থেকে পৃথকভাবে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দপ্তরে পাঠাতে হবে। সম্প্রতি প্রকাশিত পরীক্ষা পরিচালনা নীতিমালায় এ বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়েছে সব শিক্ষা বোর্ড।নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো পরীক্ষার্থীকে সরাসরি হাতেনাতে না ধরেও যদি পরীক্ষার হলে অনিয়ম করতে দেখা যায়—যেমন অন্যের খাতা দেখার চেষ্টা, ঘাড় ঘোরানো, ফিসফাস বা অন্য কোনো অসদুপায়—তাহলে দায়িত্বরত পরিদর্শক তাকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ্যে বহিষ্কার না করে ‘নীরব বহিষ্কার’ করতে পারবেন। এতে পরীক্ষার্থী পরীক্ষার হলে বসে পরীক্ষা শেষ করলেও পরে তার উত্তরপত্র বাতিল করা হবে।নির্দেশনায় বলা হয়েছে, এমন ঘটনায় সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার্থীর সৃজনশীল উত্তরপত্রের কভার পৃষ্ঠার প্রথম অংশ অক্ষত রেখে পর্যবেক্ষকের প্রতিবেদনের সঙ্গে গোপনীয় ফরম পূরণ করতে হবে।

এছাড়া, নীরব বহিষ্কারের ক্ষেত্রে কেন ওই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে; তা পর্যবেক্ষকের প্রতিবেদনে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। একই সঙ্গে নীতিমালায় বলা হয়েছে, নীরব বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীকে পরবর্তী পরীক্ষাগুলোতে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তবে পরবর্তী প্রতিটি বিষয়ের উত্তরপত্রও আলাদা প্রতিবেদনের সঙ্গে বিশেষভাবে সংরক্ষণ করে জমা দিতে হবে।

অন্যদিকে, এ বছরের আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার পূর্ণাঙ্গ রুটিন এখনো প্রকাশ না হওয়ায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যে আগামী ৭ জুন থেকে পরীক্ষা শুরুর ঘোষণা দিলেও পরীক্ষা শুরু হতে দুই মাসেরও কম সময় বাকি থাকতে এখনো চূড়ান্ত সময়সূচি প্রকাশ হয়নি।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সাধারণত পরীক্ষা শুরুর অন্তত দুই মাস আগে রুটিন প্রকাশ করা হলেও এবার অস্বাভাবিক বিলম্বে তাদের প্রস্তুতি ব্যাহত হচ্ছে। কোনো পরীক্ষার আগে কতদিন বিরতি থাকবে; তা জানা না থাকায় পড়াশোনার পরিকল্পনা করতেও সমস্যা হচ্ছে বলে তারা জানিয়েছেন।বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ইতোমধ্যে পূর্ণাঙ্গ রুটিন তৈরি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। তবে মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন না মেলায় তা প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দার জানিয়েছেন, বোর্ড তাদের কাজ শেষ করেছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন পেলেই রুটিন প্রকাশ করা হবে। তবে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে রুটিন প্রকাশ নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন পরীক্ষার্থীরা।

Top