ন্যায়বিচারের স্বার্থে সাংবাদিক তুরাব হত্যার বিচার হওয়া উচিত
স্টাফ রিপোর্টার :চব্বিশের জুলাই গণআন্দোলনে সিলেটের রাজপথে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের গুলিতে নিহত শহীদ সাংবাদিক এটিএম তুরাবের কবর জিয়ারত করেছেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি।এ সময় তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।জিয়ারত শেষে ডা. শফিকুর রহমান শহীদ তুরাবের পরিবারের সদস্যদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তিনি তুরাবের বড় ভাই আবুল আহসান আজরফ জাবুরসহ পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাদের খোঁজখবর নেন।সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ডা.শফিকুর রহমান বলেন,শহীদ সাংবাদিক তুরাবদের রক্তের বিনিময়েই আজ দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়েছে। অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, শহীদ হওয়ার দুই বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত তার হত্যার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়নি।রোববার (২৬ জুলাই) সকালে বিয়ানীবাজার পৌর শহরের ফতেহপুর কবরস্থানে গিয়ে তিনি দৈনিক নয়া দিগন্তের তৎকালীন সিলেট ব্যুরোপ্রধান ও দৈনিক জালালাবাদের স্টাফ রিপোর্টার শহীদ তুরাবের কবর জিয়ারত করেন।
তিনি বলেন,শহীদ সাংবাদিক তুরাব হত্যার বিচার না হলে ভবিষ্যতে তুরাবের মতো সাহসী ও সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিক তৈরি হবে না। সাংবাদিকদের নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং ন্যায়বিচারের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনতে এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করা জরুরি।জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা সাংবাদিক তুরাব হত্যার বিচারের দাবিকে জোরদার করব। এর বিচার হতেই হবে। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই তুরাব হত্যার বিচার হওয়া উচিত। আমরা জানি না এই সরকার তুরাব হত্যার বিচার করবে কি না। তবে শেষ বিচারের দিনে অবশ্যই তুরাব ন্যায়বিচার পাবেন।
এ সময় জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমির মুহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সিলেট জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, জেলা সেক্রেটারি জয়নাল আবেদীন, জেলা জামায়াত নেতা মাওলানা ফয়জুল ইসলাম, বিয়ানীবাজার উপজেলা আমির মোস্তফা উদ্দিন, নায়েবে আমির আবুল খায়ের, পৌর জামায়াতের আমির জমির হোসাইন, নায়েবে আমির সৈয়দ আবু কয়ছর কাজল, সেক্রেটারি ছাদ উদ্দিন এবং উপজেলা সহকারী সেক্রেটারি রুকন উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।শহীদ সাংবাদিক তুরাবের কবর জিয়ারতের আগে ডা. শফিকুর রহমান তার নানা মাস্টার জোয়াদুর রহমান, প্রবীণ জামায়াত কর্মী মুহুরী আব্দুল খালিক এবং লেখক ও গবেষক আব্দুল হাকিম তাপাদারের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় তিনি তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন এবং পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন।