মুক্তিযুদ্ধের গৌরবকে খাটো করা যাবে না
মোহাম্মাদ আবুবকর সিদ্দীক ভুঁইয়া : আলোচনা-সমালোচনা ও গবেষণার নামে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবকে খাটো করা যাবে না বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। আলোচনা সভার শুরুতে দলের প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।তিনি বলেন, অতীত ভুলে গেলে চলবে না, তবে অতীত নিয়ে বেশি চর্চায় ভবিষ্যৎ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। শুক্রবার বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানসহ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী বীরদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গৌরবজনক অধ্যায় ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। এই গৌরবগাথা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দিতে গবেষণা ও আলোচনা চলবে, এটাই স্বাভাবিক। তবে আলোচনা-সমালোচনা কিংবা গবেষণার নামে আমাদের এমন কিছু করা বা বলা ঠিক হবে না; যেটি আমাদের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের গৌরবের ইতিহাসকে কোনোভাবে খাটো করতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীত নিয়ে সব সময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ, আর অতীত ভুলে গেলে দুই চোখই অন্ধ। অতীতকে ভুলে থাকা চলবে না, আবার অতীত নিয়ে পড়ে থাকলেও তা যেন ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে বিঘ্ন সৃষ্টি না করে। গত ১৭ বছরে অতীত নিয়ে এত নড়াচড়া হয়েছে যে, এতে দেশের মূল ইতিহাস ঢাকা পড়ে গেছে।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অনিবার্য চরিত্র শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। অতীতে যেভাবে শহীদ জিয়াউর রহমানকে, তার অবদানকে খাটো করার চেষ্টা করা হয়েছে, এর থেকেই প্রমাণিত হয়েছে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অবশ্যই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন অনিবার্য চরিত্র। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হঠাৎ করেই কিন্তু স্বাধীনতার ঘোষণাটি দেননি।
তিনি বলেন, শহীদ জিয়া প্রথম জীবনে অবশ্যই একজন রাজনৈতিক কর্মী ছিলেন না। তিনি একজন সৈনিক ছিলেন। তবে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার যে স্বপ্ন, সেটি যে তার মনের মধ্যে, সেই বোধশক্তির পথ থেকে লালন করতেন। এটি কিন্তু তার (জিয়াউর রহমান) একটি লেখায় ফুটে উঠেছে। স্বাধীনতার চিন্তা-চেতনা যে তিনি ধারণ করতেন, একটি স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য যে তার একটা দীর্ঘ মানসিক প্রস্তুতি ছিল; সেটি আমরা তার একটি লেখা থেকেই পরিষ্কারভাবে বুঝতে পারি। কথাগুলো আমার নয়, কথাগুলো কারও মনগড়াও নয়। এই কথাগুলো আমরা তার নিজের লেখনী থেকে জানতে পারছি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে শহীদ জিয়ার নিজের লেখা একটি প্রবন্ধ আছে, যার শিরোনাম ‘একটি জাতির জন্ম’। প্রবন্ধটি যথেষ্ট বড়। আমি খুব সংক্ষেপে সেই প্রবন্ধের দু-একটি লাইন আপনাদের সামনে বলব। যেখান থেকে পরিষ্কার হয়ে যাবে পুরো বিষয়টি। এই প্রবন্ধের মাধ্যমেই আমরা জানতে পারি যে স্বাধীন বাংলাদেশ, সার্বভৌম একটি বাংলাদেশের স্বপ্ন, বহু দিন ধরে শহীদ জিয়ার মনে, শহীদ জিয়া লালন করছিলেন। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের লেখা নিবন্ধটি দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রথম ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ প্রকাশিত হয়েছিল। এই প্রবন্ধটি বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীনতা দিবসের প্রকাশিত ক্রোড়পত্রে ছাপা হয়েছিল। এই প্রবন্ধটি বা নিবন্ধটির শেষ প্যারায় শহীদ জিয়াউর রহমান লিখেছিলেন, ‘তখন রাত ২টা বেজে ১৫ মিনিট, ২৬ মার্চ ১৯৭১ সাল। রক্তের আখরে বাঙালির হৃদয়ে লেখা একটি দিন। বাংলাদেশের জনগণ চিরদিন স্মরণ রাখবে, এ দিনটিকে ভালোবাসবে। এই দিনটি তারা কোনোদিন ভুলবে না, কোনো দিন না।’ এভাবেই উনি লিখেছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাত ২টা বেজে ১৫ মিনিটে কী হয়েছিল; আমি মনে করি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে যারা গবেষণা করেন এই তথ্যটি অবশ্যই তাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হতে পারে।
তারেক রহমান আরও বলেন, শহীদ জিয়ার লেখা এই প্রবন্ধটি যখন প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল তখন কিন্তু মাত্র মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়েছে। যারা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, যারা মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন, তারা কিন্তু প্রত্যেকেই তখন বেঁচে ছিলেন। এই প্রবন্ধটি প্রকাশিত হওয়ার পরে কারও পক্ষ থেকেই আমরা কোনোরকম এমন কিছু আপত্তি বা এমন কিছু কথা পাইনি যা এই প্রবন্ধ বা লেখাটিকে কন্ট্রাডিক্ট করে। পরে আমরা দেখেছি, শহীদ জিয়াকে খাটো করার জন্য বহু অপচেষ্টা হয়েছে। কিন্তু আগেই আমি বলেছি, যা সত্য, তা সত্যই। শহীদ জিয়া যে মুক্তিযুদ্ধের একজন অনবদ্য চরিত্র, এটাকে লুকানোর কোনোই উপায় নেই।
তারেক রহমান বলেন, শহীদ জিয়ার নিবন্ধটি ১৯৭৪ সালে আবারও প্রকাশিত হয়েছিল সাপ্তাহিক বিচিত্রায়। তার লেখাটি একটি জাতির প্রবন্ধ, লেখাটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের একটি অনন্য দলিল। ৭৪ সালেও আবার যখন প্রকাশিত হয়েছিল কারোরই কোনো আপত্তি ছিল না এবং শহীদ জিয়া তার লেখায় যা যা বলেছিলেন অবিকল ছিল। সেই সময় সরকারে কারা ছিল, রাজনৈতিকভাবে কারা কোথায় অবস্থান করছিল, আমাদের কমবেশি প্রত্যেকেরই ধারণা আছে। কিন্তু সেই সময় তৎকালীন সরকার অথবা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব কেউ শহীদ জিয়ার লেখা প্রবন্ধের কোনো বক্তব্যকে কোনোভাবেই খণ্ডন করেননি, চেষ্টাও তারা করেননি। কারণ সেই সময় যারা ছিলেন, তারা জানতেন শহীদ জিয়ার প্রতিটি বাক্য, প্রতিটি শব্দ প্রবন্ধে উল্লেখিত, সত্য সেগুলো।
তারেক রহমান বলেন, বছরের পর বছর, এমনকি যুগের পর যুগ ধরেও বিশ্বের যেখানে যারা স্বাধীনতার লড়াই করেছেন, সংগ্রাম করেছেন-একমাত্র তাদের পক্ষেই উপলব্ধি করা সম্ভব স্বাধীনতার মূল্য কতখানি। আমরা যদি একটু পাশে তাকাই তাহলেই দেখতে পারব স্বাধীনতার গুরুত্ব ও তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারছে স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনের মানুষ। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আমরা ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতা অর্জন করেছি; হাজারো প্রাণের বিনিময়ে আমরা ২০২৪ সালে দেশ এবং স্বাধীনতা রক্ষা করেছি। প্রতিটি প্রাণের স্বপ্ন আছে, আকাঙ্ক্ষা আছে, স্বপ্ন ছিল, আকাঙ্ক্ষাও ছিল। সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণেই যারা সেদিন লড়াই করেছিলেন-তারা সাহসের সঙ্গে অধিকার আদায়ের জন্য লড়াই করেছিলেন ৭১, ৯০ ও ২৪ সালে।
তারেক রহমান বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলন ও সংগ্রামের সব শহীদের আকাঙ্ক্ষা ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক তাঁবেদারমুক্ত একটি স্বাধীন-সার্বভৌম নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা আমাদের রয়েছে। আমাদের সাধ ও সাধ্যের মধ্যে ফারাক থাকলেও আমি এই দেশের একজন নাগরিক হিসাবে, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসাবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই, ঐক্যবদ্ধভাবে সবাই একসঙ্গে দেশের জন্য কাজ করি, তাহলে অবশ্যই আমাদের কাক্সিক্ষত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।
আলোচনা সভায় বাংলাদেশকে স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আসুন এবারের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার হোক-সমাজের একটি অংশ নয় বরং সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে এই দেশে আমরা ভালো থাকব। আসুন আমরা প্রত্যেকে একসঙ্গে সহাবস্থানের মাধ্যমে খারাপকে দূরে ঠেলে দিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করব। এই হোক আমাদের আজকের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার, প্রত্যাশা, প্রতিজ্ঞা।
প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে বলেন, বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আপনাদেরই সরকার, এ দেশের মানুষের নির্বাচিত সরকার, এ দেশের মানুষের প্রতিষ্ঠিত সরকার। সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে লক্ষ্য করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। জনগণের জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপ আমরা গ্রহণ করছি। প্রতিনিয়ত আপনাদের এই সরকার অক্লান্ত পরিশ্রম করছে, চেষ্টা করে যাচ্ছে।
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ বক্তব্য রাখেন। এছাড়া সভায় আরও অংশ নেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ওয়াকিল আহমেদ, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ১৮ বছরের ধ্বংসস্তূপ থেকে নতুন বাংলাদেশ গড়ছেন। দীর্ঘ ১৮ বছরে ফ্যাসিস্ট শাসনের নিপীড়নে আমাদের রাষ্ট্র ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছিল। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে অর্থনীতিকে ভঙ্গুর করে দেওয়া হয়েছিল। জনগণের সমর্থনে নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা এমন একজন নেতা পেয়েছি, যার স্লোগান আজ আমাদের নতুন স্বপ্ন দেখাচ্ছে। আমাদের নেতা তারেক রহমান দেশে আসার পরই প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার কথা না বলে দেশ গড়ার পরিকল্পনা নিয়ে এসেছেন। শহীদ জিয়া যেমন সাড়ে তিন বছরে তলাবিহীন ঝুড়ির দেশকে সম্ভাবনাময় বাংলাদেশে পরিণত করেছিলেন, তার যোগ্য পুত্র তারেক রহমানও আজ সেই পথ দেখাচ্ছেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট টেনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা পাকিস্তানের তৎকালীন শ্রেষ্ঠ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে জয়লাভ করেছি। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর আজ সেই অপশক্তি আবারও নতুন চেহারায় মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। যারা সেদিন হানাদার বাহিনীকে সহযোগিতা করেছিল, তারা আজও সক্রিয়। আমাদের স্বাধীনতাকে সংহত করতে হলে এই অপশক্তিকে পরাজিত করতেই হবে।
বক্তব্যের শুরুতেই নজরুল ইসলাম খান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে স্মরণ করে বলেন, যিনি ‘উই রিভল্ট’ বলে প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন এবং মুক্তাঞ্চলে বেসামরিক প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, আজ সেই সাহসী মহানায়ককে আমরা স্মরণ করছি।
আজ নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে অফিস করবেন তারেক রহমান : প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো আজ নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বসবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবারের আলোচনা সভা শেষে তিনি নিজেই বিষয়টি জানান। রমনা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে বাসভবনে ফেরার সময় মঞ্চ থেকে নামতে নামতে মিলনায়তনে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তারেক রহমান একথা জানান। যখন তিনি মঞ্চ ছেড়ে নামছিলেন, নেতাকর্মীরা স্লোগানে স্লোগানে সরগরম করে তোলেন পুরো মিলনায়তন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী নেতাকর্মীদের উদ্দেশে হাত নেড়ে হাস্যোজ্জ্বল কণ্ঠে বলতে থাকেন, ‘আগামীকাল (শনিবার) নয়াপল্টন অফিসে যাব আমি। আমি তোমাদের দেখতে চাই।