কারাদণ্ডের বদলে জরিমানার বিধান রেখে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ জারি - Alokitobarta
আজ : রবিবার, ২১শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
ঝুঁঁকিতে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ জামায়াত এমপি আব্দুল বাতেনের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে ‘সুপারিশের’ বিড়ম্বনায় ফায়ার সার্ভিস কর্তারা,নিয়োগে সব ধাপে কড়াকড়ি ফারুকের উত্থান শ্রমিক দল করার মাধ্যমে,আবারও বেপরোয়া কাইল্লা ফারুক অস্থিরতার বছরে অর্থ পাচার বাড়ে,পাচার বন্ধে আইন আছে প্রয়োগ নেই ১২ কর্মকর্তার পদোন্নতি ও বদলি,প্রশাসনে বড় রদবদল ২০২৪ সালের আত্মত্যাগই ২০২৬ সালের রাজনৈতিক বাস্তবতা তৈরি করেছে জাতি গঠনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ শিশুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য দেশজুড়ে পুলিশের সতর্কতা,আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ঢাকায় সতর্ক অবস্থানে পুলিশ

কারাদণ্ডের বদলে জরিমানার বিধান রেখে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ’ জারি


মু.এবি সিদ্দীক ভুঁইয়া:ব্যক্তিগত উপাত্তের নিরাপত্তা জোরদার ও আইনের প্রয়োগ সহজতর করতে ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫’ সংশোধন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) আইন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম এ তথ্য জানান।
সংশোধনীতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো (সিআইআই) সমূহের উপাত্তের একটি রিয়াল-টাইম কপি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট গত ৫ ফেব্রুয়ারি বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশিত হয়েছে।এ অধ্যাদেশ ‘ব্যক্তিগত উপাত্ত সুরক্ষা (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ নামে অভিহিত হবে। এই অধ্যাদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে

রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই অধ্যাদেশ জারি করেন।সংশোধিত অধ্যাদেশের ধারা ২৯-এ গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫-এ সংজ্ঞায়িত ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো’ সমূহের ক্ষেত্রে ক্লাউডে সংরক্ষিত উপাত্তের অন্তত একটি সিংক্রনাইজ্ড রিয়াল-টাইম কপি বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার অভ্যন্তরে সংরক্ষণ করতে হবে। এছাড়া সীমাবদ্ধ ব্যক্তিগত উপাত্তের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম কার্যকর হবে।মূল অধ্যাদেশের (২০২৫ সনের ৬১ নং অধ্যাদেশ) ধারা ৪৮-এ উল্লিখিত শাস্তির বিধানেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধনীতে নির্দিষ্ট অপরাধের ক্ষেত্রে ‘কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে’ এই শব্দগুলোর পরিবর্তে শুধুমাত্র ‘অর্থদণ্ডে’র বিধান প্রতিস্থাপিত করা হয়েছে। অর্থাৎ, এই ধারার অধীনে বিচার্য অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তির ধরণ হিসেবে এখন কেবল আর্থিক জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

Top