১৭ মাসের সহিংসতার মধ্যে ৯১.৭ শতাংশ বিএনপি সম্পৃক্ত - Alokitobarta
আজ : শুক্রবার, ৬ই নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ সংবাদঃ
পোস্তগোলা ব্রিজের নিচে বালুর বস্তা রেখে ব্যবসার অভিযোগ, নীরব বিআইডব্লিউটিএ! ঔষধ প্রশাসনের মহাপরিচালক জনাব আলমগীর হোসেন কে জড়িয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়েছে তার প্রতিবাদ জানিয়েছে বা... মেহেন্দিগঞ্জের পর এবার বাকেরগঞ্জে জামায়াতকর্মী সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদানের নাটক বিচার শেষ হবে কবে ? মাদকের ৯৫ শতাংশ মামলা ঝুলে আছে কোন দলের প্রস্তুতি কেমন,ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপ শুরু ২১ জানুয়ারি ভারত থেকে আনা চালে ক্যানসারের বিষাক্ত উপাদান, বিতরণ স্থগিত বিরোধী দল সংলাপে এলে জুলাই সনদ নিয়ে নমনীয় হতে পারে সরকার জামায়াত জোটের ঢাকা-খুলনা কুষ্টিয়া লংমার্চ আজ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও জ্বালানিমন্ত্রী ব্যর্থ, পদত্যাগ দাবি করলেন নাহিদ এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ

১৭ মাসের সহিংসতার মধ্যে ৯১.৭ শতাংশ বিএনপি সম্পৃক্ত


জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক,আলোকিত বার্তা:২০২৪ সালের আগস্ট থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৭ মাসে মোট ৬০০টি রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় ১৫৮ জন রাজনৈতিক কর্মী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৭ হাজার ৮২ জন।এসব সহিংসতার মধ্যে ৫৫০টিতে (৯১.৭ শতাংশ) বিএনপি সম্পৃক্ত। ১২৪টিতে অর্থাৎ ২০.৭ শতাংশ ঘটনায় আওয়ামী লীগ, ৭.৭ শতাংশ ঘটনায় জামায়াতে ইসলামী এবং ১.২ শতাংশ ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সম্পৃক্ততা রয়েছে।ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর একটি গবেষণায় এসব তথ্য উঠে এসেছে।সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সকালে সংবাদ সম্মেলনে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করে টিআইবি।

টিআইবি গবেষণা প্রতিবেদনে আরও জানায়, সরকার পতনের পর আওয়ামী লীগের দখলে থাকা প্রতিষ্ঠান ও কার্যক্রমের দখল ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা ও সংঘাত- পরিবহন টার্মিনাল ও স্ট্যান্ড থেকে চাঁদাবাজি; সিলেটের কোয়ারি ও নদ-নদী থেকে পাথর লুটপাট; সেতু, বাজার, ঘাট, বালু মহাল ও জল মহাল ইত্যাদি ইজারা নিয়ন্ত্রণ; এসব ক্ষেত্রে দলগুলোর অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা কার্যকর ছিল না। কর্মীদের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি দলগুলো।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরবর্তী ৩৬ দিনের মধ্যেই দেশে অন্তত ১৫ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, থানা থেকে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া এবং নতুন করে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ায় সহিংসতার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী মোট জনবলের মাত্র ৯ থেকে ১০ শতাংশ পুলিশ সদস্য হওয়ায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করায় বড় ঘাটতি রয়েছে।২০২৫ সালে সংখ্যালঘুদের ওপর ৫০টির বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে ডিপফেক ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়ার হুমকিকেও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

Top